Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চুড়ি খেলাও ব্যবসার উপাদান

চুড়ি খেলাও ব্যবসার উপাদান
ছবি: বার্তা২৪.কম
হাসান মাহমুদ শাকিল
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলার মধ্যে চুড়ি খেলা অন্যতম। এক সময় গ্রামের মোড়ে মোড়ে এই খেলায় মেতে উঠত শিশুরা। বাদ যেত না যুবক থেকে বৃদ্ধরাও। কিন্তু এই খেলাটি এখন আর তেমন চোখে পড়ছে না। তবে খেলাটি এখন ব্যবসার উপাদান হিসেবে কাজ করছে।

এই চুড়ি খেলাকে ব্যবসার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা গেছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতাব্বরহাট এলাকায়। সেখানে মেঘনারপাড়ে ঘুরতে আসা মানুষকে আকর্ষণ করা হচ্ছে চুড়ি খেলা দিয়ে। চুড়ি খেলায় জিতলেই দেওয়া হচ্ছে একটি কোমল পানীয়।

আর এই খেলাটি বা ব্যবসাটি করতে দেখা গেছে স্থানীয় বাসিন্দা ১৪ বছর বয়সী দেলোয়ার হোসেনকে। এসময় তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খেলায় একবার অংশগ্রহণ করতে ৫ টাকা দিতে হয় আগ্রহীদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/08/1560004759631.jpg

এ খেলার নিয়ম হচ্ছে- অংশগ্রহণকারী একটি চুড়ি দূর থেকে ১৫ টাকা দামের একটি কোমল পানীয়-এর বোতলের মুখে ফেলবে। আর ফেলতে পারলে ওই কোমল পানীয়-এর বোতলটি তার হয়ে যাবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, একটি লাঠির মাথায় লম্বা সুতায় বাঁধা চুড়ি নিয়ে সবাইকে খেলায় অংশগ্রহণ করতে ডাকছে দেলোয়ার। প্রতিবারে ৫ টাকা করে দিয়ে খেলায় অংশগ্রহণ করতে হচ্ছে। এসময় কয়েকজন যুবক খেলায় অংশগ্রহণ করেও জিততে পারেনি৷ তবে তারা খেলাটি বেশ উপভোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/08/1560004784138.jpg

জানা গেছে, আগে চুড়ি খেলা গ্রামের ঐতিহ্য বহন করলেও এখন আর নেই। এখন শুধু দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠিত হওয়া মেলা, পর্যটন কেন্দ্র ও মানুষের সমাগম স্থলে এর দেখা মেলে। তবে শুধু খেলা হিসেবে নয়, এটি এখন ব্যবসার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিকেলে মাতাব্বর হাট এলাকায় মেঘনা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেক মানুষ আসে। এ সময় কোমল পানীয় বিক্রি করতে আসি। কিন্তু মানুষ কম কিনে। এ কারণে ব্যবসা করতে চুড়ি খেলাকে উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোমল পানীয়-এর চেয়ে তারা খেলার জন্য বেশি আসে। এতে আমারও লাভ হয়। খেলায় অংশগ্রহণ করে মানুষও আনন্দ পায়। ঈদ ছুটিতে মানুষ বেশি হওয়ায় আমার ব্যবসাও ভালো চলছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যায় বগুড়ায় ২ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে

বন্যায় বগুড়ায় ২ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বগুড়ায় বন্যা এবং অতি বৃষ্টিতে ডুবে গেছে তিন শতাধিক পুকুর। এতে ভেসে গেছে অন্তত দুই কোটি টাকার মাছ। মাথায় হাত পড়েছে দুই শতাধিক মাছচাষির।

জাল দিয়ে পুকুরের চারপাশ ঘিরে রেখে আটকানো যায়নি পুকুরের মাছ। তীব্র পানির স্রোত আর দ্রুত পানি বৃদ্ধির কারণে এসব পুকুরের মাছ ভেসে নদীতে চলে গেছে। যমুনা নদী পানি কমতে শুরু করলেও অধিকাংশ পুকুরের এখনও পাড় জেগে ওঠেনি।

সোমবার (২২ জুলাই) যমুনা নদীর পানি কমে বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সারিয়াকান্দি উপজেলার নিজবলাইল গ্রামের মৎস্যচাষি সালাউদ্দিন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আমার তিন বিঘা পুকুর বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। পুকুরের মাছ ধরে রাখার জন্য অসংখ্য জাল চারপাশ দিয়ে ঘিরে দেওয়া হলেও পানির স্রোত জালসহ ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। কয়েক লাখ টাকার পোনা মাছ ছাড়াও বড় বড় মাছ ভেসে গেছে এক রাতে।

সোনাতলা উপজেলার দড়ি হাঁসরাজ গ্রামের আছালত জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, অন্যর পুকুর লিজ নিয়ে মাছচাষ করেছিলাম। দুই বিঘা পুকুরে বন্যার পানিতে পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।

Bogura-pond

বগুড়ার সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় বন্যাকবলিত এলাকায় ২২২টি পুকুর ডুবে গেছে। এর বাইরে বাঙ্গালী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গাবতলী ও শেরপুর উপজেলার শতাধিক পুকুর ডুবে গেছে।

বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যাকবলিত সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় ডুবে যাওয়া ২২২টি পুকুরের আয়তন ৩৫ হেক্টর জমি। এসব পুকুরের ৭৪ মেট্রিক টন বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এই তিন উপজেলায় মৎস্যচাষি ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি ৭২ লাখ টাকা।

সোনাতলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, মৎস্যচাষিদের চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। সরকারি সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সহযোগিতা করা হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যাকবলিত তিন উপজেলা ছাড়াও গাবতলী, শেরপুরসহ অন্যান্য উপজেলায়ও অতিবৃষ্টিতে প্রায় ১০০ পুকুর ডুবে গেছে। এসব পুকুর থেকে বেশির ভাগ মাছ ভেসে গেছে। বন্যার পানি নেমে গেলে কী করনীয়, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের এ বিষয়ে গত ১৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া মৎস্য সপ্তাহে দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

সাতক্ষীরায় আ’ লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

সাতক্ষীরায় আ’ লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
নজরুল ইসলামের মরদেহ নিয়ে স্বজনদের আহাজারি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামকে (৪৮) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরতলীর কাসেমপুর স্টোন ব্রিকস্ এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত নজরুল ইসলাম সদরের কুচপুকুর গ্রামের মৃত নিছার আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে নজরুল বাজার করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কাসেমপুর স্টোন ব্রিকসের কাছে এলে সেখানে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঘটনার পর থেকে স্থানীয়রা সাতক্ষীরা-বৈকারি সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন।

a
স্থানীয়রা সাতক্ষীরা-বৈকারি সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম



খবর পেয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুৎমিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

চার বছর আগে তার ভাই সিরাজুল ইসলামকে বোমা মেরে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা। বছর দু’য়েক আগে তার ভাইপো যুবলীগ নেতা রাসেল কবীরকেও গুলি করে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র