Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বেনাপোলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার উপর বোমা হামলা

বেনাপোলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার উপর বোমা হামলা
ছাত্রলীগ নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ম্যাগজিন, গুলি ও ফেনসিডিল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বেনাপোল (যশোর)


  • Font increase
  • Font Decrease

বেনাপোলে পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুলফিকাকার আলী মন্টুর উপর বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ম্যাগজিন, গুলি ও ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুলফিকাকার আলী মন্টু বার্তা২৪.কমকে বলেন, বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাত ১২টার দিকে তিনি ও তার বন্ধু সুমন ইসলাম বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির সামনে তিনজনকে মুখে কালো কাপড় বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মোটরসাইকেল থামান তারা। এসময় তাকে লক্ষ্য করে কালো কাপড় বাঁধা লোকগুলো বোমা ছুড়ে। বাড়ির ওপরও দুইটি বোমা ছুড়ে তারা পালিয়ে যায়, তবে সেগুলো বিস্ফোরিত হয়। দ্রুত তারা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের চেনা যায়নি।

এদিকে বোমা হামলায় মন্টু মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গেলেও অক্ষত আছেন তিনি। তবে তার বন্ধু কিছুটা আহত হয়েছেন। এ নিয়ে মন্টুকে পাঁচবারের মতো হত্যার চেষ্টা করা হলো।

এদিকে ঘটনার পর পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। তার বাড়ি থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জম, ১২টি ম্যাগজিন, পিস্তলের তিন রাউন্ড গুলি, আটটি দেশীয় অস্ত্র, হাতুড়ি ও ৩৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।

বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বার্তা২৪.কমকে জানান, খবর পেয়ে তারা মোটরসাইকেলে থাকা আহত সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বোমা লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় মন্টু বেঁচে গেছেন। মন্টুর বাড়ি থেকে অবিস্ফোরিত দুইটি বোমা জব্দ করা হয়েছে।

তবে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেন বার্তা২৪.কমকে জানান, রাজনৈতিক চাপে তিনি গত ছয় মাস ধরে এলাকা ছাড়া। ওই বাড়িতেও কেউ থাকেন না তিনি। হয়রানি করতেই প্রতিপক্ষের সাজানো এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুলফিকাকার আলী মন্টু স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিনের অনুসারী। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেন বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটনের অনুসারী। রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে এই দুই নেতার মধ্যে গত পাঁচ বছর ধরে শত্রুতার সর্ম্পক। প্রায়ই তাদের অনুসারীদের মধ্যে হামলা-মামলার ঘটনা ঘটে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হত্যা, ধর্ষণ, মাদকসহ দুর্নীতির একের পর এক সংবাদে দেশবাসী যখন উৎকণ্ঠিত তখন বিকাশের ভুল নম্বর থেকে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের শিরফল মিয়া (৪০)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মালিকের হাতে টাকাগুলো তুলে দেন শিরফল মিয়া। শিরফল মিয়া উপজেলা সদরের বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া গ্রামের ফকির চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি।

জানা যায়, গত ১১ জুলাই রাতে শিরফল মিয়ার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা আসে। কিন্তু এতো টাকা কিভাবে আসল তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। ভয়ে কারও সঙ্গে বিষয়টি আলাপও করেননি। পরদিন (১২ জুলাই) তার নম্বরে পটুয়াখালি থেকে মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে টাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সাথে বানিয়াচং ঘুরে যাওয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।

মঙ্গলবার টাকা ফেরত নিতে দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে বানিয়াচং আসেন আল আমিন (২৯)। পরে বিকেলে শিরফল মিয়া তার ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেন। এসময় টাকা ফেরত পেয়ে খুশি হয়ে শিরফল মিয়াকে ২ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক শিব্বির আহমদ আরজু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শেখ সাগর আহমদ ও রেজাউল করিম।

এ টাকা ফেরত পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আল আমিন মিয়া। তিনি বলেন- ‘যখন জানতে পারি ৩০ হাজার টাকা বিকাশের ভুল নম্বরে হবিগঞ্জের বানিয়াচং গিয়েছে তখন ফেরত পাব বলে বিশ্বাস ছিলো। কারণ এখানকার মানুষ অনেক সৎ ও ভালো হিসেবে জানি। সে বিশ্বাসের প্রতিফলন আজ পেয়েছি।’

এ ব্যাপারে শিরফল মিয়া বলেন- ‘ভুল করে টাকা আসতেই পারে। তাই বলে অন্যের টাকা আত্মসাৎ করব এমন শিক্ষা পেয়ে আমি বড় হইনি।’

শিরফল মিয়া বিদেশ ফেরত এক যুবক। তিনি প্রবাস থেকে অর্থ-কড়ি খুইয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রায় ৫ বছর। পেশা হিসেবে টাইলস মিস্ত্রি। কিন্তু ৫ সদস্যের সংসারে অর্থের টানাপোড়েন লেগেই আছে। এমতাবস্থা থেকেও শিরফল মিয়া সেই টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ করেননি। এতে তিনি টাকা ফেরত দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় জাহাঙ্গীর মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর রিকশা চালক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের কাছে রাত ৮টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রিকশা চালক আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে রিকশা চালিয়ে আউশকান্দি বাজারে আসছিল জাহাঙ্গীর। এ সময় মুনিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছা মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাক জাহাঙ্গীরের রিকশাকে চাপা দেয়। এতে রিকশাটি দুমড়ে মুছড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

মহাসড়কের প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহ হাইওয়ে থানায় রয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র