Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের বাজেটের আনন্দ মিছিলে সংঘর্ষ, আহত ১০

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের বাজেটের আনন্দ মিছিলে সংঘর্ষ, আহত ১০
হামলায় আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে অভিনন্দন জানিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের আয়োজিত আনন্দ মিছিলে নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে রক্তাক্ত জখমসহ অন্তত ১০ নেতাকর্মীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মিছিলে জুতায় পা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু ও ফাহাদ বিন কামাল মাহির অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের বাঁধে। বাবলু চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও মাহি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি।

এদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে মাথায় ক্ষত নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু আহত অনুসারীদের নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটকে অভিনন্দন জানিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শরীফের নেতৃত্বে শহরে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকায় পৌঁছলে জুতা পা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগ নেতা কাজী বাবলু ও মাহির অনুসারীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের বাজেটের আনন্দ মিছিলে সংঘর্ষ, আহত ১০

এতে কাজী বাবুল, সোহেল, রিয়াদ হোসেন, সাগর ও রিপনসহ ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। কয়েকজন নেতাকর্মী রক্তাক্ত জখমও হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মিছিলে জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাসেল মাহমুদ মান্না ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ইবনে জিসাদ আল নাহিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু ও ফাহাদ বিন কামাল মাহি বলেন, 'বড় মিছিল হওয়ায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে ঘটনাটি মীমাংসা করা হয়েছে। এতে সংঘর্ষ কিংবা বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।' মাথায় কোন ক্ষত হয়নি বলেও জানিয়েছেন কাজী বাবলু।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন শরীফ বলেন, 'মিছিল শেষে সমাপনী বক্তব্য পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরে কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে কিনা তা আমি জানি না।'

লক্ষ্মীপুর শহর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মুসা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিক নিহত

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিক নিহত
ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিক নিহত

ফরিদপুর সদর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ধুলদী এলাকায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে উল্টে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুলাই) ভোর ৬ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

এই ঘটনায় ট্রাকে থাকা আরো পাঁচ শ্রমিক আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নুরুল আলম জানান, ভোরের দিকে ঢাকা থেকে পিরোজপুরগামী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও পাইলিং এর মালামালসহ একটি ট্রাক ওই স্থানে উল্টে গেলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

তিনি জানান, ট্রাক উল্টে যাওয়ায় শ্রমিকরা ট্রাকের মালামালের নিচে চাপা পড়েছিল, পরে ট্রাক সরিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

করিমপুর হাইওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ জয়নুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাক ড্রাইভার ঘুমিয়ে পড়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মরদেহ কানাইপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে।

ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না দৌলতদিয়া ঘাটে

ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না দৌলতদিয়া ঘাটে
দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ বাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পারাপার হয়। আর যাত্রী সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে ১৫টি ফেরি ও ১৭টি লঞ্চ। আর ঘাটে রয়েছে ৬টি পল্টুন ও একটি লঞ্চ ঘাট।   

নদী পারাপারের জন্য ঘাট কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকা শর্তেও নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় ভোগান্তি পিছু ছাড়ছেনা অপেক্ষারত যাত্রী, যানবাহনের চালক ও শ্রমিকদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593312913.jpg
যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে ১৫টি ফেরি ও ১৭টি লঞ্চ

 

গত ১০ দিন থেকে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে শত শত যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক। দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ বাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অপেক্ষা করছে কয়েক হাজার যানবাহন। ট্রাক চালকদের সড়কেই নির্ঘুম রাত কাটছে দুই থেকে তিনদিন। আর টার্মিনালে কাটছে একরাত।

অন্যদিকে ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস নদী পার করছে বলে জানা যায়। তারপরও বাসগুলোকে কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে যাত্রীরা। ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত টয়লেট ও পানির ব্যবস্থা না থাকায়ও বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593399671.jpg
ঘাট পরিদর্শনে এসেছেন বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান এম মাহবুব-উল ইসলাম 

 

এদিকে ঘাটের ভোগান্তি থেকে সহসাই মুক্তি মিলবে বলে মনে করছে না সংশ্লিষ্টরা। দৌলতদিয়া পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি এখন বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর এ কারণে নদীতে দেখা দিয়েছে প্রবল স্রোত। বিআইডব্লিউটিএ বলছে বর্তমানে নদীতে ১২ কিলোমিটার বেগে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে। আর এই তীব্র স্রোতের কারণে ফেরিগুলো স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারছেনা। দ্বিগুণ সময় লাগছে নদী পার হতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593488217.jpg
বর্তমানে নদীতে ১২ কিলোমিটার বেগে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (বিআইডব্লিইটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, পদ্মা নদীর পানি দৌলতদিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতে স্রোতের বেগ অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। যার কারণে ফেরিগুলোর চলতে পারছেনা। যেগুলো চলছে সেগুলোও ধীর গতিতে। যার কারণে ঘাটে কয়েকদিন ধরে যানজট।

 বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান এম মাহবুব-উল ইসলাম ঘাট পরিদর্শনে এসে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ঘাট ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রয়েছে। নদীতে স্রোতের বেগ কমে গেলেই স্বাভাবিক হয়ে আসবে ঘাটের যান চলাচল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563593579594.jpg
 দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম দৌলতদিয়া ঘাট  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র