Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অবশেষে উদ্ধার হলো আদিয়ার মরদেহ

অবশেষে উদ্ধার হলো আদিয়ার মরদেহ
আদিয়া। ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

অবশেষে নিখোঁজের দুইদিন পর মানিকগঞ্জের ঘিওর থেকে শিশু আদিয়ার (১০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে ৮ জুন দুপুরে ওই উপজেলার কুস্তা এলাকায় নদীতে মা-বাবার সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় সে।

সোমবার (১০ জুন) দুপুরে ঘিওর সরকারি কলেজের পেছনে ধলেশ্বরী নদী থেকে আদিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

আদিয়া রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী এলাকার ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলামের মেয়ে। সে মিরপুর গার্লস স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। ঈদের ছুটিতে সে বাবা-মার সঙ্গে ঘিওর উপজেলার কুস্তা গ্রামে নানা বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত শনিবার দুপুরে ধলেশ্বরী নদীতে মা-বাবার সঙ্গে গোসলে নেমে নিখোঁজ হয় আদিয়া। খবর পেয়ে ঘিওর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আদিয়ার কোনো সন্ধান পায়নি।

পরে রোববার ভোর থেকে ৮ সদস্য বিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ফের উদ্ধার অভিযান চালায়। সোমবার স্থানীয়রা খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে তারা।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আনিসুল হক বার্তা২৪.কমকে জানান, আদিয়ার পরিবারের ইচ্ছায় মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:৩০ ঘণ্টায়ও সন্ধান মিলেনি শিশু আদিয়ার

আপনার মতামত লিখুন :

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ফাইল ছবি

লালমনিরহাটের ধরলা নদীর বন্যার পানিতে ডুবে ইশি মনি (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজারের পাশে ধরলা নদী থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

শিশু ইশি মনি সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজার এলাকার মজনু মিয়ার ছেলে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। ওই বন্যার পানি বাড়িতে ওঠায় শিশু ইশি মনিকে উঁচু স্থানে রেখে কাজ করছিল পরিবারের লোকজন। তবে সবার অজান্তে বন্যার পানিতে পড়ে ওই শিশুটির মৃত্যু হয়।

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে
প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির বিবরণ জমা না দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় এক সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে আদালতের হাকিম মো. সেলিম মিয়া আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঐ পুলিশ কর্মকর্তার নাম এস এম বদরুল আলম। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা। এস এম বদরুল আলম বর্তমানে গাজীপুর জেলার হাইওয়ে পুলিশের এএসপি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে এস এম বদরুল আলম যশোরের ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঐ বছরের ৪ মে তার সম্পত্তির হিসাব চেয়ে সাত দিনের মধ্যে তা দুদকে জমা দিতে বলা হয়। বদরুল আলম দুদকের নোটিশের ঐ চিঠিটি ৫ মে গ্রহণ করেন। সেই হিসেবে ১৪ মে’র মধ্যে তার সম্পত্তির হিসাব দেওয়ার কথা ছিল।

বদরুল আলম নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির হিসাব জমা না দেওয়ায় দুদকের ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বদরুল আলমকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে।

মামলা দায়েরের পর বদরুল আলম হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তিকালীন জামিন নেন। হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ২০১৪ সালের ১৬ জুন এ ব্যাপারে একটি রুল জারি করে রুল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বদরুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। গত ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট বদরুল আলমের দায়ের করা রুলটি খারিজ করে দেন।

জেলা দুদকের আইনজীবী নারায়ন চন্দ্র দাস জানান, হাইকোর্ট রুল খারিজ করে দিলেও বদরুল আলম সেই তথ্য গোপন রাখেন। অতপর বুধবার তিনি ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। তবে আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র