Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিয়ে পণ্ড করে কনেকে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৩

বিয়ে পণ্ড করে কনেকে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৩
অপহরণের চেষ্টায় জড়িত আটককৃতরা। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পাবনা


  • Font increase
  • Font Decrease

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিয়ে পণ্ড করে কনেকে অপহরণের চেষ্টাকালে ৩ জনকে অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মিরকামারী মুন্নার মোড় সংলগ্ন ঘন্টু প্রামাণিকের ছেলে সান্টুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন- একই এলাকার কোলেরকান্দি বটতলা এলাকার আইয়ুব কাজীর ছেলে আশিকুর রহমান (২২), মঞ্জুর রহমানের ছেলে সোহরাব হোসেন নাসিম (২৪) ও চরমিরকামারী গ্রামের মন্টু প্রামাণিকের ছেলে শামসুল হক (২৬)।

আটককৃতদের মধ্যে আশিকুর রহমানের কাছ থেকে ৭.৬৫ মিলিমিটার (এমএম) বোরের গুলি ভর্তি একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, কনের সঙ্গে নাটোরের বাঘা উপজেলার এক ছেলের সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার বিয়ের দিন ধার্য করে তার পরিবার। কিন্তু ওই কনের সঙ্গে আশিকুর রহমানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ধার্য দিন অনুযায়ী বরপক্ষের লোকজন আসলেও বিকেলে বিয়েটি পণ্ড হয়ে যায় এবং ওই দিন রাতে আশিকুর অস্ত্রসহ কয়েকজন যুবককে নিয়ে কনেকে অপহরণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় অপহরণে বাধা দিলে যুবকদের মারধরে কনের মা, বোনসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের চিৎকারে গ্রামবাসী জড়ো হয়ে অপহরণকারীদের ধাওয়া দিয়ে ৩ জনকে আটক করে। এরপর পুলিশ এসে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। বুধবার (১২ জুন) দুপুরে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

অর্থ আত্মসাৎ: এলাকাবাসীর ধাওয়ায় পালালেন প্রকল্প পরিচালক

অর্থ আত্মসাৎ: এলাকাবাসীর ধাওয়ায় পালালেন প্রকল্প পরিচালক
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যালয়ের মাঠ মাটি দিয়ে ভরাট প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে উঠেছে প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হান্নান শেখের বিরুদ্ধে। এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধাওয়া দিলে মোটরসাইকেল ফেলে পালান তিনি। বুধবার (২৬ জুন) নড়াইল সদর উপজেলার রঘুনাথপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা সদর উপজেলার রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট কাজের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। কিন্তু প্রকল্প পরিচালক দায়সারাভাবে কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেন। মাঠটি যথাযথভাবে ভরাট করতে বার বার অনুরোধ করা হলেও তিনি শোনেননি। এমনকি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে সভায় ডাকলে তিনি হাজির হননি। এতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন।

আরও জানা গেছে, বুধবার সকালে ওই বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন আব্দুল হান্নান শেখ। তাকে দেখে এলাকাবাসী ধাওয়া করলে তিনি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এফ এম আকবর হোসেন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'শুনেছি মাঠ ভরাট কাজের প্রকল্প কমিটিতে আমাকে রাখা হয়েছে। তবে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। এ কমিটির পিআইসি আব্দুল হান্নান শেখ একাই কাজ করছেন। তিনি সামান্য কিছু মাটি দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ শেষ করতে চেয়েছেন।'

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবু বক্কার ফকির বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আব্দুল হান্নান শেখ কাউকে কিছু না বলে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের কাজ করেছেন। সামান্য মাটি দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।'

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল হান্নান শেখ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'কাজ এখনও শেষ হয়নি। এ পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। বাকি কাজ শিগগিরই শেষ করা হবে।'

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বিদ্যালয় বিমুখ শিক্ষার্থীরা!

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বিদ্যালয় বিমুখ শিক্ষার্থীরা!
কাগমারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ৪৪ নং কাগমারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ফলে ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কায় বিদ্যালয়ে আসতে চায় না শিক্ষার্থীরা।

উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮৮২ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ে একটি টিনশেড বিল্ডিং ও দুটি পাকাভবন রয়েছে। এরমধ্যে একটি ভবনে ৪টি কক্ষ, যা ২০০১ সালে নির্মিত হয়। কিন্তু ১৪ বছর পর ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ২০১৫ সালে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৬৩ শিক্ষার্থী রয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবন ছাড়াও বিদ্যালয়টিতে একটি পাকা ও একটি টিনশেড ভবন রয়েছে। পাকা ভবনের অর্ধেক অংশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ক্লাস করানো হয় এবং বাকি অংশে শিক্ষকরা অফিস হিসেবে ব্যবহার করেন। টিনশেড ভবনের দুটি কক্ষে অন্য শ্রেণির ক্লাস হয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561564748695.jpg
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কলাম থেকে বিম ফেটে গেছে, পলেস্তরা খসে খসে পড়ছে। ভবনটির উত্তর ও পশ্চিম পাশে দেবে গেছে। এছাড়া বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে বিদ্যালয় বিমুখ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলআরা আফরোজ বার্তা২৪.কমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস নিতে হচ্ছে। তবে ভবন ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছে না। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার বিষয়টি আমার জানা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র