Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ মাদক ব্যবসায়ী নিহত
মানচিত্রে কক্সবাজারের টেকনাফ/ ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কক্সবাজার


  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা, চারটি এলজি ও ২১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

রোববার (১৬ জুন) ভোররাতে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঢালা এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন কক্সবাজার পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার গবি সোলতানের ছেলে দিল মোহাম্মদ (৪২), একই এলাকার মো. ইউনূছের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (২২) ও চট্টগ্রামের আমিরাবাদের মাস্টারহাট এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪২)। এ সময় জাহাঙ্গীর ও সোহেল নামে র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/16/1560632748106.jpg
উদ্ধাকৃত লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

 

র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. কমান্ডার মীর্জা শাহেদ মাহতাব বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইয়াবার চালান উদ্ধার করতে গেলে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ করে গুলি চালান মাদক ব্যবসায়ীরা। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। পরে ঘটনাস্থল থেকে এসব মাদক ও অস্ত্রসহ তিনজনের মরদেহ পাওয়া যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী      নিহত
রফিকুল ইসলামের মরদেহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুষ্টিয়ায় দুই দল মাদক ব্যবসায়ী ও পুলিশের ত্রিমুখী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দিনগত রাত ১টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হররা এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, পিস্তলের দুই রাউন্ড গুলি ও ৩৮০ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহত রফিকুল কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত মোহন আলীর ছেলে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে হররা এলাকায় দুই দল মাদক কারবারির মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাদক কারবারিরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রফিকুলকে দেখতে পায় পুলিশ। পরে রফিকুলকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

রফিকুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দু’টি অস্ত্র মামলা ও পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানান ওসি।

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি

ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি
পানিতে তলিয়ে গেছে পদ্মার পাড়ের বাড়ি-ঘর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে নদীর পানি। ফলে ফরিদপুরের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর নিম্নঞ্চালের পানিবন্দি মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। পদ্মা পাড়ের মানুষ একরকম জন্মলগ্ন থেকেই পানির সাথে যুদ্ধ করে বেচেঁ আছেন। তবে কৃষি নির্ভর হওয়ায় কোনোরকম নিজেদের রক্ষা করলেও গবাদি পশু ও বিস্তৃর্ণ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জেলার সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায়ই ১৫ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563578899227.jpg

বন্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল, ডিগ্রিরচর, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ এবং চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা, হাজিগঞ্জ, চরহরিরামপুর ও গাজিরটেক, সদরপুর উপজেলার চরনাছিরপুর, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া, ঢেউখালী ও চরমানাইর ইউনিয়নের বসতবাড়ী, কয়েক হাজার একর বিস্তৃর্ণ ফসলী জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে।

এছাড়া সদরপুর উপজেলার ৪৪টি ও ভাঙ্গা উপজেলায় ১৪টিসহ মোট ৫৮টি বসত ভিটা গত দুদিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান মোস্তাক জানান, পানিতে তার ইউনিয়নের ৩০০ একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে কৃষকরা মারত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এছাড়া আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই গরু পালন করেছে তারাও তাদের গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, পানি বেড়েই চলছে। ফলে ভাঙনও বেড়েছে। আমরা প্রবল ভাঙন কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে কাজ করছি।

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, ‘গত তিনদিনে তিন উপজেলায় ৪০ মেট্রিকটন চালের পাশাপাশি শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় আপদকালীন সময় মোকাবিলা করতে পারব।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোখসানা রহমান জানান, ফরিদপুর এখনো বন্যা দুর্গত জেলায় পরিণত হয়নি। যেসব এলাকায় পানির তীব্রতা বেশি সেসব এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র