Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেরামতে ৩ ফেরি: পাটুরিয়া নৌরুট পারের অপেক্ষায় শতাধিক ট্রাক

মেরামতে ৩ ফেরি: পাটুরিয়া নৌরুট পারের অপেক্ষায় শতাধিক ট্রাক
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ট্রাকের দীর্ঘ লাইন, পুরনো ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি মিলে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার যানবাহন পারাপার হয় এই নৌরুট দিয়ে।

ফেরি সংকট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে পারাপারের জন্য এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয় যাত্রী ও যানবাহন শ্রমিকদের। বিভিন্ন সময় যানবাহনের বাড়তি চাপ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে এখানে ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা।

এবার ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নৌরুটের ছোট বড় ১৬টি ফেরির সঙ্গে যুক্ত করা হয় আরও চারটি ফেরি। যে কারণে ঈদের আগে থেকেই নৌরুট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে তেমন কোনো ভোগান্তি ছিল না। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার ছিল স্বাভাবিক।

পাটুরিয়া নৌরুট পারের অপেক্ষায় শতাধিক ট্রাক

তবে নৌরুটের ওই ফেরিগুলোর মধ্যে তিনটি ফেরিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেগুলোকে নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডে পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আর একটি ফেরি পাঠানো হয়েছে মাওয়া ঘাটে। যে কারণে আবারও যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে ভোগান্তির সম্ভাবনা রয়েছে এ নৌরুটে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট পারাপারের অপেক্ষায় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ফেরিঘাটের ট্রাক টার্মিনালে অপেক্ষমাণ রয়েছে বলে জানা যায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডিব্লউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন রাসেল জানান, ট্রাকের দীর্ঘ সারি থাকলেও বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ির অপেক্ষমাণ কোন সারি নেই।

ফেরির বিষয়ে জানতে চাইলে মহিউদ্দিন রাসেল বার্তা২৪.কম-কে জানান, পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ছোট বড় মিলে ২০টি ফেরি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি এর মধ্যে দুইটি রো রো এবং একটি কে-টাইপ ফেরিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেগুলোকে নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এছাড়া রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান নামের আরও একটি ফেরি পাঠানো হয়েছে মাওয়া ঘাটে। যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নৌরুট পারাপার করা হচ্ছে। যে কারণে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এসে নৌরুট পারাপার হওয়ার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণতে হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলমুখী পণ্যবাহী ট্রাক চালক ও শ্রমিকদেরকে।

আপনার মতামত লিখুন :

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গোলাম কিবরিয়া মিন্টু (৩৩) নামে মাদক মামলার এক আসামিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ সিদ্দিক উল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু স্থানীয় ইমান আলী চৌকিদার বাড়ির ইসমাইলের ছেলে। কোম্পানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, মিন্টু মাদক মামলাসহ মোট ছয়টি মামলার আসামি। গত ১৫ দিন আগে তিনি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পান।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্র্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির ভাই গোলাম আজম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে একই এলকার শেখ ফোরমানের বাড়ির আজাদের ছেলে তানভির (২৫), পাটোয়ারী হাটের পটু ডাক্তার বাড়ির নুর আমিনের ছেলে ফয়সালসহ কয়েকজন মিন্টুকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে চোখ, হাত ও পা বেঁধে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর হন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মিন্টুকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহত মিন্টুর পরিবার।

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ছেলেসহ বাবার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকার আইজুদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৬৩) এবং তার দুই ছেলে নাজিরুল ইসলাম (৩৬) ও আশাদুল (২২)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে একটি খালে কারেন্ট জাল বসিয়েছিলেন নাজিরুল। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় জাল তুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর নাজিরুলের ছোট ভাই আশাদুল তার বড় ভাই ও বাবাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ছেলেসহ বাবাকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান' এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র