Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'জ্ঞান ভিত্তিক জাতি গঠনে উন্নত হবে দেশ'

'জ্ঞান ভিত্তিক জাতি গঠনে উন্নত হবে দেশ'
'চেতনায় ৭১' বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

জ্ঞান ভিত্তিক ও তথ্য ভিত্তিক জাতি গঠনের মধ্য দিয়েই উন্নত বাংলাদেশ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

শনিবার (৮ জুন) রাতে মেহেরপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে 'চেতনায় ৭১' বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের ভুমিকা নিয়ে বইটি প্রকাশ করেছেন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'উন্নত বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। সেই জায়গাটা আমাদের প্রত্যেকের অবহিত থাকতে হবে। জাতিকে এগিয়ে নিতে হলে তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জ্ঞানের চর্চা লিখিত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চড়া দামে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীনতা। স্বাধীনতা ও ভাষার জন্য যারা আত্মদান করেছেন তাদের ভূমিকা শ্রদ্ধাভরে সব সময় স্মরণ করতে হবে। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীনতা যা বিশ্বে বিরল এই কথাটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস রাখাই হচ্ছে দেশপ্রেম। '

একাত্তরের ২৫ মার্চ কাল রাতের কথা স্মরণ করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, 'এদিন রাতে প্রথম যে প্রতিরোধ আসে তা রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশের কাছ থেকে। এর জন্য প্রায় এক হাজার দুইশ পুলিশ সদস্য আত্মদান করেছিলেন। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের ভুমিকা অবিস্মরণীয়।'

মেহেরপুর জেলার বাসিন্দা যারা পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন তাদের নিয়েই পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় 'চেতনায় ৭১' বইটি সম্পাদন করেছেন পুলিশ পরিদর্শক (মোটর যান) ইসমাইল হোসেন।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেই সকল মুক্তিযোদ্ধা যারা পাকিস্তান পুলিশ বাহিনীতের চাকরি করেও দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, একদিন এই সকল মুক্তিযোদ্ধারা পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবেন। কিন্তু তাদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে জাগিয়ে রাখতে এই উদ্যোগ। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মোস্তাফিজুরর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কেএম আতাউল হাকিম লাল মিয়া, মেহেরপুর প্রেস ক্লাব সাবেক সভাপতি আলামিন হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলমসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকবৃন্দ।

 

আপনার মতামত লিখুন :

আদালতে হাজিরা দিলেন সাবেক এম‌পি রানা

আদালতে হাজিরা দিলেন সাবেক এম‌পি রানা
সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী ল‌ীগ নেতা ফারুক আহ‌ম্মেদ হত্যা মামলায় উচ্চ আদালতে জা‌মিনে মুক্ত হওয়ার পর নিম্ন আদালতে হা‌জিরা দিয়েছেন ঘাটাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এম‌পি) আমানুর রহমান খান রানা।

বৃহস্প‌তিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গেইলের প্রথম অতি‌রিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রা‌শেদ কবীরের বিচা‌রিক আদাল‌তে হা‌জিরা দেন তিনি। এ সময় চি‌কিৎসক ‌মোজা‌ম্মেল হো‌সে‌নের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। প‌রে আসামি পক্ষ থে‌কে চি‌কিৎসক‌কে জেরা করা হয়।

টাঙ্গাইল জজ কো‌র্টের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহসীন শিকদার ও টাঙ্গাইল আদাল‌তের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহ‌ম্মেদ জানান, চি‌কিৎসক মোজা‌ম্মেল হো‌সেনের সাক্ষ্যগ্রহণ শে‌ষে আসামি পক্ষ থে‌কে তা‌কে জে‌রা করা হয়। এ নি‌য়ে মোট ১৮ জ‌ন সাক্ষির সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হল।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহম্মে‌দের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় তৎকালীন সাংসদ আমানুর ও তার ভাইদের জাড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় আমানুর ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছে।

পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ৩৭ কিলোমিটার আগেই আটকে যাচ্ছে ট্রাক

পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ৩৭ কিলোমিটার আগেই আটকে যাচ্ছে ট্রাক
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

প্রবল স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। এতে করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে যাত্রীবাহী বাস ও ছোট গাড়ি নৌরুট পারাপারের সুযোগ পেলেও দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়েছে পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা।

তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করেও নৌরুট পারাপারের সুযোগ পাচ্ছে না পাটুরিয়া ট্রাক টার্মিনালে আটকে থাকা চালকরা।

ফেরিঘাট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় পণ্যবাহী সাধারণ ট্রাকগুলো আটকে দিচ্ছে হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সরেজমিনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কের ধামরাই উপজেলার বাথুলী ওয়েট স্কেল, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর এলাকার পুলিশ চেকপোস্ট এবং উথুলী বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে আরিচা সংযোগ সড়কে কয়েকশ ঘাটমুখী পণ্যবাহী ট্রাক আটকে রাখা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563435954794.jpg

গোলড়া হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলমুখী ট্রাকের বেশ চাপ রয়েছে। টার্মিনালের চাপ কমে গেলে সিরিয়াল অনুযায়ী মহাসড়ক থেকে পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে নৌরুট পারাপারের জন্য ফেরিঘাট এলাকায় পাঠানো হবে।

তবে পচনশীল এবং জরুরি পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর চলাচল ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে কী পরিমাণ ট্রাক মহাসড়কে আটকে রাখা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।

মহাসড়কের ধামরাই উপজেলার বাথুলী এলাকায় অপেক্ষমাণ খুলনামুখী পণ্যবাহী ট্রাকের চালক আফছার উদ্দিন জানান, ভোগান্তির অপর নাম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। ভোগান্তি ছাড়া নৌরুট পার হওয়া ভাগ্যের বিষয়। কিন্তু এবার ঘাট এলাকার ৩৭ কিলোমিটার আগেই আটকে দিল পুলিশ। আল্লাহই জানে নৌরুট পারাপার হতে কয়দিন লাগে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563435980627.jpg

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আজমল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নৌরুট পারাপারে সময় লাগছে আগের চেয়ে বেশি। যে কারণে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি হচ্ছে।

পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৫টি ফেরি রয়েছে। তবে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে নৌরুটে চলাচল করতে পারছে না তিনটি ফেরি। সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় শতাধিক বাস ও তিন শতাধিক ট্রাক নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র