Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পাটগ্রামে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ

পাটগ্রামে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ
রাস্তায় মোমবাতি জ্বালিয়ে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবি জানায় বিক্ষোভকারীরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লালমনিরহাট


  • Font increase
  • Font Decrease

নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে মোমবাতি ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ভুক্তভোগী স্থানীয় জনতা।

শনিবার (১৫ জুন) রাত ১০টার দিকে পাটগ্রাম স্থানীয় চৌরাঙ্গী মোড়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় বুড়িমারী স্থলবন্দরের অর্ধশতাধিক পণ্য বোঝাই ট্রাক আটকে যায়।

পাটগ্রাম শহরের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান-পাট বন্ধ রেখে রাস্তায় নেমে পড়েন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে পাটগ্রাম বিদ্যুৎ উপ-কেন্দ্র ঘেরাও করতে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখে গা ঢাকা দেয় সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/16/1560643105658.jpg

স্থানীয়রা বলছেন, লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার মধ্যে বেশি সময় ধরে পাটগ্রামে বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে পাটগ্রাম পৌর উপজেলাসহ বুড়িমারী স্থলবন্দরে বিদ্যুতের দুরবস্থার কারণে সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।

এদিকে বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশ চেষ্টা করে, এতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। পরে খবর পেয়ে পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল বিদ্যুতের সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ মিছিল ও অবরোধ তুলে তুলে নেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল করিম বলেন, ‘পাটগ্রামসহ বুড়িমারী স্থলবন্দরে বিদ্যুতের সমস্যা লেগেই আছে। সেখানে এখানকার স্থানীয়রা অতিষ্ঠ হয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল করে।’

আপনার মতামত লিখুন :

ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না দৌলতদিয়া ঘাটে

ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না দৌলতদিয়া ঘাটে
দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ বাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পারাপার হয়। আর যাত্রী সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে ১৫টি ফেরি ও ১৭টি লঞ্চ। আর ঘাটে রয়েছে ৬টি পল্টুন ও একটি লঞ্চ ঘাট।   

নদী পারাপারের জন্য ঘাট কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকা শর্তেও নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় ভোগান্তি পিছু ছাড়ছেনা অপেক্ষারত যাত্রী, যানবাহনের চালক ও শ্রমিকদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593312913.jpg
যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে ১৫টি ফেরি ও ১৭টি লঞ্চ

 

গত ১০ দিন থেকে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে শত শত যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক। দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ বাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অপেক্ষা করছে কয়েক হাজার যানবাহন। ট্রাক চালকদের সড়কেই নির্ঘুম রাত কাটছে দুই থেকে তিনদিন। আর টার্মিনালে কাটছে একরাত।

অন্যদিকে ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস নদী পার করছে বলে জানা যায়। তারপরও বাসগুলোকে কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে যাত্রীরা। ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত টয়লেট ও পানির ব্যবস্থা না থাকায়ও বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593399671.jpg
ঘাট পরিদর্শনে এসেছেন বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান এম মাহবুব-উল ইসলাম 

 

এদিকে ঘাটের ভোগান্তি থেকে সহসাই মুক্তি মিলবে বলে মনে করছে না সংশ্লিষ্টরা। দৌলতদিয়া পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি এখন বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর এ কারণে নদীতে দেখা দিয়েছে প্রবল স্রোত। বিআইডব্লিউটিএ বলছে বর্তমানে নদীতে ১২ কিলোমিটার বেগে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে। আর এই তীব্র স্রোতের কারণে ফেরিগুলো স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারছেনা। দ্বিগুণ সময় লাগছে নদী পার হতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593488217.jpg
বর্তমানে নদীতে ১২ কিলোমিটার বেগে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (বিআইডব্লিইটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, পদ্মা নদীর পানি দৌলতদিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতে স্রোতের বেগ অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। যার কারণে ফেরিগুলোর চলতে পারছেনা। যেগুলো চলছে সেগুলোও ধীর গতিতে। যার কারণে ঘাটে কয়েকদিন ধরে যানজট।

 বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান এম মাহবুব-উল ইসলাম ঘাট পরিদর্শনে এসে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ঘাট ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রয়েছে। নদীতে স্রোতের বেগ কমে গেলেই স্বাভাবিক হয়ে আসবে ঘাটের যান চলাচল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593579594.jpg
 দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম দৌলতদিয়া ঘাট  

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী      নিহত
রফিকুল ইসলামের মরদেহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুষ্টিয়ায় দুই দল মাদক ব্যবসায়ী ও পুলিশের ত্রিমুখী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দিনগত রাত ১টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হররা এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, পিস্তলের দুই রাউন্ড গুলি ও ৩৮০ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহত রফিকুল কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত মোহন আলীর ছেলে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে হররা এলাকায় দুই দল মাদক কারবারির মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাদক কারবারিরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রফিকুলকে দেখতে পায় পুলিশ। পরে রফিকুলকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

রফিকুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দু’টি অস্ত্র মামলা ও পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানান ওসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র