Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মাধবপুরে দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪০

মাধবপুরে দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪০
আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
হবিগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জের মাধবপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ১৫ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার পুরাইকলা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের দুলাই মিয়ার ছেলে পারভেজ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মিনাজ উদ্দিনের ছেলে বাবু মিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অত্যন্ত ৪০ জন আহত হন।

খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

গুরুতর আহতরা হলেন- রুকেয়া খাতুন, নজরুল ইসলাম, মানিক চাঁন, মৌসুমি আক্তার, সাঈফ মিয়া, জামান খাঁ, দুলাই মিয়া, পারভেজ মিয়া, আইয়ুব আলী, মানিক মিয়া, আব্দুর রশিদ ও রহমান মিয়া। তাদেরকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুর চক্রবর্তী জানান- বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুনরায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যার পানি না সরা পর্যন্ত প্রতি ঘরে খাদ্য দেওয়া হবে: নাসিম

বন্যার পানি না সরা পর্যন্ত প্রতি ঘরে খাদ্য দেওয়া হবে: নাসিম
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক যেকোনো দুর্যোগে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী জনগণের পাশে থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত বন্যার পানি সরে না যাবে, ততক্ষণ সরকার প্রতিটি ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় যমুনা নদীর দুর্গম চরে বানভাসি মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রাস্তার উপর বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই পিচ ঢালাই

রাস্তার উপর বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই পিচ ঢালাই
রাস্তার মাঝে রয়ে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি

নাটোর শহরের হরিশপুর বাইপাস মোড় থেকে বনবেলঘরিয়া বাইপাস মোড় পর্যন্ত রাস্তায় চারটি বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ না করেই পিচ ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এতে যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

তবে সড়ক ও জনপদ বিভাগের দাবি, খুঁটির জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়ায় তা অপসারণ করা হয়নি।

জানা গেছে, হরিশপুর বাইপাস মোড় থেকে বনবেলঘরিয়া বাইপাস মোড় পর্যন্ত প্রধান সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ৫৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। কিন্তু ৫.৮৬ কিলোমিটার সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই সম্প্রতি রাস্তার পিচ ঢালাই সম্পন্ন করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মীর হাবিবুল আলম কন্সট্রাকশন। স্থানীয়রা এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ ও ঠিকাদারের কাছে খুঁটিগুলো অপসারণের দাবি জানালেও তা শোনা হয়নি।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563889123192.jpg
আরও জানা গেছে, ২০১৭ সালের অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ওই সড়কের সম্প্রসারণ কাজ শুরু হয়। ওই সময় সড়ক বিভাগ স্থানীয়দের দখলে থাকা জমি উদ্ধার করে। পুনরায় যাতে জমি দখল না হয়ে যায় সেজন্য দুই পাশে ড্রেন কাম ফুটপাত নির্মাণ করা হয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো রাস্তার মাঝ বরাবর চলে আসে। ফলে যান চলাচলে ঝুঁকির সৃষ্টি হয়।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) শহর ঘুরে দেখা গেছে, শহরের আলাইপুরস্থ নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনে একটি, উত্তরা সুপার মার্কেটের সামনে ২টি ও ছায়াবাণী মোড় সংলগ্ন পিলখানা রোডের সামনে ১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই রাস্তায় পিচ ঢালাই ও রোলিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ইজিবাইক চালক মনির, আব্দুল্লাহ ও সমশের আলী জানান, দিনে সমস্যা না হলেও রাতে এসব বৈদ্যুতিক খুঁটি উপেক্ষা করে চলা মুশকিল। সবার ধারণা ছিল রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের আগে খুঁটি অপসারণ করা হবে। কিন্তু তা না করেই পিচ ঢালাই দেওয়া হয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563889184583.jpg
ঢাকাগামী কোচচালক আবুল বাশার জানান, শহরের আলাইপুরে নেসকো অফিসের সামনের খুঁটিটি এমন অবস্থায় রয়েছে যে রাতে গাড়ির হেডলাইটেও দেখা যায় না। ফলে দ্রুতগতির গাড়িগুলো যেকোনও সময় দুর্ঘটনায় পড়তে পারে।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সড়ক বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। যেসব খুঁটি অপসারণের নির্দেশনা আসেনি সেসব খুঁটি অপসারণ করা হয়নি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জাবেদ হোসেন তালুকদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যেসব জায়গায় খুঁটি আছে সেসব জায়গা অধিগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান, শেষ হলেই খুঁটি অপসারণ করা হবে। তবে এতে কোনও দুর্ভোগের আশঙ্কা নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র