Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

টাকার অভাবে কলেজে ভর্তি অনিশ্চিত আমেনার

টাকার অভাবে কলেজে ভর্তি অনিশ্চিত আমেনার
দরিদ্র মা-বাবার সঙ্গে মেধাবী আমেনা, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নড়াইল


  • Font increase
  • Font Decrease

টাকার অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারছেন না নড়াইলের সদর উপজেলার সাধুখালী গ্রামের মেধাবী ছাত্রী আমেনা পারভীন। দিনমজুর পিতা-মাতার পক্ষে মেয়ের পড়াশুনার খরচ বহন করাও সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবার।

জানা গেছে, সাধুখালী গ্রামের দিনমজুর খবির মোল্লা ও রেহেনা বেগমের মেয়ে আমেনা পারভীন। ছোট বেলা থেকেই খুবই মেধাবী তিনি। বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন তার। তবে দিনমজুর বাবার আয়ে যেখানে সংসারই চলে না সেখানে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন অনেকটা, 'বামন হয়ে চাঁদ ধরতে চাওয়ার মতো স্বপ্ন'। তবে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতে চান দরিদ্র বাবা। কিন্তু কলেজেই ভর্তি করাতে পারছেন না। ফলে মেয়ের স্বপ্ন পূরণে শুরুতেই হোঁচট খাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

আরও জানা গেছে, আমেনা সদর উপজেলার হবখালী হামিদুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন। দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ ছয় সদস্যের পরিবার চলে দিনমজুর খবির মোল্লার আয়ে। ফরে সংসার চালিয়ে মেয়ের পড়াশুনার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

আমেনা পারভীন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘লেখাপড়া করে চিকিৎসক হয়ে দেশের দরিদ্র মানুষের সেবা করতে চাই। আগামী ২৭ জুন থেকে কলেজে ভর্তি শুরু হবে। কিন্তু আমি ভর্তি হতে পারব কিনা- সেটা অনিশ্চিত।’

আমেনা পারভীনের বাবা খবির মোল্লা ও মা রেহেনা বেগম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে এ পর্যন্ত মেয়ের লেখাপড়ার খরচ বহন করেছি। এখন কলেজের খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাহলে টাকার জন্য কি আমাদের মেয়ে কলেজে ভর্তি হতে পারবে না? তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন কি পূরণ হবে না?’

হবখালী হামিদুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমেনা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী। সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চাই। কিন্তু তার পরিবারের পক্ষে লেখাপড়ার খরচ বহন করা সম্ভব না। তাই সমাজের বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসতেন তাহলে আমেনার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হত।’

আপনার মতামত লিখুন :

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ফাইল ছবি

লালমনিরহাটের ধরলা নদীর বন্যার পানিতে ডুবে ইশি মনি (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজারের পাশে ধরলা নদী থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

শিশু ইশি মনি সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজার এলাকার মজনু মিয়ার ছেলে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। ওই বন্যার পানি বাড়িতে ওঠায় শিশু ইশি মনিকে উঁচু স্থানে রেখে কাজ করছিল পরিবারের লোকজন। তবে সবার অজান্তে বন্যার পানিতে পড়ে ওই শিশুটির মৃত্যু হয়।

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে
প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির বিবরণ জমা না দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় এক সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে আদালতের হাকিম মো. সেলিম মিয়া আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঐ পুলিশ কর্মকর্তার নাম এস এম বদরুল আলম। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা। এস এম বদরুল আলম বর্তমানে গাজীপুর জেলার হাইওয়ে পুলিশের এএসপি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে এস এম বদরুল আলম যশোরের ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঐ বছরের ৪ মে তার সম্পত্তির হিসাব চেয়ে সাত দিনের মধ্যে তা দুদকে জমা দিতে বলা হয়। বদরুল আলম দুদকের নোটিশের ঐ চিঠিটি ৫ মে গ্রহণ করেন। সেই হিসেবে ১৪ মে’র মধ্যে তার সম্পত্তির হিসাব দেওয়ার কথা ছিল।

বদরুল আলম নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির হিসাব জমা না দেওয়ায় দুদকের ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বদরুল আলমকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে।

মামলা দায়েরের পর বদরুল আলম হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তিকালীন জামিন নেন। হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ২০১৪ সালের ১৬ জুন এ ব্যাপারে একটি রুল জারি করে রুল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বদরুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। গত ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট বদরুল আলমের দায়ের করা রুলটি খারিজ করে দেন।

জেলা দুদকের আইনজীবী নারায়ন চন্দ্র দাস জানান, হাইকোর্ট রুল খারিজ করে দিলেও বদরুল আলম সেই তথ্য গোপন রাখেন। অতপর বুধবার তিনি ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। তবে আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র