Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে প্রাণ হারালো কিশোর

মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে প্রাণ হারালো কিশোর
নিহত কিশোর সাজু
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

মোবাইল ফোন চার্জে দিয়ে ব্যবহার করছিল সাজু মিয়া নামে এক কিশোর। ব্যবহার শেষে ফোনটি চার্জে দিয়েই বুকের উপর রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সে। এক পর্যায়ে ফোনটি অতিরিক্ত চার্জ হয়ে বিস্ফোরিত হয়, আর ঘুমের মধ্যেই দগ্ধ হয়ে মারা যায় কিশোর সাজু।

বুধবার (১২ জুন) বিকেলে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুড়ি ইউনিয়নের চকগাঁও গ্রামে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সাজু মিয়া ওই গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সাজু মিয়া মোবাইল ফোন চার্জে লাগিয়ে ব্যবহার করছিল। এক পর্যায়ে মোবাইলটি বুকের উপর রেখে সে ঘুমিয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর মোবাইলটি অতিরিক্ত চার্জ হয়ে বিস্ফোরিত হলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

বাহুবলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী এ খবর নিশ্চিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

পেটের ভেতরে ২ হাজার পিস ইয়াবা

পেটের ভেতরে ২ হাজার পিস ইয়াবা
গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

চাঁদপুর শহরের খলিশাডুলি এলাকা থেকে ৫ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান চাঁদপুর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন। চাঁদপুর জেলা ডিবি অফিস কার্যালয়ে ওই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার নাপিত খালি এলাকার বশির আহম্মদ (৪৮), মহেশখালী উপজেলার খলিফা পাড়ার মো. সৈয়দ নুর (২৮), মো. নাজির আহমেদ (২৮), মনিরুল ইসলাম এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বিল্লাল হোসেন।

ওসি নুর হোসেন মামুন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে চাঁদপুর শহরের খলিশাডুলি বনবিভাগ সড়কের পাশে অবস্থিত মৃত ডা. নুরুল হকের বাড়ির ভাড়াটিয়া মাদক কারবারি বিল্লাল হোসেনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। দেড় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি ওই আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। পরে বশির আহম্মদের পেটের ভেতর থেকে বিশেষ কায়দায় ইয়াবার ৫০টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। ওই সব প্যাকেটে ২ হাজার পিস ইয়াবা ছিল। যার মূল্য ৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কাঁঠালবাড়ি ঘাটে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রীবহন

কাঁঠালবাড়ি ঘাটে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রীবহন
লঞ্চঘাটে যাত্রীদের ভিড়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঈদের ছুটি শেষ হলেও ঘরমুখো মানুষ এখনো ঢাকায় ফিরছেন। রোববার (১৮ আগস্ট) শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।

সরেজমিনে রোববার দুপুর ২টার দিকে দেখা গেছে, কাঁঠালবাড়ি ঘাটে প্রতিটি লঞ্চেই ছিল যাত্রীদের অতিরিক্ত ভিড়। ধারণ ক্ষমতার চাইতে অধিক সংখ্যক যাত্রী নিয়ে প্রতিটি লঞ্চ কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে শিমুলিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

বিআইডব্লিউটিসি'র কাঁঠালবাড়ি লঞ্চ ঘাট সূত্রে জানা গেছে, নৌরুটে ৮৭টি লঞ্চ ও ২ শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় সবকটি লঞ্চই সকাল থেকে চলমান রয়েছে।

অতিরিক্ত যাত্রীবহন নিয়ন্ত্রণে লঞ্চ ঘাট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি দল অভিযান পরিচালনা করছেন।

বিআইডব্লিউটিএ'র কাঁঠালবাড়ি লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ‘নৌরুটে সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ রয়েছে। লঞ্চে ভিড় বেশি। তবে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী যাতে বহন না করতে পারে সে জন্য আমরা তৎপর রয়েছি।'

কাঁঠালবাড়ি ঘাটে নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হিসেবে দ্বায়িত্বরত মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা পারভীন বলেন, ‘সকাল থেকেই ঘাটে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করায় যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবেই যাতায়াত করছে। তবে কোথাও কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র