Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সঠিক সময়ে ছাড়ছে না পটুয়াখালীগামী লঞ্চ

সঠিক সময়ে ছাড়ছে না পটুয়াখালীগামী লঞ্চ
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। দেশের অনান্য জেলার মতো রাজধানীর সদরঘাটে পটুয়াখালীগামী যাত্রীদের বাড়তি চাপ রয়েছে। কিন্তু ঘাট থেকে সঠিক সময়ে ছেড়ে আসছে না পটুয়াখালীর লঞ্চগুলো।

সোমবার (৩ জুন) সকাল থেকেই সকাল থেকেই ধাপে ধাপে বিভিন্ন এলাকার লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে এমভি এ আর খান এবং এম ভি রাসেল ৪ সদরঘাট থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এছাড়াও এমভি কুয়াকাটা, এমভি কাজল, এমভি সুন্দরবন-৭, এমভি পূবালী-৫ এবং এমভি বাগেরহাট-২ যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে অনেক যাত্রী সেহরি খেয়েই লঞ্চে জায়গা করে নিলেও লঞ্চ ছাড়ার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। ফলে অনেকে বিরক্ত হচ্ছেন।

Patuakhali Lanch

এমভি কুয়াকাটা লঞ্চের যাত্রী আরিফুল হক সম্রাট বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সকাল ১০টায় কেবিনে উঠেছি, এখন দুপুর গড়িয়ে বিকাল। কিন্তু এখনও লঞ্চ ছাড়ার কোনও খবর নেই। আমাদের বলা হয়েছিল, সকালেই লঞ্চ ছেড়ে যাবে। এছাড়া লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে কেবিনে যাত্রীরা কাপড় বিছিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।’

পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাটের ইজারাদার এস এম ফারুক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সোমবার ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে প্রায় ১০টি লঞ্চ ছেড়ে যাবে।’

অধিকাংশ লঞ্চ সন্ধ্যার পর পটুয়াখালী পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সেজন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে লঞ্চঘাট থেকে শুরু করে যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন অলিগলিতেও সিসি ক্যামেরা এবং এলইডি (উচ্চ আলোর) লাইট লাগানো হয়েছে। এছাড়া যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সাতটি খেয়াঘাট আগামী পাঁচ দিনের জন্য টোল ফ্রি করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
ফাইল ছবি

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন ও জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী।

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জেরে গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।

এর আগে গত মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সমাধানের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় নেতারা। এ সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে ১৮ জুলাই থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেন তারা।

বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করছে সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।

সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন জানান, ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী জানান, ঢাকার মহাখালী ও গাবতলীর বাস মালিক সমিতির নেতারা সিরাজগঞ্জে বাস কাউন্টার দাবি করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, আলোচনায় সমাধান না হওয়ায় সিরাজগঞ্জের বাসগুলো ঢাকায় প্রবেশে বাধা দেন ঢাকার মালিক সমিতির নেতারা। এ ঘটনায় গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর প্রতিবাদে আজ থেকে সিরাজগঞ্জে বাস, ট্রাক, মিনিবাস কোচ, কাভার্ডভ্যানসহ রিকশা-ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

কাজিপুরে রিংবাঁধ ভেঙে ৫ হাজার বাড়ি প্লাবিত

কাজিপুরে রিংবাঁধ ভেঙে ৫ হাজার বাড়ি প্লাবিত
রিংবাঁধ ভেঙে পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার আটাপাড়া পয়েন্টে যমুনার কোল ঘেঁষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্মিত রিংবাঁধটি ভেঙে পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে রিংবাঁধটি ভেঙে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্যায় কাজিপুর নতুন মেঘাই এলাকা প্লাবিত হয়ে বাড়িঘরে পানি উঠেছে। অনেকে সর্বস্ব হারিয়ে বিলাপ করছে। বাঁধ ভেঙে রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় কাজিপুর-সোনামুখী সড়কে সরাসরি বাস চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563415465474.jpg

মেঘাই নতুন পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলেয়া, আনিছা ও খোদেজা জানান, হঠাৎ করে একঘণ্টার মধ্যে তাদের বাড়িঘর তলিয়ে যায়। এ কারণে এক কাপড়েই ঘর থেকে বের হতে হয়েছে। আসবাবপত্র সব নষ্ট হয়ে গেছে। রাতে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটিয়েছেন। এখন নৌকা ছাড়া বাড়িতেও যাওয়া সম্ভব না। রান্না করতে না পারায় পরিবারের সবাইকে না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। গ্রামের সব মানুষ ওয়াপদা বাঁধের খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করেছে।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, ফায়ার সার্ভিস ও দমকল বাহিনীর কর্মীদের সহায়তায় অনেক পানিবন্দী মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। বসতভিটা মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে যাওয়ায় কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ পরিবারের মধ্যে চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563415481999.jpg

এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলার অন্যান্য উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনার পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৮১টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে ২৫৫ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। অধিকাংশ এলাকায় এখনো কোনো ত্রাণ পৌঁছায়নি।

এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। দিনরাত পানির মধ্যে চলাফেরা করায় অনেকের হাত-পায়ে ঘা দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চলে গবাদি পশু রাখার জায়গা না থাকায় কৃষকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র