Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সন্তানের ঈদের পোশাক কেনা হলো না বাবার

সন্তানের ঈদের পোশাক কেনা হলো না বাবার
মৃত ফারুকের স্ত্রী ও তার ছেলে / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা চারদিন ভবন নির্মাণের কাজ করছে ফারুক হোসেন (৩২)। রোববার (২ জুন) কাজ শেষে শ্রমের মজুরি পেয়ে একমাত্র সন্তানের জন্য ঈদের পোশাক কেনার কথা। সেই পোশাক আর কেনা হলো না। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তার।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর ভুইঁয়া একাডেমির একটি ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত ফারুক শাহরাস্তি উপজেলার দেবীপুর খন্দকার বাড়ির মুসলিম মিয়ার ছেলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/02/1559491439837.jpg

প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিক ইসমাইল হোসেন বার্তা২৪.কমকে জানান, রামচন্দ্রপুর ভুইঁয়া একাডেমি ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছে। ওই মুহূর্তে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হেলে পড়ে ফারুক। পরে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফারুকের স্ত্রী হালিমা বেগম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমার দুই বছরের ছেলে ফাহাদকে ঈদের পোশাক কিনে দেওয়ার কথা। আজ কাজ শেষে টাকা পেলে ঈদের বাজার করতো। আমার আর কেউ নাই।’

হাজীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আবদুর রশিদ বলেন, ‘মৃত ফারুকের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ফাইল ছবি

লালমনিরহাটের ধরলা নদীর বন্যার পানিতে ডুবে ইশি মনি (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজারের পাশে ধরলা নদী থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

শিশু ইশি মনি সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজার এলাকার মজনু মিয়ার ছেলে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। ওই বন্যার পানি বাড়িতে ওঠায় শিশু ইশি মনিকে উঁচু স্থানে রেখে কাজ করছিল পরিবারের লোকজন। তবে সবার অজান্তে বন্যার পানিতে পড়ে ওই শিশুটির মৃত্যু হয়।

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে
প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির বিবরণ জমা না দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় এক সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে আদালতের হাকিম মো. সেলিম মিয়া আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঐ পুলিশ কর্মকর্তার নাম এস এম বদরুল আলম। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা। এস এম বদরুল আলম বর্তমানে গাজীপুর জেলার হাইওয়ে পুলিশের এএসপি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে এস এম বদরুল আলম যশোরের ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঐ বছরের ৪ মে তার সম্পত্তির হিসাব চেয়ে সাত দিনের মধ্যে তা দুদকে জমা দিতে বলা হয়। বদরুল আলম দুদকের নোটিশের ঐ চিঠিটি ৫ মে গ্রহণ করেন। সেই হিসেবে ১৪ মে’র মধ্যে তার সম্পত্তির হিসাব দেওয়ার কথা ছিল।

বদরুল আলম নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির হিসাব জমা না দেওয়ায় দুদকের ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বদরুল আলমকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে।

মামলা দায়েরের পর বদরুল আলম হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তিকালীন জামিন নেন। হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ২০১৪ সালের ১৬ জুন এ ব্যাপারে একটি রুল জারি করে রুল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বদরুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। গত ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট বদরুল আলমের দায়ের করা রুলটি খারিজ করে দেন।

জেলা দুদকের আইনজীবী নারায়ন চন্দ্র দাস জানান, হাইকোর্ট রুল খারিজ করে দিলেও বদরুল আলম সেই তথ্য গোপন রাখেন। অতপর বুধবার তিনি ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। তবে আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র