Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রেমিকাকে গণধর্ষণ: প্রেমিকই মূল পরিকল্পনাকারী

প্রেমিকাকে গণধর্ষণ: প্রেমিকই মূল পরিকল্পনাকারী
নেত্রকোনায় গণধর্ষণের ঘটনায় আটককৃতরা। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নেত্রকোনা


  • Font increase
  • Font Decrease

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে প্রেমিকা গণধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় তিন ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ওই উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের বৈরাটি গ্রামের রঙ্গ মিয়ার ছেলে টিপু মিয়া, একই গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে আমির হামজা ও সবুজ মিয়ার ছেলে আনোয়ার।

শনিবার (৮ জুন) বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান।

তিনি জানান, ধর্ষিত নারীর কথিত স্বামী সুমনই হল নূরে আলম। তিনি বৈরাটি গ্রামের আব্দুল হামিদ ওরফে শম্ভু মিয়ার ছেলে। নূরে আলম তার পরিচয় গোপন করে ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। ধর্ষিত নারী ও নূরে আলম দুজনই বিবাহিত এবং তাদের সন্তানও রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত তিন ধর্ষকই জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে জানিয়ে ওসি আরও জানান, ধর্ষণের ঘটনাটির মূল পরিকল্পনাকারীই হল কথিত প্রেমিক নূরে আলম ওরফে সুমন।

তিনি আরও জানান, ধর্ষক নূরে আলম ওরফে সুমনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুন রাতে কেন্দুয়া-মদন সড়কের কেন্দুয়া উপজেলার শাপলা ইটখলা নামক এলাকায় প্রেমিক সুমনের (৩৫) সামনে ধর্ষণ করা হয় ৩০ বছর বয়সী ওই নারীকে।

আরও পড়ুন:‘প্রেমিকের’ সামনে গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা

আপনার মতামত লিখুন :

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হত্যা, ধর্ষণ, মাদকসহ দুর্নীতির একের পর এক সংবাদে দেশবাসী যখন উৎকণ্ঠিত তখন বিকাশের ভুল নম্বর থেকে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের শিরফল মিয়া (৪০)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মালিকের হাতে টাকাগুলো তুলে দেন শিরফল মিয়া। শিরফল মিয়া উপজেলা সদরের বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া গ্রামের ফকির চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি।

জানা যায়, গত ১১ জুলাই রাতে শিরফল মিয়ার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা আসে। কিন্তু এতো টাকা কিভাবে আসল তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। ভয়ে কারও সঙ্গে বিষয়টি আলাপও করেননি। পরদিন (১২ জুলাই) তার নম্বরে পটুয়াখালি থেকে মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে টাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সাথে বানিয়াচং ঘুরে যাওয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।

মঙ্গলবার টাকা ফেরত নিতে দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে বানিয়াচং আসেন আল আমিন (২৯)। পরে বিকেলে শিরফল মিয়া তার ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেন। এসময় টাকা ফেরত পেয়ে খুশি হয়ে শিরফল মিয়াকে ২ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক শিব্বির আহমদ আরজু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শেখ সাগর আহমদ ও রেজাউল করিম।

এ টাকা ফেরত পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আল আমিন মিয়া। তিনি বলেন- ‘যখন জানতে পারি ৩০ হাজার টাকা বিকাশের ভুল নম্বরে হবিগঞ্জের বানিয়াচং গিয়েছে তখন ফেরত পাব বলে বিশ্বাস ছিলো। কারণ এখানকার মানুষ অনেক সৎ ও ভালো হিসেবে জানি। সে বিশ্বাসের প্রতিফলন আজ পেয়েছি।’

এ ব্যাপারে শিরফল মিয়া বলেন- ‘ভুল করে টাকা আসতেই পারে। তাই বলে অন্যের টাকা আত্মসাৎ করব এমন শিক্ষা পেয়ে আমি বড় হইনি।’

শিরফল মিয়া বিদেশ ফেরত এক যুবক। তিনি প্রবাস থেকে অর্থ-কড়ি খুইয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রায় ৫ বছর। পেশা হিসেবে টাইলস মিস্ত্রি। কিন্তু ৫ সদস্যের সংসারে অর্থের টানাপোড়েন লেগেই আছে। এমতাবস্থা থেকেও শিরফল মিয়া সেই টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ করেননি। এতে তিনি টাকা ফেরত দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় জাহাঙ্গীর মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর রিকশা চালক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের কাছে রাত ৮টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রিকশা চালক আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে রিকশা চালিয়ে আউশকান্দি বাজারে আসছিল জাহাঙ্গীর। এ সময় মুনিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছা মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাক জাহাঙ্গীরের রিকশাকে চাপা দেয়। এতে রিকশাটি দুমড়ে মুছড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

মহাসড়কের প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহ হাইওয়ে থানায় রয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র