Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করব'

'অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করব'
কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ নয়ন মিয়া, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবেশ দূষণে সবথেকে বেশি ক্ষতি করে ইটভাটা। আর কুষ্টিয়া জেলায় দেড় শতাধিক ইটভাটার মধ্যে মাত্র ২৬টি ইটভাটা স্থাপনে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র রয়েছে। তবুও কিভাবে এসব ইটভাটা চলছে তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে আমার প্রথম কাজ হবে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটা অচিরেই বন্ধ করা এবং কোনোভাবেই ড্রাম চিমনির ইটভাটা রাখা হবে না।

সম্প্রতি পরিবেশ অধিদফতর কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক পদে যোগদান করা মোঃ নয়ন মিয়া এভাবেই পরিবেশ নিয়ে করণীয় কার্যক্রম তুলে ধরতে কথা বলেন মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা২৪.কম'র সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘বসবাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত, সচেতন হওয়া উচিত। আর তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে আমাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে।’

বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ রোধে কাজ করা, ইটভাটার অনুমোদন, পলিথিনের অতিরিক্ত ব্যবহাররোধে এবং নদীতে ডাইং এর কারণে পানিদূষণ এবং রাইসমিল ও কলকারখানার নির্গত ধোয়া প্রক্রিয়াজাতকরনের মাধ্যমে যাতে করে পরিবেশের ক্ষতি না হয় সে সব বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান এই কর্মকর্তা।

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার শহরের পাশে প্রবাহমান গড়াই নদীর তীর ঘেষে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন টেক্সটাইল মিল ও ডাইং কারখানা। পরিবেশ অধিদফতরের কোনো আইন না মেনে বিষাক্ত বর্জ্য গড়াই নদীতে ফেলছে। ফলে গড়াই নদীর পানি বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্ত মিল ও ডাইংয়ের নির্গত বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি নালা হয়ে গড়াই নদীর পানিতে মিশে যাচ্ছে। নদীর তলদেশে বর্জ্যের স্তূপে অগভীর হয়ে পড়ছে। এসব পুনরুদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোঃ নয়ন মিয়া।

পলিথিনের কুফল থেকে দেশবাসীকে রক্ষার জন্য সরকার ইতোমধ্যে সারাদেশে পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ ও বিক্রয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু এর সঙ্গে মানুষের দীর্ঘদিনের অভ্যাস পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এসবের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান। 

মো: নয়ন মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'কুষ্টিয়ার খাজানগর এলাকার অনেক রাইসমিল ও অটো রাইসমিল এবং কলকারখানাগুলোর নির্গত ছাই, ধোয়া ও বর্জ্য আকাশে উড়ে যেভাবে পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে। এগুলোতে ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে এবং প্রক্রিয়াজাত করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করা হবে। এজন্য সকল মিল-মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক করে তা বাস্তবায়ন করব।'

তিনি মনে করেন, পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এ ব্যাপারটি সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা আছে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের অভাবে তা ভেস্তে যেতে চলেছে।

তিনি বলেন, 'আমি মনে করি নতুন নতুন আইডিয়া বা ইনোভেশনের মাধ্যমে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেগুলো বাস্তবায়ন করে বসবাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলব। এজন্য সর্বোপরি, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে আমাদেরকেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গু আক্রান্ত সিভিল সার্জন মারা গেছেন

ডেঙ্গু আক্রান্ত সিভিল সার্জন মারা গেছেন
ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন হাজরা (৫৩) মারা গেছেন। সোমবার (২২ জুলাই) সকালে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শাহ্ আলম।

তিনি জানান, গত রোববার (২১ জুলাই) রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শাহ আলম বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন হাজরা। রোববার সকালে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সমন্বয় সভায় অংশ নেন। এ সময় অসুস্থতা বোধ করলে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বিকার ৪টার দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় পাঠান। রাত সোয়া ১০টার দিকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই তিনি পদোন্নতি পেয়ে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের ১৩ দিনের মাথায় মারা গেলেন জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের এই প্রধান। তাকে হারিয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে।

সার্ভার ত্রুটিতে ইমিগ্রেশনে সহস্রাধিক যাত্রী আটকা

সার্ভার ত্রুটিতে ইমিগ্রেশনে সহস্রাধিক যাত্রী আটকা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনে সার্ভার ত্রুটিতে পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ  না হওয়ায় দেশ-বিদেশি প্রায় সহস্রাধিক পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়ে আছে। এতে এক প্রকার ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

সোমবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সার্ভার অচল রয়েছে বলে জানান যাত্রীরা।

সূত্রে জানা যায়, ব্যবসা-চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় কাজে প্রতিদিন এপথে সাড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু মাঝে মধ্যেই  কম্পিউটারে অনলাইন প্রক্রিয়ায় পাসপোর্টের কাজ করতে যেয়ে সার্ভার সমস্যায় আটকা পড়েন যাত্রীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563763428387.jpg
যাত্রীদের বসার কোন ব্যবস্থাও নেই 

 

ভারতগামী পাসপোর্টে যাত্রী আনুস সিং বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'ভোর ৬ টা থেকে ইমিগ্রেশনে লাইনে দাড়িয়ে আছি। কম্পিউটারে অনলাইনে সমস্যার কারণে পাসপোর্টের কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে না।' এ ধরনের সমস্যায় এখানে বিকল্প ব্যবস্থা থাকা দরকার বলেও মনে করেন তিনি।

যাত্রী আজিম বলেন, 'সার্ভার সমস্যায় প্রায় দেড় ঘণ্টা তিনি পরিবার নিয়ে ইমিগ্রেশনে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে আছেন। কিন্তু এখানে যাত্রীদের বসার কোন ব্যবস্থা না থাকায় এ দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।' 

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবুল বাশার সকাল ৮ টায় বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'তাদের ইজ্ঞিনিয়াররা সার্ভার সচলের চেষ্টা করছেন। সচল হলেই পাসপোর্টেও কাজ শুরু হবে।' 

প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬ টা থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত শুরু হয়। আগে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ হতো হাতে কলমে। এখন সে কাজ করতে হয় সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়ায়। আর যাত্রীদের সকল তথ্য সেখানে সংরক্ষণ থাকে। তাই সার্ভার সচল না হলে কাজ করা সম্ভব হয়না।

এদিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে পাসপোর্ট যাত্রীদের বিশ্রামের কোন ব্যবস্থা নেই। বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনের পাশেই একটি আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল থাকলেও সেখানে শতাধিক যাত্রী বিশ্রামের জায়গা নেই। ফলে এ ধরনের সমস্যায় পড়লে যাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র