Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গৃহবধূর হাত কেটে ফেলা হয়েছে পুকুরে, আটক ৩

গৃহবধূর হাত কেটে ফেলা হয়েছে পুকুরে, আটক ৩
ছবি: প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার ধুনটে সাহেনা বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর হাত কেটে পুকুরে ফেলে দিয়েছে শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের সদস্যরা।

সোমবার (১০ জুন) সকালে উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের কৈগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন।

সাহেনা বেগম ওই গ্রামের কৃষক কফিল উদ্দিনের স্ত্রী।

এ হামলায় সাহেনাসহ তার স্বামী কফিল উদ্দিন (৬০), তার ছেলে রুবেল (২৪), নূরুন্নবী (৩০), একই গ্রামের সাইদুল ইসলামের স্ত্রী তফুরা বেগম (২৮) ও ফটিক মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৪০) আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে সাহেনা বেগমকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও অন্যদের ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, গত তিন মাস আগে কৈগাড়ী গ্রামের শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের সোলার প্যানেলের ব্যাটারি চুরি হয়। ওই ব্যাটারি চুরি হওয়ার জন্য সোমবার সকালে কফিল উদ্দিনের ছেলে রুবেলকে দায়ী করে ক্লাবের সদস্য একই গ্রামের রশিদ মিয়ার ছেলে আল-আমিন (২৪) ও আজাহার আলীর ছেলে বিল্পব মিয়া (২৫)।

এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে আল-আমিন ও বিল্পবসহ ১৫-২০ জন রুবেলকে মারধর করতে থাকে। এতে বাধা দিলে তারা রুবেলের মা-বাবা ও ভাইসহ ৬ জনকে পিটিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে আল-আমিনের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রুবেলের মা সাহেনা বেগমের বাম হাতের কনুই পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে তারা বিচ্ছিন্ন হাত পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়।

এ ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর সার্কেল) গাজিউর রহমান ও ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই গৃহবধূর বিচ্ছিন্ন হাত ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আল-আমিন, বিল্পব ও রনি খাতুনকে আটক করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আল-আমিন ঢাকায় বসবাস করে। ঢাকা থেকে ঈদের ছুটিতে গ্রামে ফিরে জানতে পারে সোলার প্যানেলের ব্যাটারি চুরি হয়েছে। ক্লাব ঘরের চাবি রুবেলের কাছে থাকত। এ কারণে রুবেলের কাছে ব্যাটারি চাওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা

কোম্পানীগঞ্জে মাদক মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গোলাম কিবরিয়া মিন্টু (৩৩) নামে মাদক মামলার এক আসামিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ সিদ্দিক উল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু স্থানীয় ইমান আলী চৌকিদার বাড়ির ইসমাইলের ছেলে। কোম্পানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, মিন্টু মাদক মামলাসহ মোট ছয়টি মামলার আসামি। গত ১৫ দিন আগে তিনি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পান।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্র্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির ভাই গোলাম আজম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে একই এলকার শেখ ফোরমানের বাড়ির আজাদের ছেলে তানভির (২৫), পাটোয়ারী হাটের পটু ডাক্তার বাড়ির নুর আমিনের ছেলে ফয়সালসহ কয়েকজন মিন্টুকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে চোখ, হাত ও পা বেঁধে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর হন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মিন্টুকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহত মিন্টুর পরিবার।

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ছেলেসহ বাবার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকার আইজুদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৬৩) এবং তার দুই ছেলে নাজিরুল ইসলাম (৩৬) ও আশাদুল (২২)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে একটি খালে কারেন্ট জাল বসিয়েছিলেন নাজিরুল। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় জাল তুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর নাজিরুলের ছোট ভাই আশাদুল তার বড় ভাই ও বাবাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ছেলেসহ বাবাকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান' এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র