Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অতঃপর গ্রেফতার

পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অতঃপর গ্রেফতার
গ্রেফতারকৃত আহসানুল কবির, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানা পুলিশ।

বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আহসানুল কবির (৫০) পাবনা সদর থানার মৃত সামছুদ্দিনের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের লতিফপুর কলোনী এলাকায় বাস করেন।

জানা গেছে, বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের বায়েজিদ নামের এক ছাত্রকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন আহসানুল কবির। এই প্রতিশ্রুতিতে কয়েকদিন আগে বায়েজিদকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়া হাইওয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যান আহসানুল কবির। বায়েজিদকে বাইরে রেখে তিনি হাইওয়ে পু্লিশ সুপারের কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখান থেকে বের হয়ে বায়েজিদকে জানান আলোচনা হয়েছে তিন লাখ টাকা অগ্রীম দিতে হবে।

বায়েজিদ বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে, তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন হাইওয়ে পুলিশ সুপার নিয়োগ বোর্ডের কেউ না। এতে তাদের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ কৌশলে আহসানুল কবিরকে গ্রেফতার করে থানায় আনে।

এদিকে, আহসানুল কবির গ্রেফতারের খবর জানাজানি হলে কাহালু থানার কোহালী গ্রামের মশিউর রহমান থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ করেন তার ভাতিজা আসিফ খানকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আহসানুল কবির ৬ লাখ টাকা চুক্তি করেন। এরমধ্যে গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) সপ্তপদী মার্কেটের সামনে ৯২ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।

তবে গ্রেফতারকৃত আহসানুল কবির বার্তা২৪.কমকে জানান, তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা গ্রহণ করেননি। তবে বায়েজিদের ব্যাপারে সুপারিশ করতে তিনি হাইওয়ে পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। হাইওয়ে পুলিশ সুপার তার পরিচিত হওয়ায় তিনি বায়েজিদকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বায়েজিদের সূত্র ধরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর পর কাহালু থানার কোহালী গ্রামের মশিউর রহমান বাদী হয়ে আহসানুল কবিরের নামে মামলা করেছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

কুমার নদে মিলল নিখোঁজ শিশু বক্কারের লাশ

কুমার নদে মিলল নিখোঁজ শিশু বক্কারের লাশ
শিশু আবু বক্কারের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

আপন চাচাতো ভাইয়ের হাতে খুন হওয়া ফরিদপুরের নগরকান্দার শিশু আবু বক্কার খলিফার (৮) গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া এলাকার কুমার নদের কচুরিপানার নিচ থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

আবু বক্কার নগরকান্দা উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামের পাচু খলিফা ও তাছলিমা বেগমের ছেলে। স্থানীয় মেহেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে।

৪ বোন ও ২ ভাইয়ের মধ্যে আবু বক্কার খলিফা পঞ্চম সন্তান। আবু বক্কার খলিফার বাবা পাচু খলিফা পেশায় অটোবাইক চালক। তার মা তাছলিমা বেশ কয়েক বছল সৌদিআরবে ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563360338563.jpg

থানা পুলিশ জানায়, আবু বক্কার ১ জুলাই বিকেলে নিখোঁজ হয়। ১৬ দিন নিখোঁজ থাকার পর বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া এলাকার কুমার নদের কচুরিপানার নিচ থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার পর ১০ জুলাই নগরকান্দা থানায় জিডি করেন আবু বক্কারের বাবা পাচু খলিফা। এরপর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের আপন চাচাতো ভাই টুকু খলিফার ছেলে জিনদার খলিফাকে (২২) ১৫ জুলাই গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মেহেরদিয়া গ্রামের কাঞ্চু শেখের ছেলে অটোবাইক চালক মাহাবুব শেখকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী লাশ খুঁজে পায় পুলিশ।

এর আগে নিখোঁজের পর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাচু খলিফার কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মিরাজ হোসেন এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পাটুরিয়ায় বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে ট্রাকচালকদের

পাটুরিয়ায় বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে ট্রাকচালকদের
পাটুরিয়ায় গাড়ির নিচেই ঘুমিয়ে নিচ্ছেন ট্রাকের তিন শ্রমিকরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীতে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার যানবাহন পারাপার হয় এ নৌরুট দিয়ে।

পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড স্রোত আর ফেরি স্বল্পতার কারণে ভোগান্তি বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। পদ্মা পারের অপেক্ষায় পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় জমে আছে পণ্যবাহী চার শতাধিক ট্রাক। এছাড়াও শতাধিক বাস নৌরুট পারের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার ট্রাক টার্মিনাল দু’টি কানায় কানায় পূর্ণ দেখা যায়। যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে এসব ট্রাকের চালকদের।

0
পাটুরিয়ায় ট্রাকের দীর্ঘ সারি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

টার্মিনালে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না থাকায় সীমাহীন ভোগান্তির কবলে পড়েছেন তারা। অলস বসে থেকে ব্যাটারিও বসে যাচ্ছে অনেক ট্রাকের। এর ওপর পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ট্রাকচালকদের।

চট্টগ্রাম থেকে বেনাপোলগামী রড বোঝাই ট্রাক নিয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আটকা পড়া চালক শিমুল বিশ্বাস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, সোমবার রাতে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এসেছেন তিনি। বুধবার সকালে এক হাজার ৬০ টাকার টিকিট ১৭শ’ টাকা দিয়ে সংগ্রহ করতে হয়েছে তাকে।

শরিফ মিয়া নামের আরেক চালক জানান, বাড়তি টাকা না দিলে সাত দিনেও নৌরুট পারের টিকিট পাওয়া যাবে না। নদী পার হতে গেলে বাড়তি টাকা দিয়েই টিকিট নিতে হবে। পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আসার পর ট্রাকচালকদের বাড়তি টাকা দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে হয়।

0

নৌরুট পারাপারে ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করলেও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

নদীতে তীব্র স্রোত আর ফেরি স্বল্পতার কারণেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত সার্জেন্ট মো. গোলজার হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার দু’টি ট্রাক টার্মিনালে তিন শতাধিক ও মহাসড়কের উথুলী এলাকায় রয়েছে শতাধিক ট্রাক।
এছাড়াও নৌরুট পারের অপেক্ষায় শতাধিক বাস অপেক্ষমাণ রয়েছে বলেও তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র