Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মামা-ভাগ্নে নিহত

লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মামা-ভাগ্নে নিহত
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নসিমনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মামা ও ভাগ্নে নিহত হয়েছেন। রোবববার (৯ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রামগঞ্জ-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের যুগী বাড়ির সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার আইয়েনগর গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেন (৩৮) ও তার ভাগ্নে চাটখিল উপজেলার শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. তামিম (১৪)।

স্থানীয়রা জানান, দোকান বন্ধ করে সুমন তার ভাগ্নে তামিমকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে রামগঞ্জ-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের যুগী বাড়ির সামনে পৌঁছলে স্থানীয় সাথি ডেকোরেটরের একটি নসিমনের সঙ্গে মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়। এতে তামিম ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমনকে রামগঞ্জ ফেমাস হসপিটালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন মারা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

সিরাজগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সোয়া ৩ লাখ মানুষ

সিরাজগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সোয়া ৩ লাখ মানুষ
বন্যায় সিরাজগঞ্জের ৩৯টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

যমুনা নদী সিরাজগঞ্জের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি বন্যায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৯টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভার ৪০০টি গ্রাম সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়েছে। আর এসব এলাকার প্রায় সোয়া তিন লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৪৩৪ জন। আংশিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন তিন লাখ ১৩ হাজার ১৭৭ জন। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত ঘর-বাড়ির সংখ্যা ৫০ হাজার ৩১৮টি। সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার ৫০৫টি ও আংশিক ৪৩ হাজার ৮১৩টি।

এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিপুল সংখ্যক রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জেলার ১৫ হাজার ৯৫৯ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে তিন হাজার ৪০০ হেক্টর জমির ধান, পাট ও শীতকালীন সবজিসহ বিভিন্ন ফসল। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563889012594.gif

ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষ নিঃস্ব অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ত্বের খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আয়-রোজগার না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে জীবনযাপন করছে। ওষুধ কেনার সামর্থ্য না থাকায় রোগবালাই নিয়েই কষ্টে দিনযাপন করছে।

বন্যার্তদের অভিযোগ, এখনো পর্যন্ত কোনো সহায়তা পায়নি। আর সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসন বলছে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে, কোনো বানভাসি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে না। এ অবস্থায় শিশুখাদ্যসহ শুকনো খাবার ও ওষুধ সহায়তার দাবি বন্যা কবলিতদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563889029785.gif

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মেদ জানান, যমুনার পানি কমলেও বিপদসীমার ওপরেই রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে ৩৯৮ দশমিক তিন টন জিআর চাল, পাঁচ লাখ নগদ টাকা ও তিন হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। মজুদ রয়েছে আরও ৫০১ মেট্টিক টন জিআর চাল, আট লাখ টাকা ও সাড়ে ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার।

বানভাসিদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রে ১১৫টি তাবু সরবরাহ করা হয়েছে। মজুদ রয়েছে ৩৮৫টি। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সব ধরনের প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসনের। ত্রাণেরও কোনো সংকট নেই।

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু
বজ্রপাতের আঘাতে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও রানীশংকৈল উপজেলায় বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও ১০ জন।

আহতদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকি ৮ জনকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে ও রাণীশংকৈল উপজেলায় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের দালালবস্তী গ্রামের আব্দুল জব্বার (৪৫), রাণীশংকৈল উপজেলার আলসেয়া গ্রামের মনছুর আলীর ছেলে আবু সাঈদ (১৩), একই গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৮), জগদল গ্রামের মৃত বাচা মোহাম্মদের ছেলে নুরুল ইসলাম (৪৩) ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563886918443.jpg

বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাব্বেরুল হক জানান, বিকেলে বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের সরকারবস্তী গ্রামের ভাঙ্গারু নামে এক ব্যক্তির আম বাগানে পাহারার কাজে নিয়োজিত ছিলেন রবিউল ইসলাম ও নুরুল ইসলাম। এ সময় বজ্রপাতে রবিউল ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে নুরুল ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মারা যায়।

একই সময় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দালালবস্তী গ্রামে মাঠে কাজ করার সময় আব্দুল জব্বার বজ্রপাতে ঝলসে গিয়ে মারা গেছেন।

অপরদিকে রাণীশংকৈল থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, বিকেলে প্রতিবেশী আব্দুল খালেকের সঙ্গে মাঠে হাঁস আনতে গিয়েছিলেন আবু সাঈদ। বজ্রপাতে সেখাইনেই তার মৃত্যু হয়। তবে প্রতিবেশীর কোনো ক্ষতি হয়নি ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র