Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘প্রেমিকের’ সামনে গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা

‘প্রেমিকের’ সামনে গণধর্ষণের শিকার প্রেমিকা
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নেত্রকোনা


  • Font increase
  • Font Decrease

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক প্রেমিকা। এ ঘটনার পর থেকে প্রেমিক উধাও হয়ে গেছেন।

এদিকে ধর্ষিতা ওই নারীকে শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাতে কেন্দুয়া-মদন সড়কের কেন্দুয়া উপজেলার শাপলা ইটখলা নামক এলাকায় প্রেমিক সুমনের (৩৫) সামনে ধর্ষণ করা হয় ৩০ বছর বয়সী ওই নারীকে। পরে তাদের ছেড়ে দিলে সুমন পালিয়ে যায়। এরপর ওই নারী সেখান থেকে একা একটি রিকশায় চড়ে থানায় এসে পুলিশকে ঘটনা জানায়।

এই গণধর্ষণের ঘটনায় নারীর কথিত প্রেমিক সুমনও জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। রাতেই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার বাবার বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা গ্রামে। তিনি ঈদের ছুটিতে বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন।

তবে প্রেমিক সুমনের বাড়ির ঠিকানা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অন্য ধর্ষকদের সঙ্গে এই নারীর প্রেমিকও লাপাত্তা বলে জানিয়েছেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুজ্জামান।

তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ওই প্রেমিকসহ ধর্ষকদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় হাজারো যানবাহন

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় হাজারো যানবাহন
নদী পারের অপেক্ষায় ট্রাক চালকরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

রাজধানী ঢাকায় যাতায়াতের জন্য দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের অন্যতম প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই ঘাট দিয়ে নদী পারের জন্য হাজারো যানবাহনের চালকদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও শ্রমিকরা। বিশেষ করে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে নারী ও শিশুরা। ঘাট এলাকায় টয়লেট এবং পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা না থাকায় বেশি বিপাকে পড়েছে তারা।

জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে এই ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

সরেজমিনে সকাল ৯টায় দেখা যায়, দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে হাজারের উপরে যানবাহন। যাত্রীবাহী বাসগুলোকে প্রায় ৭-৮ ঘণ্টা করে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আর পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে মহাসড়কে দুইদিন এবং টার্মিনালে এক রাত অপেক্ষা করতে হচ্ছে নদী পারের জন্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563420267976.jpg

সোহাগ পরিবহনের যাত্রী প্রান্ত বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যায় এখানে এসেছি। কেবলমাত্র ঘাটের কাছে আসলাম। কখন ফেরিতে উঠবো তা বলতে পারছি না।’

সাতক্ষীরা থেকে আসা ট্রাক চালক কুদ্দুস মিয়া জানান, ‘দুইদিন ধরে রাস্তায়ই পড়ে আছি। আরও কয়দিন থাকতে হয় সেটিই এখন ভাবছি।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এই নৌরুটে চলাচলরত ফেরিগুলোর ইঞ্জিন অনেক দুর্বল হয়ে গেছে। ফেরিগুলোর বয়স অনেক। তাই নদীতে স্রোত বাড়লে ফেরিগুলো স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না। বর্তমানে ১২টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করছি।’

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
ফাইল ছবি

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন ও জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী।

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জেরে গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।

এর আগে গত মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সমাধানের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় নেতারা। এ সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে ১৮ জুলাই থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেন তারা।

বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করছে সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।

সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন জানান, ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী জানান, ঢাকার মহাখালী ও গাবতলীর বাস মালিক সমিতির নেতারা সিরাজগঞ্জে বাস কাউন্টার দাবি করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, আলোচনায় সমাধান না হওয়ায় সিরাজগঞ্জের বাসগুলো ঢাকায় প্রবেশে বাধা দেন ঢাকার মালিক সমিতির নেতারা। এ ঘটনায় গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর প্রতিবাদে আজ থেকে সিরাজগঞ্জে বাস, ট্রাক, মিনিবাস কোচ, কাভার্ডভ্যানসহ রিকশা-ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র