Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লেবুখালী ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

লেবুখালী ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি
লেবুখালীতে যানবাহনগুলোকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের প্রধান ভোগান্তি এখন পটুয়াখালী অংশের লেবুখালী ফেরিঘাটে। লেবুখালী ব্রিজ নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় এই সড়কের দু'পাশে যানবাহনগুলোকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

শনিবার (৮ জুন) দুপুরে লেবুখালী ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

পটুয়াখালী থেকে ঢাকাগামী যাত্রী মর্জিনা আক্তার রুমা বলেন, ‘এক ঘণ্টারও বেশি সময় যাবৎ লেবুখালী ফেরিঘাটে আমরা অপেক্ষা করছি। মহাসড়কের অন্য কোনো অংশে ভোগান্তি ছিল না। তবে লেবুখালী ফেরিঘাট পার হতে এখন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ মোহাম্মদ শামস মোকাদ্দেস জানান, লেবুখালী ফেরিঘাটে দুই পাড়ে মোট তিনটি ফেরিঘাট এবং চারটি ফেরি সচল রয়েছে। তবে ফেরিঘাটে যাতায়াতের পথটি ভালো না থাকায় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান জানান, ফেরিঘাটে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে লেবুখালী ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় কিছুটা ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। ভোগান্তি কমাতে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
ফাইল ছবি

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন ও জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী।

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জেরে গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।

এর আগে গত মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সমাধানের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় নেতারা। এ সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে ১৮ জুলাই থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেন তারা।

বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করছে সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।

সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন জানান, ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী জানান, ঢাকার মহাখালী ও গাবতলীর বাস মালিক সমিতির নেতারা সিরাজগঞ্জে বাস কাউন্টার দাবি করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, আলোচনায় সমাধান না হওয়ায় সিরাজগঞ্জের বাসগুলো ঢাকায় প্রবেশে বাধা দেন ঢাকার মালিক সমিতির নেতারা। এ ঘটনায় গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর প্রতিবাদে আজ থেকে সিরাজগঞ্জে বাস, ট্রাক, মিনিবাস কোচ, কাভার্ডভ্যানসহ রিকশা-ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

কাজিপুরে রিংবাঁধ ভেঙে ৫ হাজার বাড়ি প্লাবিত

কাজিপুরে রিংবাঁধ ভেঙে ৫ হাজার বাড়ি প্লাবিত
রিংবাঁধ ভেঙে পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার আটাপাড়া পয়েন্টে যমুনার কোল ঘেঁষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্মিত রিংবাঁধটি ভেঙে পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে রিংবাঁধটি ভেঙে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্যায় কাজিপুর নতুন মেঘাই এলাকা প্লাবিত হয়ে বাড়িঘরে পানি উঠেছে। অনেকে সর্বস্ব হারিয়ে বিলাপ করছে। বাঁধ ভেঙে রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় কাজিপুর-সোনামুখী সড়কে সরাসরি বাস চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563415465474.jpg

মেঘাই নতুন পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলেয়া, আনিছা ও খোদেজা জানান, হঠাৎ করে একঘণ্টার মধ্যে তাদের বাড়িঘর তলিয়ে যায়। এ কারণে এক কাপড়েই ঘর থেকে বের হতে হয়েছে। আসবাবপত্র সব নষ্ট হয়ে গেছে। রাতে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটিয়েছেন। এখন নৌকা ছাড়া বাড়িতেও যাওয়া সম্ভব না। রান্না করতে না পারায় পরিবারের সবাইকে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। গ্রামের সব মানুষ ওয়াপদা বাঁধের খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেছে।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, ফায়ার সার্ভিস ও দমকল বাহিনীর কর্মীদের সহায়তায় অনেক পানিবন্দী মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। বসতভিটা মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে যাওয়ায় কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ পরিবারের মধ্যে চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563415481999.jpg

এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলার অন্যান্য উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনার পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৮১টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে ২৫৫ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। অধিকাংশ এলাকায় এখনো কোনো ত্রাণ পৌঁছায়নি।

এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। দিনরাত পানির মধ্যে চলাফেরা করায় অনেকের হাত-পায়ে ঘা দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চলে গবাদি পশু রাখার জায়গা না থাকায় কৃষকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র