Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ওসি লোকমানের বিরুদ্ধে মামলা

লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ওসি লোকমানের বিরুদ্ধে মামলা
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি লোকমান, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের (সদর) আমলি আদালতে হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

বাদীর আইনজীবী তছলিম আলম বলেন, 'মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক মোহাম্মদ আবদুল কাদের ঘটনাটি নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।'

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইয়াকুব আলী ও লক্ষ্মীপুর পৌর হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী আবদুল আজিজ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ব্যবসায়ী আবদুল আজিজের অভিযোগের ভিত্তিতে সদর উপজেলার চরভূতা গ্রামের হারুনুর রশিদকে সদর থানায় মোবাইলফোনে কল করে ডেকে নেওয়া হয়। এ সময় আজিজের ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার জন্য এসআই ইয়াকুব হারুনকে হুমকি দেয়। ওই টাকা না দিলে হারুন ও তার ছেলেদেরকে ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলার আসামি করে হাজতে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

কিন্তু আজিজের সঙ্গে হারুনের কোনো লেনদেন নেই। এমনকি হারুন তাকে চিনেনও না বলে এজাহারে উল্লেখ করেন।

একপর্যায়ে ওসি লোকমান হোসেনের নির্দেশে তাকে (হারুন) থানা হাজতে রাখা হয়। ওই পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) এ সময় হারুনকে ছেলে শাহিন উদ্দিনের কাছে ফোন করতে বাধ্য করিয়ে এক লাখ টাকা ও ব্যাংকের চেক নিয়ে আসার জন্য বলে। পরে শাহিনের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা, জোরপূর্বক চেকে ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয় এসআই ইয়াকুব।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, 'গত ২৯ মে হারুনদের বিরুদ্ধে তিন লাখ টাকা পাওনার ঘটনায় আবদুল আজিজ (মামলার আরেক আসামি) থানায় অভিযোগ করেছিলেন। পরে উভয়পক্ষ থানায় মিলিত হয়। এখানে কারো কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় ও বাধ্য করা হয়নি।' মামলাটি উদ্দেশ্যমূলক বলেও দাবি করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলী হায়দার (৫০) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ এনে নিহতের স্বজনেরা বেসরকারি মাতৃছায়া হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

সোমবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা।

নিহত হায়দার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Lakshmipur-Clash

নিহতের স্বজনেরা জানান, উপজেলার মরকম আলী সর্দার বাড়ির সামনের দোকানে চা পান করছিলেন আলী হায়দার। এসময় হঠাৎ মাটিতে লুটে পড়েন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন রোগীকে দেখে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে চিকিৎসা দেয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চাঁদপুরের মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে রেফার করা হয়। সেখানে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা মরদেহ নিয়ে রায়পুরের মাতৃছায়া হাসপাতালে দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এসময় নিহতের ছেলে সোহেল মাহমুদের হাত গ্লাসে কাটা পড়ে রক্তক্ষরণ হয় । পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতের এক স্বজন মো. হারুন বলেন, স্ট্রোকের রোগীকে ডায়রিয়ার চিকিৎসা দেওয়ায় আলী হায়দার মারা গেছে।

Lakshmipur-Clash

এ ব্যাপারে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তুহিন চৌধুরী বলেন, ডায়রিয়ার রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়। রাতে হঠাৎ অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ১০-১৫ জন লোক এসে হাসপাতাল ভাঙচুর করে। এতে হাসপাতালে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা মামলা করবে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোতা মিয়া জানান, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু
বন্যার পানি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে তামিম (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) বিকালে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের খলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিশু তামিম খলা গ্রামে সাইকুল মিয়ার ছেলে। এ উপজেলায় এর আগেও বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

নিহত শিশুর পারিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সোমবার বিকালের দিকে ঘর সংলগ্ন জমে থাকা বন্যার পানিতে পরিবারের সদস্যের অজান্তে পড়ে যায় তামিম। পরে পরিবারের লোকজন পানি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নিয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল করিমের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র