Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঝালকাঠির সুগন্ধা তীরে হচ্ছে 'ডিসি পার্ক'

ঝালকাঠির সুগন্ধা তীরে হচ্ছে 'ডিসি পার্ক'
সুগন্ধা নদীর তীর, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঝালকাঠি


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝালকাঠি শহরের মানুষের চিত্ত বিনোদনের জন্য তেমন কোনো স্থান নেই। তাই বিভিন্ন উৎসবে গাবখান সেতুতে মানুষের ঢল নামে। ওই সেতুই ছিল ঘুরতে পছন্দ করা মানুষের একমাত্র বিনোদনের স্থান।

স্থানীয়দের চিত্তবিনোদনের কথা চিন্তা করে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা হচ্ছে ‘ডিসি পার্ক’। শহরের সুগন্ধা নদী তীরের লিচু তলা এলাকায় মনোরম পরিবেশে পার্কটি করা হচ্ছে। দ্রুত গতিতে পার্কের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে।

জানা যায়, ঝালকাঠি শহরের সুগন্ধা নদী তীরের লিচুতলা এলাকায় বিনোদনপ্রেমীদের যাতায়াত ছিল আগে থেকেই। জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক ওই স্থানটির সৌন্দর্য বর্ধন করে ডিসি পার্ক হিসেবে গড়ে তেলার সিদ্ধান্ত নেন।

গাছের ছায়ায় সারাক্ষণই শীতল থাকে স্থানটির পরিবেশ। ছায়াসুনিবির পার্কে বসে দেখা যাবে সুগন্ধা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। পড়ন্ত বিকেলে পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠবে পার্ক। রাতেও ঘুরতে আসা মানুষের সুবিধার্থে স্থাপন করা হয়েছে নানা ধরনের আলোকসজ্জা। পার্কের মধ্যে থাকবে পিকনিক স্পট। শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলনা নির্মাণের প্রস্তুতিও চলছে। এছাড়া থাকবে কফি কর্নার, একটি ওভার ব্রিজ। সীমানা প্রাচীর দিয়েও নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া হবে।

ঝালকাঠির শহরের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট শামীম আলম বাবু বলেন, ‘শহরের মধ্যে ঘুরতে যাওয়ার কোনো পরিবেশ বা স্থান নেই। মানুষ ঈদ বা অন্য কোনো বিশেষ সময় গাবখান সেতুতে ঘুরতে যায়। আমরাও অনেকবার গিয়েছি। এখন শহরের মধ্যেই নদীতীরে একটি পার্ক হচ্ছে। এখানে মানুষের ভীর বেশি থাকবে। কারণ পরিবেশটা অত্যন্ত ভাল ও মনোরম।’

টিআইবির সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহ-সভাপতি সাংবাদিক হেমায়েত উদ্দিন হিমু বলেন, ‘পার্কটি গড়ে উঠলে মানুষের চিত্তবিনোদনের একটি নির্দিষ্ট স্থান হবে। নদীর তীরে বসে 'সমুদ্র বিচে ঘোরার মতো' তৃপ্তি পাওয়া যাবে। সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত দেখাও যাবে। জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এ কর্মের জন্য জেলাবাসী তাকে দীর্ঘদিন মনে রাখবে।’

ঝালকাঠি সরকারি হরচন্দ্র বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তৌহিদ হোসেন খান বলেন, ‘আমাদের শহরের মধ্যে একটি সুন্দর পার্ক হচ্ছে, এটা আনন্দের খবর। সুগন্ধা নদীর সৌন্দর্যও দেখা যাবে পার্কে বসে। একই সঙ্গে নদী দেখা হলো, আবার মনোরম পরিবেশে সময় কাটানোও গেলো। তবে পার্কের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। তাহলে শিশু, কিশোর ও বয়স্করাও সেখানে গিয়ে বসতে পারবে।’

ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সভাপতি, শিশু সংগঠক কাজী খলিলুর রহমান বলেন, ‘পার্কটির সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শেষ হলেও এটি জেলার আকর্ষণীয় স্থান হবে। এখানে মানুষ চিত্তবিনোদনের জন্য ছুটে আসবে। জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক একজন ভালো মানুষ বিধায়, সব ভালো কাজগুলো হচ্ছে। ডিসি পার্ক এবং কালেক্টরেট স্কুলটি করে জেলাবাসীকে ধন্য করেছেন।’

এ ব্যাপারে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক বলেন, ‘ঝালকাঠিতে কালেক্টরেট স্কুল ছিল না। আমরা সুগন্ধা নদী তীরে স্কুল করেছি। তার পেছনে ছায়াসুনিবির পরিবেশে আমরা ডিসি পার্ক করছি। পার্কের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে। কাজ সম্পন্ন হলে ডিসি পার্কটি একটি আকর্ষণীয় স্থান হবে। মানুষ নিরাপদে ঘুরতে পারবেন।’

 

আপনার মতামত লিখুন :

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জুবেদা আক্তার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে কেন্দুয়া পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জুবেদা আক্তার কমলপুর গ্রামের মৃত সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে জুবেদা আক্তার তার বাবার বাড়ি কেন্দুয়া পৌর শহরের বাদে আঠারবাড়ি গ্রাম থেকে অটোরিকশায় স্বামীর বাড়ি কমলপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। কমলপুর এলাকায় গিয়ে অটোরিকশা থেকে নামলে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মারাত্মক আহত তিনি। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক ডা. পিয়াস পাল তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী
বাঁশঝাড়ের নিচে মাচা তৈরি করে আশ্রয় নিয়েছে চিলমারীর এই পরিবারটি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রাম থেকেঃ ব্রহ্মপুত্রের পানিতে প্লাবিত হয়েছে চিলমারী উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন। উলিপুর-চিলমারী সড়কপথের বেশকিছু জায়গায় রাস্তার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। ইতোমধ্যে চিলমারী থানায় কোমড় সমান পানি জমেছে।

চিলমারী খাদ্য গুদামে হাঁটু পানি, উপজেলা পরিষদ সহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পানির নিচে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাব-স্টেশনে পানি প্রবেশ করেছে। ফলে উপজেলার পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529336611.gif

বন্যার পানিতে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেলপথের উলিপুর অংশের কয়েক জায়গা প্লাবিত হয়েছে। আরও কয়েক জায়গায় পানি রেলপথ ছুঁই ছুঁই করছে। এ অবস্থায় ঐ রেলপথে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও বন্যাদুর্গত লোকজন রেললাইনের ওপর আশ্রয় নেওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529351678.gif

চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান বীরবিক্রম শওকত আলী সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, '৩০ বছর পর এমন বন্যা দেখলাম। এর আগে ১৯৮৮ তে বন্যা দেখেছি। খুবই ভয়াবহ অবস্থা। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। তবে পানিবন্দি মানুষের তুলনায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও শুকনো খাবার এখন পৌঁছানো ও বিতরণ করা হয়নি।'

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৪৫০টি তাবু ও ১৩ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। জেলার ১৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যাপ্লাবিত এলাকায় ৮৫টি মেডিকেল টিম স্বাস্থসেবা প্রদান করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র