Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঝিনাইদহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ সদরে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গনেশকে যাবজ্জীবন কারদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক এম. জি. আযম এ রায় দেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়, ২০১২ সালের ২৫ জুন বিকালে সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজারের হাবিবুর রহমানের একটি খাবারের দোকানে মাজেদুল ইসলাম নামের এক কর্মচারী কাজ করছিলেন। সেসময় আসামি গনেশ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে গনেশকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। বিচারক দীর্ঘ শুনানি শেষে পলাতক আসামি গনেশকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

নিহত মাজেদুল ইসলাম মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীখোল গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। আসামি গনেশ সদর উপজেলার লৌহজঙ্গা গ্রামের মৃত নরেন সরদারের ছেলে।

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

হত্যা মামলায় যুবদল নেতাসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় যুবদল নেতাসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন
প্রতীকী

ফরিদপুরের নগরকান্দার কার্তিক সিকদার হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় যুবদল নেতা সিরাজ মোল্যাসহ পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পঞ্চাশ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের বিশেষ দায়রা আদালতের হাকিম মো. মতিয়ার রহমান এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিল।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—নগরকান্দার চর যশোরদী ইউনিয়ন যুবদলের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজ মোল্লা (৩৬) ও তার চার সহযোগী নয়া মোল্লা (৬০), ইমারত মোল্লা (৩২), কালাম মোল্লা (৩৮) ও সিদ্দিক মোল্লা (৩৬)।

২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের মেয়াদের শেষের দিকে চর যশোরদী ইউনিয়নের মেঘারকান্দি গ্রামের কার্তিক সিকদারের এক নাবালিকা কন্যাকে জোর করে অপহরণ ও ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেন সিরাজ মোল্লা। এরপর সিরাজ কার্তিক সিকদারের বাড়িঘর দখল করে নিজে বসবাস শুরু করেন।

পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ১ জুন রাতে সিরাজ ও তার সহযোগীরা কার্তিক সিকদারকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে ফেলে রেখে যায়। আহত কার্তিককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতেও বাধা দেওয়া হয়। পরদিন ২ জুন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান কার্তিক সিকদার।

২০০৭ সালের মার্চ মাসের ১৩ তারিখে নিহত কার্তিক সিকদারের স্ত্রী মিলনী সিকদার জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সিরাজ সিকদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বন্যায় ভেঙেছে সড়ক, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বন্যায় ভেঙেছে সড়ক, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
সড়ক ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা-বড়খাতার তালেব মোড়ের বাইপাস সড়কটি ভেঙে গেছে প্রায় দুই সপ্তাহেরও বেশি। অথচ এখনো পাকা রাস্তাটি মেরামত করা হয়নি। প্রতিদিন বাধ্য হয়ে হাঁটু পানিতে আবার কখনো কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে ওই এলাকার শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের।

জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গত শনিবার (১২ জুলাই) মধ্যরাতে হাতীবান্ধা থেকে বড়খাতার বাইপাস সড়কের তালেব মোড় এলাকার পাকা সড়কটির বড় একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে হাতীবান্ধা-বড়খাতা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ব্যাহত হচ্ছে এখানকার লোকজনের স্বাভাবিক কার্যক্রম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563796596308.JPG

সরেজমিনে দেখা যায়, হাতীবান্ধা-বাড়খাতা শহরের সঙ্গে একমাাত্র পাকা রাস্তাটির ৭০ ফিট ভেঙে গেছে। সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এলাকার ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা হাঁটু পানিতে চলাচল করছে। বিকল্প না থাকায় এ পথেই যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নৌকা বা ভেলায় চলাচল করতে হচ্ছে।

সড়ক ভাঙন কবলিত এলাকার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আইরিন, তাপস রায়, অনামিকা মীম, মিথিলা সরকার বলেন, আমাদেরকে হাঁটু পানিতে যেতে হলেও অনেকেকে কোমর পানিতে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় বই-খাতা ভিজে যায়। আমরা দ্রুত এই পাকা রাস্তাটি সংস্কারে দাবি জানাই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563796612549.jpg

গড্ডিমারী দ্বি-মুখী সরকারি উচ্চ বিদ্যাালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এলজিডিকে জানানো হয়েছে। জানানোর পরও প্রকৌশল অধিদফতর থেকে এখনো রাস্তাটি সংস্কারে পদক্ষেপ নেয়নি।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভেঙে যাওয়া তালেব মোড়ের পাকা রাস্তাটি দ্রুত ঠিক করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র