Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বেনাপোলে ৪১ স্বর্ণের বারসহ আটক ৪

বেনাপোলে ৪১ স্বর্ণের বারসহ আটক ৪
স্বর্ণসহ আটক চার পাচারকারী, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বেনাপোল
যশোর


  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে পাচারের সময় ৪১টি স্বর্ণের বারসহ চার পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। উদ্ধার করা বারগুলোর ওজন চার কেজি ৭৮০ গ্রাম।

রোববার (১৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে বেনাপোল সীমান্তের আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্ট এলাকায় দুই বাসে তল্লাশি চালিয়ে এসব বারসহ চারজনকে আটক করে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। পরে দুপুর আড়াইটায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়।

আটক পাচারকারীরা হলেন-মাদারীপুরের টেকেরহাট এলাকার সরোয়ার কাজীর ছেলে আনিসুর রহমান, খুলনার ফুলবাড়ী এলাকার শাহাজাত মোল্লার ছেলে রিয়াজ মোল্লা, নড়াইলের টোনাগ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে সবুজ মৃধা ও ফরিদপুরের বড়পাল্লা গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে তানভির জামান।

বিজিবি জানায়, বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে স্বর্ণের একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করে বিজিবি। একপর্যায়ে আমড়াখালী চেকপোস্টে ঢাকা থেকে বেনাপোলগামী ঈগল ও দেশ ট্রাভেল পরিবহনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দুই বাসের চার যাত্রীর কাছে ৪১টি স্বর্ণের বার পাওয়ায় তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণের দাম প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সেলিম রেজা বার্তা২৪.কমকে জানান, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানান যে তারা ঢাকা থেকে স্বর্ণ নিয়ে ভারতে যাচ্ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে স্বর্ণ পাচার আইনে মামলা দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

নারায়ণগঞ্জে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনি, যুবকের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনি, যুবকের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছেলে ধরা সন্দেহে অজ্ঞাত (২৫) এক যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয়রা৷ গুরুতর অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন৷

শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ৮ টায় সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজির আলামিন নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷

স্থানীয়দের সূত্রে, সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজির আলামিন নগর এলাকার রাজমিস্ত্রী সোহেলের সাত বছরের মেয়ে সাদিয়াকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সন্দেহে ওই যুবককে আটক করেন স্থানীয়রা৷ পরে উত্তেজিত জনতা ওই যুবককে গণপিটুনি দেয়৷

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাখাওয়াত হোসেন জানান, ছেলে ধরা সন্দেহে অজ্ঞাত এক যুবককে গণপিটুনি দেয় সাধারণ জনগণ ৷ খবর পেয়ে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন৷

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা যে বাচ্চা মেয়েটিকে ধরেছে বলেছিল পরে তার অভিভাবক জানায়, তার মেয়ে স্কুলে ক্লাস করছে ৷ মেয়েটি স্থানীয় আইডিয়াল কিন্ডারগার্ডেনের ছাত্রী ৷ প্রাথমিকভাবে ছেলে ধরার ব্যাপারে কোন সত্যতা মেলেনি৷ নিহত যুবক গুজবের শিকার বলে ধারণা হচ্ছে ৷

এ ঘটনার দুই ঘণ্টা পর সকাল সোয়া দশটায় মিজমিজির শাপলা চত্বর এলাকায় ছেলে ধরা সন্দেহে এক নারীকে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয়রা৷ পুলিশ খবর পেয়ে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০  শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়৷

ত্রাণ পাচ্ছে না দুর্গম চরের বাসিন্দারা!

ত্রাণ পাচ্ছে না দুর্গম চরের বাসিন্দারা!
কমছে যমুনা নদীর পানি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে ধীরগতিতে পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়া মানুষ আর গবাদি পশু একসঙ্গে বসবাস করছে। দুর্গম চরগুলোতে পানিবন্দী মানুষ পর্যাপ্ত ত্রাণের অভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। বিশুদ্ধ পানি এবং গোখাদ্যের সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো ত্রাণ পেলেও দুর্গম চরে আটকে পড়া লোকজন পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছে না।

সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার দুর্গম চর কাজলা ইউনিয়নের বেনুপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য পুটু মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এই গ্রামের ১৬০ পরিবার গবাদি পশু নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। শনিবার পর্যন্ত তারা কোনো প্রকার ত্রাণ সহযোগিতা পায়নি।

তিনি জানান, পানিবন্দী মানুষগুলো এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভাত খেতে পারছে না। অন্যদিকে গবাদি পশুগুলো খাবারের অভাবে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কাজলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ সরকার গত সাড়ে তিন বছরে একবারও চরে আসেননি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563606989785.jpg

তবে কাজলা ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজলা ইউনিয়নে ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছানো হয়েছে।

তিনি জানান, অনেকে বার বার ত্রাণ নেয়ার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।

বোহাইল চরের বাসিন্দা লিটন সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, তাদের এলাকার মানুষ এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে। এখনো অনেকেই ত্রাণ পায়নি।

বোহাইল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানান, ত্রাণ পৌঁছানো হচ্ছে। কিন্তু মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি এবং স্যানিটেশন নিয়ে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, প্রতিদিনই ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৫ হাজার পানিবন্দী পরিবারকে শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে।

বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যা কবলিত সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় ৩১ হাজার ৫৮৫ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিন উপজেলায় দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৩৩৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আরও ৫০০ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র