Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লোহাগড়ায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

লোহাগড়ায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
নাজমুলের মরদেহ দেখতে ভিড় করেছেন স্থানীয়রা, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্টিক্ট করেসপন্ডেন্ট
র্বাতা২৪.কম
নড়াইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার গিলাতলা গ্রাম থেকে নাজমুল শেখ (৪২) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৭ জুন) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মোসলেম শেখের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি নাজমুল। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাচ্ছিলেন না স্বজনরা। সোমবার সকালে উপজেলার বসুপট্টি-গিলাতলা সড়কের পাশে তার মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহত নাজমুলের মা অতিরণ বেগম অভিযোগ করেন, পাশের বাড়ির গোলাম নবীর স্ত্রীর সঙ্গে নাজমুলের পরকীয়া ছিল, এ নিয়ে অনেক বার সালিশ-বিচার হয়েছে। তারাই নাজমুলকে হত্যা করেছেন। তিনি এ হত্যার বিচার চান।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাররম হোসেন বার্তা২৪.কমকে জানান, পরকীয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

রাস্তায় তাদের রান্না ঘর!

রাস্তায় তাদের রান্না ঘর!
রাস্তায় সংসার পেতেছেন গাইবান্ধ্যার বন্যা কবলিত মানুষ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধায় বন্যার পানি কমতে শুরু হলেও, কমছে না পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ। এখনো ঘরে ফিরতে পারে নি বানভাসি মানুষ। ফলে গৃহহারা পরিবারের গৃহিনীরা রাস্তার মধ্যে চুলা বসিয়ে রান্নার কাজ করছে।

জানা যায়, চলমান বন্যায় গাইবান্ধা জেলার পাঁচ লাখ মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ ১৮০টি আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করছে। অনেকে আশ্রয় কেন্দ্রে জায়গা না পেয়ে বিভিন্ন রাস্তাঘাট ও বাঁধের উপরে বসবাস করছে।  এসব মানুষ মাথার উপর পলিথিন ও ট্রিপল টাঙ্গিয়ে দিন পার করছেন। আবার অনেকে খোলা আকাশের নিচে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। আকাশের কাল মেঘ জমলেই তাদের মধ্যে ভীতি বিরাজ করে। কারণ একটু বৃষ্টি হলেও তাদের ভিজে যাবে বিছানাপত্র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797351450.jpg

 বন্যা কবলিত এসব মানুষের নেই কোনো বাসস্থান। খাবার ও চিকিৎসাসহ নানান কিছুর অভাবে ভুগছেন। কে, খাবার দিবে এমন সন্ধানে তারা ছুটাছুটি করছেন। এসব পরিবারের খেটে খাওয়া মানুষরা কোথাও শ্রম বিক্রি করতে পারছেন না। কারণ চারিদিকে থৈ থৈ পানি। কৃষকের ফসলের মাঠ ডুবে আছে পানির নিচে। ফলে কারো কেনো শ্রমিকের প্রয়োজন হচ্ছে না। এ জন্য দিনমজুর মানুষদের শ্রমের চাহিদা নেই। বন্যায় আশ্রিত মানুষদের মধ্যে অনেকে বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে ভিক্ষবৃত্তি শুরু করেছে। দিন শেষে যেটুকু পায়, সেই টুকু দিয়ে কোনো মতে খেয়ে বেঁচে আছেন। সবমিলে নানাবিধ আহাজারি শুরু হয়েছে।

আশ্রিত বানভাসি লুৎফর রহমান জানান, ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছি। কবে নাগাদ ঘরে ফিরতে পারব তার কোনো অন্ত নেই। টাকা পয়সার অভাবে কোনো মতে জীবন যাপন করছি।

বাচ্ছারাণী সরকার নামের এক বৃদ্ধা বলেন, এবারের বানের পানিতে ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে রয়েছে। আশ্রয় নিয়েছি শহর রক্ষা বাঁধে। সারাদিন ভিক্ষাবৃত্তি করে যা পাই, রাস্তায় চুলা বসিয়ে তা রান্নাবান্না করে খাই।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, বন্যা দুর্গত মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যা চলমান থাকবে।

হত্যা মামলায় যুবদল নেতাসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় যুবদল নেতাসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন
প্রতীকী

ফরিদপুরের নগরকান্দার কার্তিক সিকদার হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় যুবদল নেতা সিরাজ মোল্যাসহ পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পঞ্চাশ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের বিশেষ দায়রা আদালতের হাকিম মো. মতিয়ার রহমান এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিল।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—নগরকান্দার চর যশোরদী ইউনিয়ন যুবদলের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজ মোল্লা (৩৬) ও তার চার সহযোগী নয়া মোল্লা (৬০), ইমারত মোল্লা (৩২), কালাম মোল্লা (৩৮) ও সিদ্দিক মোল্লা (৩৬)।

২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের মেয়াদের শেষের দিকে চর যশোরদী ইউনিয়নের মেঘারকান্দি গ্রামের কার্তিক সিকদারের এক নাবালিকা কন্যাকে জোর করে অপহরণ ও ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেন সিরাজ মোল্লা। এরপর সিরাজ কার্তিক সিকদারের বাড়িঘর দখল করে নিজে বসবাস শুরু করেন।

পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ১ জুন রাতে সিরাজ ও তার সহযোগীরা কার্তিক সিকদারকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে ফেলে রেখে যায়। আহত কার্তিককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতেও বাধা দেওয়া হয়। পরদিন ২ জুন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান কার্তিক সিকদার।

২০০৭ সালের মার্চ মাসের ১৩ তারিখে নিহত কার্তিক সিকদারের স্ত্রী মিলনী সিকদার জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সিরাজ সিকদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র