Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছুটি শেষে ফের কর্মব্যস্ত বেনাপোল বন্দর

ছুটি শেষে ফের কর্মব্যস্ত বেনাপোল বন্দর
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বেনাপোল (যশোর)


  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাত দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আবারো কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাণিজ্যের সাথে সংশিষ্ট মানুষেরা।

বন্দর সূত্র জানায়, পবিত্র শবেকদর ও ঈদ উপলক্ষে গত রোববার (২ জুন) থেকে শুক্রবার (৭ জুন) পর্যন্ত বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত শনিবার (৮ জুন) অফিস খুললেও ঈদের আমেজ না কাটায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মব্যস্ততা আসেনি। সোমবার (১০ জুন) থেকে বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা বার্তা২৪.কমকে জানান, বর্তমানে বেনাপোল বন্দরে সপ্তাহে ছয় দিনে ২৪ ঘণ্টা করে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্য হয়ে থাকে। ঈদের ছুটি শেষে এখন বাণিজ্যিক ব্যস্ততা বেড়েছে। অফিসের প্রতিটা দফতরে কর্মকর্তা, কর্মচারীরা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সোমবার (১০ জুন) দুপুরে বেনাপোল বন্দর এলাকা ঘুরে পণ্য খালাসে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যায়। জানা যায়, এক দিনে আমদানি পণ্য থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৮ কোটি ১১ লাখ টাকা।

বেনাপোল আমদানি, রফতানি ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মহাসিন মিলন বার্তা২৪.কমকে জানান, এবার ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে মিলে একটানা সাত দিনের বন্ধের কবলে পড়েছিল বেনাপোল বন্দর। এতে ব্যবসায়ীরা পণ্য খালাস নিতে পারেননি। তাই ঈদের ছুটি শেষে এখন সব ব্যবসায়ী প্রয়োজনীয় পণ্য খালাস নিচ্ছেন। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়েছে।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক (ট্রাফিক) প্রদোষ কান্তি দাস বার্তা২৪.কমকে বলেন, সরকারি ছুটি শেষে অফিস খুলেছে। কর্মকর্তা, কর্মচারী যারা ছুটিতে বাড়িতে গিয়েছিলেন, সবাই কর্মস্থলে ফিরে কাজে যোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে বন্দর থেকে দ্রুত তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য খালাস নিতে পারেন, তার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সব ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Benapol Port

বেনাপোল বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু আহম্মেদ জানান, একটানা প্রায় সাত দিন বন্দর বন্ধের কবলে পড়ায় বন্দরে পণ্য খালাসে নিযুক্ত দিন আনা দিন খাওয়া শ্রমিকেরা অনেকটা অর্থকষ্টের মধ্যে পড়েছিলেন।এখন বন্দরে কর্মব্যস্ততা ফিরে আসায় তাদের মধ্যে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। আনন্দ নিয়ে তারা পণ্য খালাস করছেন।

সরকারের রাজস্ব গ্রহণকারী বেনাপোল সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার এআরএম রকিবুল হাসান বার্তা২৪.কমকে জানান, রোববার (৯ জুন) বেনাপোল বন্দরে আমদানি পণ্য থেকে সরকারের কোষাগারে ১৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা রাজস্ব জমা পড়েছে, যা অনান্য সময়ের চাইতে দ্বিগুণ।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ঈদের ছুটি শেষে বন্দর থেকে পণ্য খালাসের চাপ অনান্য সময়ের চেয়ে একটু বেশি। খালাসকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে- শিল্পকাখানায় ব্যবহৃত মেশিনারিজ যন্ত্রাংশ, কাচামাল ও খাদ্যদ্রব সামগ্রী। রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে- পাট ও পাট জাত দ্রব, মাছ, গার্মেন্টস সামগ্রী ও কেমিকেলসহ বিভিন্ন পণ্য।

উল্লেখ্য, দেশে ২৩টি স্থলবন্দরের মধ্যে চলমান ১৩ বন্দরের সবচেয়ে বড় আর বেশি রাজস্ব দাতা বেনাপোল বন্দরের কাস্টমস হাউজ। ১৯৭২ সাল থেকে এ পথে ভারতের সাথে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু। প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি হয়ে থাকে, যা থেকে সরকারের প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। বন্দরে আমদানি পণ্যের ধারণ ক্ষমতা ৪২ হাজার মেট্রিক টন কিন্তু এখানে সার্বক্ষণিক পণ্য থাকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন। বর্তমানে বন্দরে ২৮টি পণ্যাগার, আটটি ওপেন ইয়ার্ড, একটি ভারতীয় ট্রাক টার্মিনাল, একটি রফতানি ট্রাক টার্মিনাল ও একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডের মাধ্যমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে; তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

আপনার মতামত লিখুন :

সেতু নির্মাণের এক মাসেই ফাটল, খসে পড়ছে পাথর-সিমেন্ট

সেতু নির্মাণের এক মাসেই ফাটল, খসে পড়ছে পাথর-সিমেন্ট
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

পাবনার চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্রীদাস খালী-রাউৎকান্দি রাস্তার ওপর নির্মিত সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। যদিও এক মাস আগে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। ফাটল দেখা দেওয়ায় সেতুর রড ও রেলিং থেকে খসে পড়ছে পাথর ও সিমেন্ট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের কারণেই এমনটি হয়েছে। তবে ঠিকাদারের দাবি, কাজ শেষে দ্রুত মাটি ভরাট করায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, কয়েকদিন আগে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান সেতুর ফাটলের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপরই বিষয়টি ভাইরাল হয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ব্রিজ/কালভার্ট শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। যার ব্যয় ধরা হয় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৯ টাকা। ৩২ ফুট দৈর্ঘ্যের ওই সেতু নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাজেদা অ্যান্ড আতাহার। কিন্তু কাজটি সাব কন্ট্রাক্ট হিসেবে পাবনার চাটমোহরের স্থানীয় ঠিকাদার সিরাজুল ইসলামকে দেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563881038833.jpg

জানা গেছে, নির্মাণের শুরুতে এলাকাবাসী নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তোলে। কিন্তু ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় অল্প দিনে কাজটি সম্পন্ন করা হয়। অথচ নির্মাণের একমাসের মাথায় সেতুর বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেয়। এছাড়া সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কে মাটি না দিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে জানতে মূল ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে সাব কন্ট্রাক্টের ঠিকাদার সিরাজুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ইতোমধ্যেই পিআইওকে সঙ্গে নিয়ে সেতুটি দেখে এসেছি। পিআইও ঢাকার প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ ঠিক না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জুন মাসে ক্লোজিংয়ে বিল ছাড় করানোর জন্য তড়িঘড়ি করে মাটি ভরাট করা হয়। ফলে সেতুর কিছু স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয়রা ষড়যন্ত্র করে হাতুড়ি পিটিয়ে সেতুর রেলিং ভেঙে দিয়েছে। শিগগিরই ত্রুটিপূর্ণ অংশ মেরামত করে দেওয়া হবে।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এসএম শামীম এহসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, স্থানীয় ঠিকাদার ত্রুটিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামত করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

শপথ নিলেন নাজিম উদ্দিন

শপথ নিলেন নাজিম উদ্দিন
শপথ গ্রহণ করেন নাজিম উদ্দিন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে উপনির্বাচনে জয়ী নাজিম উদ্দিন শপথ গ্রহণ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় পাবলিক হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। শপথ বাক্য পাঠ করান ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা করিম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিয়াদ হাসান গৌরব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. হেলাল উদ্দিন, গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম মিয়া প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গৌরীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন মোফাজ্জল হোসেন খান। চলতি বছরের ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণ করতে কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এতে ৭ নাম্বার ওয়ার্ডটি শূন্য হয়। ওই উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নাজিম উদ্দিন আহমেদ পাঞ্জাবি প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র