Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঝালকাঠির সুগন্ধা তীরে হচ্ছে 'ডিসি পার্ক'

ঝালকাঠির সুগন্ধা তীরে হচ্ছে 'ডিসি পার্ক'
সুগন্ধা নদীর তীর, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঝালকাঠি


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝালকাঠি শহরের মানুষের চিত্ত বিনোদনের জন্য তেমন কোনো স্থান নেই। তাই বিভিন্ন উৎসবে গাবখান সেতুতে মানুষের ঢল নামে। ওই সেতুই ছিল ঘুরতে পছন্দ করা মানুষের একমাত্র বিনোদনের স্থান।

স্থানীয়দের চিত্তবিনোদনের কথা চিন্তা করে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা হচ্ছে ‘ডিসি পার্ক’। শহরের সুগন্ধা নদী তীরের লিচু তলা এলাকায় মনোরম পরিবেশে পার্কটি করা হচ্ছে। দ্রুত গতিতে পার্কের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে।

জানা যায়, ঝালকাঠি শহরের সুগন্ধা নদী তীরের লিচুতলা এলাকায় বিনোদনপ্রেমীদের যাতায়াত ছিল আগে থেকেই। জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক ওই স্থানটির সৌন্দর্য বর্ধন করে ডিসি পার্ক হিসেবে গড়ে তেলার সিদ্ধান্ত নেন।

গাছের ছায়ায় সারাক্ষণই শীতল থাকে স্থানটির পরিবেশ। ছায়াসুনিবির পার্কে বসে দেখা যাবে সুগন্ধা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। পড়ন্ত বিকেলে পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠবে পার্ক। রাতেও ঘুরতে আসা মানুষের সুবিধার্থে স্থাপন করা হয়েছে নানা ধরনের আলোকসজ্জা। পার্কের মধ্যে থাকবে পিকনিক স্পট। শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলনা নির্মাণের প্রস্তুতিও চলছে। এছাড়া থাকবে কফি কর্নার, একটি ওভার ব্রিজ। সীমানা প্রাচীর দিয়েও নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া হবে।

ঝালকাঠির শহরের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট শামীম আলম বাবু বলেন, ‘শহরের মধ্যে ঘুরতে যাওয়ার কোনো পরিবেশ বা স্থান নেই। মানুষ ঈদ বা অন্য কোনো বিশেষ সময় গাবখান সেতুতে ঘুরতে যায়। আমরাও অনেকবার গিয়েছি। এখন শহরের মধ্যেই নদীতীরে একটি পার্ক হচ্ছে। এখানে মানুষের ভীর বেশি থাকবে। কারণ পরিবেশটা অত্যন্ত ভাল ও মনোরম।’

টিআইবির সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহ-সভাপতি সাংবাদিক হেমায়েত উদ্দিন হিমু বলেন, ‘পার্কটি গড়ে উঠলে মানুষের চিত্তবিনোদনের একটি নির্দিষ্ট স্থান হবে। নদীর তীরে বসে 'সমুদ্র বিচে ঘোরার মতো' তৃপ্তি পাওয়া যাবে। সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত দেখাও যাবে। জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এ কর্মের জন্য জেলাবাসী তাকে দীর্ঘদিন মনে রাখবে।’

ঝালকাঠি সরকারি হরচন্দ্র বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তৌহিদ হোসেন খান বলেন, ‘আমাদের শহরের মধ্যে একটি সুন্দর পার্ক হচ্ছে, এটা আনন্দের খবর। সুগন্ধা নদীর সৌন্দর্যও দেখা যাবে পার্কে বসে। একই সঙ্গে নদী দেখা হলো, আবার মনোরম পরিবেশে সময় কাটানোও গেলো। তবে পার্কের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। তাহলে শিশু, কিশোর ও বয়স্করাও সেখানে গিয়ে বসতে পারবে।’

ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সভাপতি, শিশু সংগঠক কাজী খলিলুর রহমান বলেন, ‘পার্কটির সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শেষ হলেও এটি জেলার আকর্ষণীয় স্থান হবে। এখানে মানুষ চিত্তবিনোদনের জন্য ছুটে আসবে। জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক একজন ভালো মানুষ বিধায়, সব ভালো কাজগুলো হচ্ছে। ডিসি পার্ক এবং কালেক্টরেট স্কুলটি করে জেলাবাসীকে ধন্য করেছেন।’

এ ব্যাপারে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক বলেন, ‘ঝালকাঠিতে কালেক্টরেট স্কুল ছিল না। আমরা সুগন্ধা নদী তীরে স্কুল করেছি। তার পেছনে ছায়াসুনিবির পরিবেশে আমরা ডিসি পার্ক করছি। পার্কের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে। কাজ সম্পন্ন হলে ডিসি পার্কটি একটি আকর্ষণীয় স্থান হবে। মানুষ নিরাপদে ঘুরতে পারবেন।’

 

আপনার মতামত লিখুন :

কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া: রাতেও চলছে স্পিড বোট

কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া: রাতেও চলছে স্পিড বোট
রাতের অন্ধকারে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া ঘাটে চলছে স্পিড বোট/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে রাতের অন্ধকারেও কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটের পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে চালানো হচ্ছে স্পিড বোট। ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব বোট চালকদের নেই কোনো প্রশিক্ষণ, নেই কোনো লাইসেন্স।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমতি ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এ নৌযান চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নৌরুটে প্রায়ই স্পিড বোটের সাথে স্পিড বোট ও স্পিড বোটের সাথে অন্যান্য নৌযানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ কাঠালবাড়ি-শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে যাতায়াত করে। নদী পার হওয়ার জন্য ফেরি ও লঞ্চের পাশাপাশি দেড় শতাধিক স্পিড বোট চলাচল করে। পাঁচ কিলোমিটারের পথ দ্রুত পার হওয়ার জন্য যাত্রীরা স্পিড বোট ব্যবহার করেন।

প্রতিদিন ভোর ৬টা হতে রাত ৯/১০টা পর্যন্ত পদ্মা নদীতে বোটগুলো চলাচল করে। দিনে যাত্রীদের কাছ থেকে ১৩০ টাকার ভাড়া নেওয়া হয় ১৫০ টাকা। রাতে ২০০ টাকা ৩০০ টাকা ভাড়া আদায় করা হয় বলে জানা গেছে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, স্পিড বোটে যাত্রী পার করা হচ্ছে। প্রতিটি বোট সিরিয়াল করে রাখা হয়েছে। একটির পর একটি ছাড়া হচ্ছে। প্রতিজন যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া বাবদ দুইশত টাকা আদায় করা হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566690803164.jpg

শিমুলিয়া ঘাট থেকে স্পিড বোটে আসা যাত্রী রাহাত খান বলেন, ‘দ্রুত খুলনা যেতে হবে, তাই ঝুঁকি নিয়ে স্পিড বোটে এলাম। ভাড়া দুইশত টাকা রাখছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বোট চালক জানান, স্পিড বোট চলাচলের জন্য প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেই। যারা বোটগুলো চালায় তাদের এ বিষয়ে কোনো প্রশিক্ষণও নেই। রাতে নদীতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে স্পিড বোট চলাচলের কারণে অনেক দুর্ঘটনাও ঘটে।

বিআইডব্লিউটিএ'র কাঁঠালবাড়ি ঘাট সূত্রে জানা যায়, নদীতে ইঞ্জিনচালিত যেকোনো নৌযান চালাতে হলে সমুদ্র পরিবহন অধিদফতর থেকে রেজিস্ট্রেশন ও চালকদের লাইসেন্স নিতে হয়। বিআইডব্লিউটিএ শুধু নৌপথ ব্যবহারের অনুমতি দেয়। কিন্তু এ নৌপথে স্পিড বোট চলচলাচলের কোনো অনুমতি নেই।

এ বিষয়ে শিবচর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি এখানে নতুন এসেছি। পদ্মায় অবৈধভাবে স্পিড বোট চলাচল করছে ব্যাপারটা আমি জানতাম না। খুব শীঘ্রই এটি বন্ধ করব।’

রোহিঙ্গা সংকটের ২ বছর আজ

রোহিঙ্গা সংকটের ২ বছর আজ
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গারা/ ফাইল ছবি

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। ঐদিন মিয়ানমারের সেনা চৌকিতে হামলার অভিযোগে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়। এরপর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আকাশে উড়ছে আগুনের কালো ধোঁয়া। সেই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের উখিয়া-টেকনাফের সীমান্ত দিয়ে।

তারপরই হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশের প্রবেশের আকুতি জানায়। সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে বাংলাদেশ সরকার। কিছুক্ষণ পরই ঘোষণা আসল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার। সেই নির্দেশ সীমান্ত এলাকায় পৌঁছার সাথে সাথে রোহিঙ্গারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে উখিয়া-টেকনাফে ঢুকতে থাকে। নৌ পথে বাংলাদেশে আসতে গিয়ে ট্রলারডুবিতে মারা যায় প্রায় তিন শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু।

কেউ এসেছে গুলিবিদ্ধ, কেউ এসেছে ধর্ষিত হয়ে। নির্মম নির্যাতনের শিকার অনেক রোহিঙ্গাকে দেখে হতবাক হয়েছে স্থানীয়রা। তাই নিজেদের ভাত খাইয়েছেন রোহিঙ্গা মুসলিমদের। এমন কি, নিজেদের থাকার ঘরেও ভাগাভাগি করে থেকেছেন স্থানীয়রা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশ্বের বড় বড় এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসে রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন ক্যাম্প তৈরি করে। উখিয়া-টেকনাফের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার একর ভূমিতে ৩২টি ক্যাম্পে ভাগ হয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার বসবাস।

রোববার (২৫ আগস্ট) রোহিঙ্গা সংকটের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। দুই বছর ধরে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। চাপের মুখে এক পর্যায়ে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মতি দেয়। পর পর দুই বার প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা করে।

তবে এ আলোচনা কোনো ধরনের আলোর মুখ দেখেনি। দুই বার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সব প্রস্তুতি নিয়েও তা শুরু করা যায়নি। তার পেছনে কিছু এনজিও সংস্থার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনবিরোধী প্রচারণাকে দায়ী করছে স্থানীয়রা।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে কী পেয়েছে বাংলাদেশ? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেই উঠে আসে ভয়াবহ এক চিত্র। যার মধ্যে রয়েছে, নিজেদের জমির উপর যাদের আশ্রয় দিয়েছেন সেসব রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশিদের অপহরণ ও হত্যা করছে। পাশাপাশি বেপরোয়া আচরণে এখন আতঙ্কিত উখিয়া-টেকনাফবাসী।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উখিয়া ও টেকনাফের সবুজ পাহাড়ে রোহিঙ্গাদের বসবাসের ঘর তৈরির জন্য কেটে ফেলা হয়েছে পাহাড়ি ছোট-বড় অসংখ্য গাছপালা। একসময়ের সবুজ পাহাড় এখন বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566674618093.jpg

ফলে সেখানে পরিবেশ, বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়েছে। পাহাড়ে রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপন করতে গিয়ে হাতির আবাসস্থল ও বিচরণক্ষেত্রও বিনষ্ট হয়েছে। এছাড়া প্রতি মাসে রোহিঙ্গাদের রান্নাবান্নার কাজে ছয় হাজার ৮০০ টন জ্বালানি কাঠ প্রয়োজন। রোহিঙ্গারা স্থানীয় পাহাড়ি বনাঞ্চল থেকেই এই কাঠ সংগ্রহ করে।

গত জুলাই মাসে কক্সবাজারের দক্ষিণ বন বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, বালুখালী ঢালা, ময়নারঘোনা, থাইংখালী তাজনিমার খোলা, হাকিমপাড়া, জামতলি বাঘঘোনা, শফিউল্লাহ কাটা ও টেকনাফের চাকমারকুল, উনচিপ্রাং, লেদা, মৌচনী, জাদিমুরা ও কেরানতলী এলাকাসহ বন বিভাগের গেজেটভুক্ত প্রায় ছয় হাজার ১৬০ একর বনভূমিতে বসতি স্থাপন করেছে।

বনভূমিতে রোহিঙ্গাদের এভাবে বসতি স্থাপনের কারণে টাকার হিসাবে সৃজিত ও প্রাকৃতিক বনের ক্ষতি হয়েছে ৪৫৬ কোটি আট লাখ টাকা। একইভাবে জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার ৪০৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে বনজ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির পরিমাণ অন্তত এক হাজার ৮৬৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘প্রত্যাবাসন শুরুর লক্ষ্যে দ্বিতীয় বারের মতো রোহিঙ্গাদের বুঝানো হয়েছে। কিন্তু তারা রাজি না হওয়ায় সে প্রক্রিয়া চালু করতে আরও কিছু সময় লাগছে।’

প্রসঙ্গত, ১৯৮০’র দশকে নাগরিকত্ব আইনে মিয়ানমারের জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের অধিকার কেড়ে নেয়। গত বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে ধাপে ধাপে সামরিক প্রচারণা চালিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের রোহিঙ্গাবিদ্বেষী করে তোলা হয়। এরপর ৯ অক্টোবর রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা ও স্থানীয় মগদের নির্যাতন শুরু হয়। ঐদিন থেকে কয়েক দফায় বাংলাদেশে এসেছিল রোহিঙ্গারা।

এর আগেও ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে যারা বাংলাদেশে আসে, তাদের কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়ায় দুইটি ক্যাম্পে রাখা হয়। সেখানে তারা এ পর্যন্ত ছিল।

কিন্তু ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট আবারও নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে আসতে হয় রোহিঙ্গাদের। কিন্তু এবার প্রায় সাত লাখের বেশি। নতুন পুরাতন মিলিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংখ্যা এখন প্রায় ১১ লাখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র