Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কেন্দুয়ায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশত

কেন্দুয়ায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশত
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নেত্রকোনা


  • Font increase
  • Font Decrease

জমির বোরো ধান না কেটে দেওয়াকে কেন্দ্র করে নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এমনকি আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে সেখানেও প্রতিপক্ষের হামলার ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সকালে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে কৃষক মহিউদ্দিন গ্রুপ ও একই গ্রামের শ্রমিক হাছু মিয়া গ্রুপের লোকজন প্রথমে স্থানীয় দুর্গাপুর মোড় এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হন। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে হাছু মিয়া গ্রুপের লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে।

আহতদের বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রাথমিক দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, গত বৈশাখ মাসে দুর্গাপুর গ্রামের কৃষক মহিউদ্দিন একই এলাকার ধান কাটার শ্রমিকদলের হাছু মিয়া জমির বোরো ধান কেটে দিতে বললে তারা ধান কেটে দিতে রাজি হন। কিন্তু পরে আর কৃষক মহিউদ্দিনের ধান তারা কেটে দেননি। এরই জের ধরে গত সোমবার (১০ জুন) রাত ৮টার দিকে হাছু মিয়াকে স্থানীয় দুর্গাপুর মোড় এলাকায় পেয়ে কেন তার ধান কেটে দেয়নি, তা জানতে চান মহিউদ্দিন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মহিউদ্দিন হাছু মিয়াকে লাঞ্ছিত করে এবং মোড়ে আসতে নিষেধ করেন। এরই জের ধরে সংঘর্ষ বাধে।

এদিকে সংঘর্ষের পর ওই গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ও কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ১৭ জনকে আটক করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ছেলেসহ বাবার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকার আইজুদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৬৩) এবং তার দুই ছেলে নাজিরুল ইসলাম (৩৬) ও আশাদুল (২২)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে একটি খালে কারেন্ট জাল বসিয়েছিলেন নাজিরুল। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় জাল তুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর নাজিরুলের ছোট ভাই আশাদুল তার বড় ভাই ও বাবাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ছেলেসহ বাবাকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান' এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

রায়পুরায় ডাকাতের গুলিতে গরু ব্যবসায়ী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২

রায়পুরায় ডাকাতের গুলিতে গরু ব্যবসায়ী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২
নিহত গরু ব্যবসায়ীর মরদেহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নরসিংদীর রায়পুরার ডাকাতের গুলিতে মোন্তাজ উদ্দিন ( ৪০) নামে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছের আরও দুই গরু ব্যবসায়ী।

শনিবার (২০ জুলাই) রাতে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নে চংপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় পাঠানো হয়।

নিহত মোন্তাজ উদ্দিন রায়পুরার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের সাধু মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন চরসুবুদ্ধি গ্রামের আসাদ মিয়া (৩০) ও রায়পুরায় বাহেরচর গ্রামের মানিক (৩৫)।

রায়পুরা থানা পুলিশ জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সলিমগঞ্জ বাজারের সাপ্তাহিক গুরুর হাট বসে। হাটে রায়পুরার নিলক্ষাসহ বিভিন্ন উপজেলার গরু ব্যবসায়ীরা গরু নিয়ে সলিমগঞ্জ বাজারে যায়। হাটে বেচাকেনা শেষে শনিবার রাতে গরু ব্যবসায়ীরা নৌকা যোগে নিলক্ষা আসছিলেন।

ব্যবসায়ীদের নৌকাটি নিলক্ষায় চরমধুয়া এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে একটি স্পিডবোট নিয়ে ডাকাতরা তাদের ধাওয়া করেন। ওই সময় তারা জীবন বাঁচাতে নিলক্ষার চংপাড়া এলাকায় নৌকা ভিড়িয়ে নামার চেষ্টা করে। এ সময় ডাকাতরা ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ডাকাতের ছোড়া গুলি গরু ব্যবসায়ী মোন্তাজ উদ্দিনের মাথায় বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে চরসুবুদ্ধি গ্রামের আসাদ মিয়া ও রায়পুরায় বাহেরচর গ্রামের মানিক মিয়া নামে আরও দুই গরু ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ডাকাতদের ধাওয়া করে। পরে ডাকাতদল পালিয়ে যায়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মহসিনুল কাদির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় পাঠায়।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র