Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, বাড়তি ভাড়া টাকা ফেরত পেলেন যাত্রীরা

রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, বাড়তি ভাড়া টাকা ফেরত পেলেন যাত্রীরা
কুড়িগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নাইটকোচের যাত্রীদের টিকিটের অতিরিক্ত ভাড়া ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুড়িগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নাইটকোচের যাত্রীদের টিকিটের অতিরিক্ত ভাড়া ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন নির্বাহী কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে জেলার সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী কলেজ সংলগ্ন ব্রীজের মধ্যে নাইটকোচগুলো থামিয়ে ভাড়ার বিষয়ে অনুসন্ধান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার সুদীপ্ত কুমার সিংহ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হাসান।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা জানান, যাত্রীদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের নির্দেশে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাঁঠালবাড়ী ব্রীজের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পুলিশের একটি টিমের সহযোগিতায় ৯টি কোচে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে যেসব যাত্রীদের কাছ থেকে টিকিটের মাধ্যমে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে, যেসব যাত্রীদের কাছে কোচের সুপারভাইজারের মাধ্যমে অতিরিক্ত গ্রহণকৃত টাকা তৎক্ষণাৎ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বাসের যাত্রী রাসেল, সুমন ও তানহা জানান, আমরা এ ঘটনায় খুবই খুশি। তবে অনেকে অভিযোগ করেন, বেশি অর্থ নিলেও অনেক বাস কর্তৃপক্ষ টিকিটে সেটা উল্লেখ করেনি। ফলে তারা বাড়তি টাকা ফেরত পাননি। তারপরও প্রশাসনের এ ধরণের পদক্ষেপে খুশি যাত্রীসহ উৎসুখ জনতা।

নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত কুমার সিংহ জানান, যারা টিকিট কিনবেন তারা প্রদেয় ভাড়া উল্লেখ করে টিকিট নেবেন। তাহলে বিড়ম্বনা হবে না। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

অর্থ আত্মসাৎ: এলাকাবাসীর ধাওয়ায় পালালেন প্রকল্প পরিচালক

অর্থ আত্মসাৎ: এলাকাবাসীর ধাওয়ায় পালালেন প্রকল্প পরিচালক
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যালয়ের মাঠ মাটি দিয়ে ভরাট প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে উঠেছে প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হান্নান শেখের বিরুদ্ধে। এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধাওয়া দিলে মোটরসাইকেল ফেলে পালান তিনি। বুধবার (২৬ জুন) নড়াইল সদর উপজেলার রঘুনাথপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা সদর উপজেলার রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট কাজের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। কিন্তু প্রকল্প পরিচালক দায়সারাভাবে কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেন। মাঠটি যথাযথভাবে ভরাট করতে বার বার অনুরোধ করা হলেও তিনি শোনেননি। এমনকি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে সভায় ডাকলে তিনি হাজির হননি। এতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন।

আরও জানা গেছে, বুধবার সকালে ওই বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন আব্দুল হান্নান শেখ। তাকে দেখে এলাকাবাসী ধাওয়া করলে তিনি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এফ এম আকবর হোসেন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'শুনেছি মাঠ ভরাট কাজের প্রকল্প কমিটিতে আমাকে রাখা হয়েছে। তবে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। এ কমিটির পিআইসি আব্দুল হান্নান শেখ একাই কাজ করছেন। তিনি সামান্য কিছু মাটি দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ শেষ করতে চেয়েছেন।'

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবু বক্কার ফকির বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আব্দুল হান্নান শেখ কাউকে কিছু না বলে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের কাজ করেছেন। সামান্য মাটি দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।'

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল হান্নান শেখ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'কাজ এখনও শেষ হয়নি। এ পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। বাকি কাজ শিগগিরই শেষ করা হবে।'

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বিদ্যালয় বিমুখ শিক্ষার্থীরা!

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বিদ্যালয় বিমুখ শিক্ষার্থীরা!
কাগমারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ৪৪ নং কাগমারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ফলে ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কায় বিদ্যালয়ে আসতে চায় না শিক্ষার্থীরা।

উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮৮২ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ে একটি টিনশেড বিল্ডিং ও দুটি পাকাভবন রয়েছে। এরমধ্যে একটি ভবনে ৪টি কক্ষ, যা ২০০১ সালে নির্মিত হয়। কিন্তু ১৪ বছর পর ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ২০১৫ সালে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৬৩ শিক্ষার্থী রয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবন ছাড়াও বিদ্যালয়টিতে একটি পাকা ও একটি টিনশেড ভবন রয়েছে। পাকা ভবনের অর্ধেক অংশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ক্লাস করানো হয় এবং বাকি অংশে শিক্ষকরা অফিস হিসেবে ব্যবহার করেন। টিনশেড ভবনের দুটি কক্ষে অন্য শ্রেণির ক্লাস হয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561564748695.jpg
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কলাম থেকে বিম ফেটে গেছে, পলেস্তরা খসে খসে পড়ছে। ভবনটির উত্তর ও পশ্চিম পাশে দেবে গেছে। এছাড়া বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে বিদ্যালয় বিমুখ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলআরা আফরোজ বার্তা২৪.কমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস নিতে হচ্ছে। তবে ভবন ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছে না। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার বিষয়টি আমার জানা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র