Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

২ মাসেও নোয়াখালীতে নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধান মেলেনি

২ মাসেও নোয়াখালীতে নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধান মেলেনি
নিখোঁজ মাদরাসাছাত্র মো. শরিফ উদ্দিন, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নোয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজের দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি মাদরাসাছাত্র মো. শরিফ উদ্দিনের (১৭)। সম্ভাব্য সব আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনায় শরিফের বাবা আব্দুল মতিন বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন। শরিফ উদ্দিন হাতিয়া উপজেলার আজিমপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে। সে সেনবাগ উপজেলার বটতলা হোসাইনিয়া নূরানিয়া ও হাফেজিয়া মাদরাসার ছাত্র।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত এক বছর আগে শরিফ উদ্দিনকে বটতলা হোসাইনিয়া নূরানিয়া ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হয়। মাঝে মাদরাসা বন্ধ হলে সে একা একা বাড়িতে আসা যাওয়া করত। গত ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় তাকে মাদরাসায় দেখতে না পেয়ে তার শিক্ষক হাফেজ রিয়াজ উদ্দিন বিষয়টি মোবাইলে তার বাবাকে অবগত করেন। এরপর থেকে সম্ভাব্য সব আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান পায়নি তারা।

আব্দুল মতিনের অনুরোধ তার ছেলের কোন সন্ধান পেলে উক্ত নাম্বার গুলোতে যোগাযোগ করতে- ০১৮৬৬৩৭৪০০২, ০১৮৭৯২৪৩০১১ ।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিখোঁজ ডায়েরির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দালালের কারাদণ্ড

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দালালের কারাদণ্ড
অভিযানে পারভেজ (লাল চিহ্নিত) নামের এক দালালকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়/ ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় পারভেজ নামের এক দালালকে আটক করে ২৮ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এদিকে অভিযান টের পেয়ে সটকে পড়ে হাসপাতালকে ঘিরে আশপাশে থাকা একাধিক দালাল চক্র।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে দুদক কুষ্টিয়ার উপ-পরিচালক মোঃ জাকারিয়া হোসেন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিমুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

দুদকের এই অভিযানে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অব্যবস্থাপনাসহ নানা অনিয়মের চিত্র ধরা পড়ে। এর মধ্যে হাসপাতালে নোংরা পরিবেশ অপরিচ্ছন্নতা, জেনারেটরের থাকলেও সংযোগ না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে অপারেশন না হওয়া এক্সরে মেশিন নষ্টসহ বেশকিছু অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563883716867.gif

দুদক কর্মকর্তারা এসব অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম সমাধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে বলেও সূত্র জানায়।

দুদকের উপ-পরিচালক মোঃ জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার উদ্দেশে পরিচালিত অভিযান টের পেয়ে চক্রটি পালিয়ে গেলেও এই হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক চিকিৎসকের স্ত্রীর মালিকানাধীন বেসরকারি প্রাইভেট ক্লিনিক নিউ ডি সানের এক দালালকে আটক করে ২৮ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দালালদের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিলেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। প্রতিদিনই প্রতারিত হচ্ছিলেন বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল প্রকৃতির লোকজন। দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেক রোগীর প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটে। শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকের পৃষ্ঠপোষকতায় সক্রিয় এ দালাল চক্রটি।

নুসরাত হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন আসামি পপির চাচি

নুসরাত হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন আসামি পপির চাচি
নুসরাত জাহান রাফি। ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার। তিনি আসামি উম্মে সুলতানা ওরফে পপির আপন চাচি।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে সাক্ষ্য দেন তিনি।

আদালতে মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘১৯ এপ্রিল পুলিশ পপিদের বাড়িতে যায়, আমি পুলিশকে দরজা খুলে দেই। এ সময় পুলিশের সঙ্গে পপিও ছিল। পপিদের ঘরের রুম দুইটি। পপি যে রুমে থাকত তাকে নিয়ে ওই রুমে যায় পুলিশ। ওই রুমে একটি নেভি ব্লু রঙয়ের বোরকা, পেস্ট কালারের ওড়না দেখিয়ে পুলিশ আমার কাছে জানতে চায় এগুলো কার? আমি বলি পপির বোরকা। পপি এই বোরকা পরে মাদরাসায় যেত। পরে আমি জব্দ তালিকায় স্বাক্ষর করি।’

নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার ১৯তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ ফেনীর লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ফজলুল করিম, মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার, ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম হোসেন ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. জাফর ইকবালের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র