Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পরিত্যক্ত জলাশয় পরিণত হচ্ছে মাছের খামারে

পরিত্যক্ত জলাশয় পরিণত হচ্ছে মাছের খামারে
পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের গেরাখালী খাল। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিত্যক্ত খাল এবং জলাশয় খনন করে মাছ চাষের সুযোগ সৃষ্টি করায় উপকৃত হচ্ছে উপকূলের মানুষ। এর ফলে মাছের উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি পুকুর ও খালের পানি কৃষকরা সেচেও ব্যবহার করতে পারছে।

মৎস্য উৎপাদনের পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও জলাশয়গুলো এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে মৎস্য অধিদপ্তরের জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে ‘মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের পরিত্যক্ত জলাশয়গুলো খনন করা হচ্ছে।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের গেরাখালী খালটি এক সময়ে কচুরিপানা এবং ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় ছিল। তবে সংস্কারের মাধ্যমে সেই খালটি এখন মাছ চাষের একটি উপযুক্ত ক্ষেত্র। মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় স্থানীয় যুবকরা সেই খালটি মাছ চাষের উপযোগী করে তুলেছে। পাশাপাশি খালের দুই পাশে প্রশস্ত মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন এই খালটিকে ঘিরে মাছ চাষের স্বপ্ন দেখছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় জেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় পুকুর, খাল, দিঘি এবং জলাধার খননের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাশে রাস্তা নির্মাণ, বৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে। আর এসব কাজে প্রকল্পের পক্ষ থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তাও করা হচ্ছে। এর ফলে খুশি এই এলাকার সাধারণ মানুষ।

প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আলিমুজ্জামান চৌধুরী জানান, দেশের ৫৩টি জেলার ২২৯টি উপজেলায় এই প্রকল্প চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। ২০২০ সালের জুন নাগাদ এই প্রকল্প সমাপ্ত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে স্থানীয় মানুষ সরাসরি এর সুফল ভোগ করতে পারছে। এখন স্থানীয়রা যেমন মৎস্য উৎপাদনের সুযোগ পাবে, তেমনি দেশের অর্থনীতিতেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

২৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর ৬৩৩৭.৫ মেট্রিক টন অতিরিক্ত মাছ উৎপাদনের পাশাপাশি দেশের ৮ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হত্যা, ধর্ষণ, মাদকসহ দুর্নীতির একের পর এক সংবাদে দেশবাসী যখন উৎকণ্ঠিত তখন বিকাশের ভুল নম্বর থেকে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের শিরফল মিয়া (৪০)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মালিকের হাতে টাকাগুলো তুলে দেন শিরফল মিয়া। শিরফল মিয়া উপজেলা সদরের বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া গ্রামের ফকির চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি।

জানা যায়, গত ১১ জুলাই রাতে শিরফল মিয়ার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা আসে। কিন্তু এতো টাকা কিভাবে আসল তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। ভয়ে কারও সঙ্গে বিষয়টি আলাপও করেননি। পরদিন (১২ জুলাই) তার নম্বরে পটুয়াখালি থেকে মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে টাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সাথে বানিয়াচং ঘুরে যাওয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।

মঙ্গলবার টাকা ফেরত নিতে দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে বানিয়াচং আসেন আল আমিন (২৯)। পরে বিকেলে শিরফল মিয়া তার ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেন। এসময় টাকা ফেরত পেয়ে খুশি হয়ে শিরফল মিয়াকে ২ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক শিব্বির আহমদ আরজু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শেখ সাগর আহমদ ও রেজাউল করিম।

এ টাকা ফেরত পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আল আমিন মিয়া। তিনি বলেন- ‘যখন জানতে পারি ৩০ হাজার টাকা বিকাশের ভুল নম্বরে হবিগঞ্জের বানিয়াচং গিয়েছে তখন ফেরত পাব বলে বিশ্বাস ছিলো। কারণ এখানকার মানুষ অনেক সৎ ও ভালো হিসেবে জানি। সে বিশ্বাসের প্রতিফলন আজ পেয়েছি।’

এ ব্যাপারে শিরফল মিয়া বলেন- ‘ভুল করে টাকা আসতেই পারে। তাই বলে অন্যের টাকা আত্মসাৎ করব এমন শিক্ষা পেয়ে আমি বড় হইনি।’

শিরফল মিয়া বিদেশ ফেরত এক যুবক। তিনি প্রবাস থেকে অর্থ-কড়ি খুইয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রায় ৫ বছর। পেশা হিসেবে টাইলস মিস্ত্রি। কিন্তু ৫ সদস্যের সংসারে অর্থের টানাপোড়েন লেগেই আছে। এমতাবস্থা থেকেও শিরফল মিয়া সেই টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ করেননি। এতে তিনি টাকা ফেরত দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় জাহাঙ্গীর মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর রিকশা চালক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের কাছে রাত ৮টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রিকশা চালক আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে রিকশা চালিয়ে আউশকান্দি বাজারে আসছিল জাহাঙ্গীর। এ সময় মুনিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছা মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাক জাহাঙ্গীরের রিকশাকে চাপা দেয়। এতে রিকশাটি দুমড়ে মুছড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

মহাসড়কের প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহ হাইওয়ে থানায় রয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র