Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করব'

'অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করব'
কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ নয়ন মিয়া, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবেশ দূষণে সবথেকে বেশি ক্ষতি করে ইটভাটা। আর কুষ্টিয়া জেলায় দেড় শতাধিক ইটভাটার মধ্যে মাত্র ২৬টি ইটভাটা স্থাপনে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র রয়েছে। তবুও কিভাবে এসব ইটভাটা চলছে তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে আমার প্রথম কাজ হবে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়া ইটভাটা অচিরেই বন্ধ করা এবং কোনোভাবেই ড্রাম চিমনির ইটভাটা রাখা হবে না।

সম্প্রতি পরিবেশ অধিদফতর কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক পদে যোগদান করা মোঃ নয়ন মিয়া এভাবেই পরিবেশ নিয়ে করণীয় কার্যক্রম তুলে ধরতে কথা বলেন মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা২৪.কম'র সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘বসবাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত, সচেতন হওয়া উচিত। আর তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে আমাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে।’

বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ রোধে কাজ করা, ইটভাটার অনুমোদন, পলিথিনের অতিরিক্ত ব্যবহাররোধে এবং নদীতে ডাইং এর কারণে পানিদূষণ এবং রাইসমিল ও কলকারখানার নির্গত ধোয়া প্রক্রিয়াজাতকরনের মাধ্যমে যাতে করে পরিবেশের ক্ষতি না হয় সে সব বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান এই কর্মকর্তা।

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার শহরের পাশে প্রবাহমান গড়াই নদীর তীর ঘেষে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন টেক্সটাইল মিল ও ডাইং কারখানা। পরিবেশ অধিদফতরের কোনো আইন না মেনে বিষাক্ত বর্জ্য গড়াই নদীতে ফেলছে। ফলে গড়াই নদীর পানি বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্ত মিল ও ডাইংয়ের নির্গত বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি নালা হয়ে গড়াই নদীর পানিতে মিশে যাচ্ছে। নদীর তলদেশে বর্জ্যের স্তূপে অগভীর হয়ে পড়ছে। এসব পুনরুদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোঃ নয়ন মিয়া।

পলিথিনের কুফল থেকে দেশবাসীকে রক্ষার জন্য সরকার ইতোমধ্যে সারাদেশে পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ ও বিক্রয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু এর সঙ্গে মানুষের দীর্ঘদিনের অভ্যাস পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এসবের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান। 

মো: নয়ন মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, 'কুষ্টিয়ার খাজানগর এলাকার অনেক রাইসমিল ও অটো রাইসমিল এবং কলকারখানাগুলোর নির্গত ছাই, ধোয়া ও বর্জ্য আকাশে উড়ে যেভাবে পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে। এগুলোতে ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে এবং প্রক্রিয়াজাত করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করা হবে। এজন্য সকল মিল-মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক করে তা বাস্তবায়ন করব।'

তিনি মনে করেন, পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এ ব্যাপারটি সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা আছে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের অভাবে তা ভেস্তে যেতে চলেছে।

তিনি বলেন, 'আমি মনে করি নতুন নতুন আইডিয়া বা ইনোভেশনের মাধ্যমে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেগুলো বাস্তবায়ন করে বসবাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলব। এজন্য সর্বোপরি, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে আমাদেরকেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জুবেদা আক্তার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে কেন্দুয়া পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জুবেদা আক্তার কমলপুর গ্রামের মৃত সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে জুবেদা আক্তার তার বাবার বাড়ি কেন্দুয়া পৌর শহরের বাদে আঠারবাড়ি গ্রাম থেকে অটোরিকশায় স্বামীর বাড়ি কমলপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। কমলপুর এলাকায় গিয়ে অটোরিকশা থেকে নামলে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মারাত্মক আহত তিনি। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক ডা. পিয়াস পাল তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী
বাঁশঝাড়ের নিচে মাচা তৈরি করে আশ্রয় নিয়েছে চিলমারীর এই পরিবারটি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রাম থেকেঃ ব্রহ্মপুত্রের পানিতে প্লাবিত হয়েছে চিলমারী উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন। উলিপুর-চিলমারী সড়কপথের বেশকিছু জায়গায় রাস্তার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। ইতোমধ্যে চিলমারী থানায় কোমড় সমান পানি জমেছে।

চিলমারী খাদ্য গুদামে হাঁটু পানি, উপজেলা পরিষদ সহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পানির নিচে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাব-স্টেশনে পানি প্রবেশ করেছে। ফলে উপজেলার পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529336611.gif

বন্যার পানিতে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেলপথের উলিপুর অংশের কয়েক জায়গা প্লাবিত হয়েছে। আরও কয়েক জায়গায় পানি রেলপথ ছুঁই ছুঁই করছে। এ অবস্থায় ঐ রেলপথে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও বন্যাদুর্গত লোকজন রেললাইনের ওপর আশ্রয় নেওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529351678.gif

চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান বীরবিক্রম শওকত আলী সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, '৩০ বছর পর এমন বন্যা দেখলাম। এর আগে ১৯৮৮ তে বন্যা দেখেছি। খুবই ভয়াবহ অবস্থা। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। তবে পানিবন্দি মানুষের তুলনায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও শুকনো খাবার এখন পৌঁছানো ও বিতরণ করা হয়নি।'

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৪৫০টি তাবু ও ১৩ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। জেলার ১৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যাপ্লাবিত এলাকায় ৮৫টি মেডিকেল টিম স্বাস্থসেবা প্রদান করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র