Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে ফারজানা

ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে ফারজানা
ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

'ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেব সবার মাঝে' এই প্রতিপাদ্যে ঈদবস্ত্র ও খাবার নিয়ে অসহায়দের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন নারী স্বেচ্ছাসেবী ফারজানা বিনতে মনির। ঈদের দিন শতাধিক পথশিশু ও ভিক্ষুকের মাঝে খাবার ও ঈদবস্ত্র বিতরণ করেন তিনি।

বুধবার (৫ জুন) ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত ঢাকার মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ৮ নম্বর ও ফার্মগেট এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কল্যাণের দৃষ্টির পক্ষ থেকে এসব বিতরণ করা হয়। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বড় ভাই শাহাদাৎ হোসেন মুন্নাকে নিয়ে অসহায়দের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে ঘর থেকে বের হয়ে পড়েন ফারজানা।

এ সময় মোহাম্মদপুর এলাকায় ৫০ জন অসহায় ও পথশিশুকে ঈদ বস্ত্র দেওয়া হয়েছে। ধানমন্ডি ৮ নম্বর ও ফার্মগেট এলাকায় ৫০ জন অসহায় মানুষকে বিরিয়ানি দেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/05/1559735203006.jpg

জানা গেছে, ফারজানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কল্যাণের দৃষ্টির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকেন। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুরে।

ফারজানা বিনতে মনির বলেন, ‘কল্যাণের দৃষ্টি সংগঠনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও পথ শিশুদের মাঝে ঈদ বস্ত্র এবং খাবার বিতরণের মাধ্যমে ঈদ উদযাপন করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। এই ঈদের দিনে অবহেলিত মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছি। সারাজীবন অবহেলিত মানুষগুলোর পাশে থেকে এভাবেই কাজ করতে চাই।’

আপনার মতামত লিখুন :

কুমার নদে মিলল নিখোঁজ শিশু বক্কারের লাশ

কুমার নদে মিলল নিখোঁজ শিশু বক্কারের লাশ
শিশু আবু বক্কারের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

আপন চাচাতো ভাইয়ের হাতে খুন হওয়া ফরিদপুরের নগরকান্দার শিশু আবু বক্কার খলিফার (৮) গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া এলাকার কুমার নদের কচুরিপানার নিচ থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

আবু বক্কার নগরকান্দা উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামের পাচু খলিফা ও তাছলিমা বেগমের ছেলে। স্থানীয় মেহেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে।

৪ বোন ও ২ ভাইয়ের মধ্যে আবু বক্কার খলিফা পঞ্চম সন্তান। আবু বক্কার খলিফার বাবা পাচু খলিফা পেশায় অটোবাইক চালক। তার মা তাছলিমা বেশ কয়েক বছল সৌদিআরবে ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563360338563.jpg

থানা পুলিশ জানায়, আবু বক্কার ১ জুলাই বিকেলে নিখোঁজ হয়। ১৬ দিন নিখোঁজ থাকার পর বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের মেহেরদিয়া এলাকার কুমার নদের কচুরিপানার নিচ থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার পর ১০ জুলাই নগরকান্দা থানায় জিডি করেন আবু বক্কারের বাবা পাচু খলিফা। এরপর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের আপন চাচাতো ভাই টুকু খলিফার ছেলে জিনদার খলিফাকে (২২) ১৫ জুলাই আটক করা হয়। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মেহেরদিয়া গ্রামের কাঞ্চু শেখের ছেলে অটোবাইক চালক মাহাবুব শেখকে (২৫) আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী লাশ খুঁজে পায় পুলিশ।

এর আগে নিখোঁজের পর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাচু খলিফার কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মিরাজ হোসেন এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পাটুরিয়ায় বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে ট্রাকচালকদের

পাটুরিয়ায় বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে ট্রাকচালকদের
পাটুরিয়ায় গাড়ির নিচেই ঘুমিয়ে নিচ্ছেন ট্রাকের তিন শ্রমিকরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীতে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার যানবাহন পারাপার হয় এ নৌরুট দিয়ে।

পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড স্রোত আর ফেরি স্বল্পতার কারণে ভোগান্তি বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। পদ্মা পারের অপেক্ষায় পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় জমে আছে পণ্যবাহী চার শতাধিক ট্রাক। এছাড়াও শতাধিক বাস নৌরুট পারের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার ট্রাক টার্মিনাল দু’টি কানায় কানায় পূর্ণ দেখা যায়। যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে এসব ট্রাকের চালকদের।

0
পাটুরিয়ায় ট্রাকের দীর্ঘ সারি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

টার্মিনালে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না থাকায় সীমাহীন ভোগান্তির কবলে পড়েছেন তারা। অলস বসে থেকে ব্যাটারিও বসে যাচ্ছে অনেক ট্রাকের। এর ওপর পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ট্রাকচালকদের।

চট্টগ্রাম থেকে বেনাপোলগামী রড বোঝাই ট্রাক নিয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আটকা পড়া চালক শিমুল বিশ্বাস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, সোমবার রাতে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এসেছেন তিনি। বুধবার সকালে এক হাজার ৬০ টাকার টিকিট ১৭শ’ টাকা দিয়ে সংগ্রহ করতে হয়েছে তাকে।

শরিফ মিয়া নামের আরেক চালক জানান, বাড়তি টাকা না দিলে সাত দিনেও নৌরুট পারের টিকিট পাওয়া যাবে না। নদী পার হতে গেলে বাড়তি টাকা দিয়েই টিকিট নিতে হবে। পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আসার পর ট্রাকচালকদের বাড়তি টাকা দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে হয়।

0

নৌরুট পারাপারে ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করলেও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

নদীতে তীব্র স্রোত আর ফেরি স্বল্পতার কারণেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত সার্জেন্ট মো. গোলজার হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার দু’টি ট্রাক টার্মিনালে তিন শতাধিক ও মহাসড়কের উথুলী এলাকায় রয়েছে শতাধিক ট্রাক।
এছাড়াও নৌরুট পারের অপেক্ষায় শতাধিক বাস অপেক্ষমাণ রয়েছে বলেও তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র