Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

চাঁদপুরে মেঘনায় গোসল করতে নেমে কলেজছাত্র নিখোঁজ

চাঁদপুরে মেঘনায় গোসল করতে নেমে কলেজছাত্র নিখোঁজ
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে রাশিদুল ইসলাম (১৮) নামে এক কলেজ নিখোঁজ হয়েছেন।

নিখোঁজ রাশিদুল কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বুধবার (১২ জুন) এ ঘটনা ঘটে।

চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমেদ জানান, রাশিদুলসহ আটজন দুপুরে নদীতে গোসল করতে নামেন। এসময় হঠাৎ রাশিদুল নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে চাঁদপুর নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অনেক চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে পায়নি।

চাঁদপুর নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের জানান, অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় সন্ধ্যার পর উদ্ধার কাজ স্থগিত করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কানিজ ফাতিমা।

এদিকে, এ দুর্ঘটনার পর জেলা প্রশাসন কিছু নিদের্শনা দিয়েছে। এর মধ্যে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে বালুচরে চলাচলকারী সব নৌযানে ১৫টি করে লাইফ জ্যাকেট ও পাঁচটি করে বয়া রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া লাইফ জ্যাকেট বা বয়া ছাড়া পানিতে সাঁতার কাটতে না নামতে পর্যটকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টার পর আর কোনো ট্রলার বালুচরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে না, বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে সবাইকে বালুচর ত্যাগ করতে হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রশাসনের কাছ থেকে ২০০টি লাইফ জ্যাকেট ও ১০০টি বয়া ট্রলার ও পর্যটনের জন্য বিতরণ করা হবে। এছাড়া পর্যটকদের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যানার ও সাইনবোর্ড শিগগিরই টানানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

টাঙ্গাই‌লে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাই‌লে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাই‌ল

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে অর্ধগলিত অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৮ আগস্ট)  সকালে উপজেলার নলসন্ধ্যার জিয়া খাল থে‌কে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাগরপুর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা মন্ডল জানান, সকালে জেলেরা মাছ ধরার জন্য ওই খালে জাল ফেলতে গেলে নদীতে মরদেহ ভাসতে দে‌খে স্থানীয়‌দের খবর দেয়। প‌রে পুলিশ ঘটনাস্থলে গি‌য়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প‌রে নিহ‌তের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা ৮-১০ দিন আগে লোকটিকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়।

হাজীগঞ্জ মৎস্য অধিদফতরে অনিয়ম: ৩ দিনের প্রশিক্ষণ একদিনেই শেষ

হাজীগঞ্জ মৎস্য অধিদফতরে অনিয়ম: ৩ দিনের প্রশিক্ষণ একদিনেই শেষ
প্রশিক্ষণ নিতে আসা জেলেরা, ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় মৎস্য অধিদফতরে চলছে চরম অনিয়ম। তিন দিনের ট্রেনিং প্রোগ্রাম এক দিনেই ফটোসেশনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। সেই সঙ্গে অংশ নেওয়া জেলেদের জন্য সরকার নির্ধারিত ভাতার অর্ধেক টাকা কেটে রাখারও অভিযোগ উঠেছে। জেলেদের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা মিলল ৬০ ভাগ জেলেই প্রকৃত জেলে নয়। তালিকায় পাওয়া জেলেদের অনেকেই অন্য পেশার সঙ্গে জড়িত। প্রকৃত অর্থে তারা কেউই জেলে নন। তবে প্রকৃত জেলেদের সঙ্গে ভুয়া জেলেরা মিলেমিশে মৎস্য অধিদফতর থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে হাজীগঞ্জ মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলায় ১ হাজার ৮২৫ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। তাদেরকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। তবে এবারের প্রশিক্ষণে তাদেরকে সরকারের বরাদ্দকৃত তিনদিনের প্রশিক্ষণ মাত্র একদিনেই দেওয়া হয়েছে। আবার তিনদিনের ভাতার অর্ধেক টাকা কেটে রেখেছেন মৎস্য কর্মকর্তা।

কার্যালয়ে থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, হাজীগঞ্জ উপজেলার ১২ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে তৈরি করা তালিকায় এ পর্যন্ত ৬৬০ জনকে সেলাই মেশিন, ৪৭০ জনকে বেড় জাল, ১০০ জনকে ছাগল পালনের জন্য ২০০টি ছাগল দেয়া হয়েছে। মোট ১ হাজার ২৩০ জনকে এমন সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে ৬০ জনের প্রশিক্ষণ চলছে। চলমান প্রশিক্ষণ ৩ দিন হওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ১দিন প্রশিক্ষণ শেষে ভাতা প্রদান করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566120771089.jpg

কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, ‘প্রশিক্ষণে তেমন কিছু শেখানো হচ্ছে না। কয়েকটি ছবি তুলে শুধু ফটোসেশনেই শেষ হয়ে যায় প্রশিক্ষণ। আমরা জেনেছি তিনদিনের প্রশিক্ষণ। প্রতিদিনের ৩০০ টাকা হিসেবে মোট ৯০০ টাকা দেয়ার কথা। অথচ একদিন প্রশিক্ষণ দিয়ে তিনদিনের রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর নিয়ে ৯০০ টাকার স্থলে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৪৫০ টাকা। বাকি ৪৫০ টাকা কেটে রাখা হয়েছে।'

প্রশিক্ষণ নিতে আসা দীপক হালদার বলেন, 'তিনি আড়তের পার্টনার। তিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। রঞ্জন দাস জানান, তিনি সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক। সেও জেলে হিসেবে কার্ড নিয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ভাতাসহ সকল সুবিধাও নেবেন। বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব মোস্তফা জানান, সময়ের অভাবে তিনদিনের প্রশিক্ষণ একদিনে শেষ করেছি।'

ভাতা সংক্রান্ত প্রসঙ্গে বলেন, অফিসিয়াল কাগজপত্রসহ অনেক খরচ আছে। তাই ৪৫০ টাকা কেটে রাখা হয়েছে। জেলেদের তালিকায় ভুয়া জেলে প্রায় ৬০ ভাগ। এমন প্রশ্নের জবাবে এই মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতেই বিভিন্ন পেশার লোকজনকে জেলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হাজীগঞ্জ উপজেলায় মোট ১ হাজার ৮২৫ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। অথচ এসব জেলেদের মধ্যে প্রায় ৭৫ ভাগ বিভিন্ন পেশার রয়েছেন। এরা অনেকেই মৎস্য ব্যবসায়ী, ভ্যান চালক, রিকশা চালক, আড়তের পার্টনার ও দিন মজুর। এখানে কিছুই করার নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র