Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ায় ধান ওড়ানোর সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে রিয়া খাতুন (৩৪) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১ জুন) বিকেলের দিকে খোকসা উপজেলার মোড়াগাছা ইউনিয়নের হাসিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিয়া খাতুন হাসিমপুর গ্রামের হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী।

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম মেহেদী মাসুদ জানান, দুপুর থেকে ফ্যানের বাতাসে ধান ওড়াচ্ছিলেন রিয়া খাতুন। এ সময় অসাবধানতাবশত পায়ের সঙ্গে বিদ্যুতের তার স্পর্শ করলে স্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

নিম্নমা‌নের ডাইভারশন কেটে বন্যাকবলিতদের বিক্ষোভ

নিম্নমা‌নের ডাইভারশন কেটে বন্যাকবলিতদের বিক্ষোভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

ভুঞাপুর-টাঙ্গাইল সড়‌কের শ্যামপুর ব্রি‌জের নিম্নমা‌নের ডাইভারশন কে‌টে দি‌য়ে বিক্ষোভ করেছেন পানিবন্দী মানুষ। বেইলি ব্রিজ নির্মা‌ণের দাবি জানান বন্যাকবলিত গ্রামবাসী।

শ‌নিবার (২০ জুলাই) দুপু‌রে ওই সড়‌কের ফুলতলা ও শ্যামপুর ডাইভারশ‌ন কে‌টে অব‌রোধ ক‌রে রা‌খেন বিক্ষুব্ধ বানভাসিরা। এতে ওই সড়ক দি‌য়ে সব ধর‌নের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে ১০ গ্রা‌ম প্লাবিত হয়।

tangail

আন্দোলনকারীরা জানান, কা‌লিহাতী উপ‌জেলার ফুলতলা, রৌহা, ভাঙ্গাবা‌ড়ি, চর ভাবলা, হা‌কিমপুর, ভাবলা, মিরপুর, শেরপুর, দেওলাবা‌ড়ি ও রাজাবা‌ড়ির একাংশ এলাকায় বন্যার পা‌নি প্রবেশ ক‌রে। এতে পা‌নি বৃ‌দ্ধি পে‌য়ে ঘরবা‌ড়ি ও রাস্তা ঘাট ত‌লি‌য়ে গে‌ছে। ভুঞাপুর-টাঙ্গাইল সড়‌কের বেশ ক‌য়েক‌টি এলাকায় নতুন সেতু নির্মাণের কাজ চল‌ছে। অথচ সেতুর সাই‌টের নিন্মমা‌নের ডাইভারশন তৈ‌রি করা হয়ে‌ছে। কিন্তু ডাইভারশন নির্মাণ হ‌লেও পা‌নি যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়‌নি। এতে বন্যার পা‌নি আট‌কে দশ‌টি গ্রাম প্লা‌বিত হ‌য়ে‌ছে। ডাইভারশনের পাশাপা‌শি পা‌নি যাতায়া‌তের জন্য বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করতে হ‌বে।

tangail

কা‌লিহাতী উপ‌জেলা সহকা‌রী ক‌মিশনার (ভূমি) শাহ‌রিয়ার রহমান জানান, স্থানীয়রা শ্যামপুর ব্রিজের ডাইভারশন অন্যায়ভা‌বে কে‌টে দি‌য়ে‌ছে। পা‌নি চলাচ‌লের জন্য বিকল্প ব্রিজ নির্মাণ করার প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হ‌য়ে‌ছে।

ত্রাণ পাচ্ছে না দুর্গম চরের বাসিন্দারা!

ত্রাণ পাচ্ছে না দুর্গম চরের বাসিন্দারা!
কমছে যমুনা নদীর পানি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে ধীরগতিতে পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়া মানুষ আর গবাদি পশু একসঙ্গে বসবাস করছে। দুর্গম চরগুলোতে পানিবন্দী মানুষ পর্যাপ্ত ত্রাণের অভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। বিশুদ্ধ পানি এবং গোখাদ্যের সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো ত্রাণ পেলেও দুর্গম চরে আটকে পড়া লোকজন পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছে না।

সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার দুর্গম চর কাজলা ইউনিয়নের বেনুপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য পুটু মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এই গ্রামের ১৬০ পরিবার গবাদি পশু নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। শনিবার পর্যন্ত তারা কোনো প্রকার ত্রাণ সহযোগিতা পায়নি।

তিনি জানান, পানিবন্দী মানুষগুলো এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভাত খেতে পারছে না। অন্যদিকে গবাদি পশুগুলো খাবারের অভাবে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কাজলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ সরকার গত সাড়ে তিন বছরে একবারও চরে আসেননি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563606989785.jpg

তবে কাজলা ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজলা ইউনিয়নে ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছানো হয়েছে।

তিনি জানান, অনেকে বার বার ত্রাণ নেয়ার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।

বোহাইল চরের বাসিন্দা লিটন সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, তাদের এলাকার মানুষ এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে। এখনো অনেকেই ত্রাণ পায়নি।

বোহাইল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানান, ত্রাণ পৌঁছানো হচ্ছে। কিন্তু মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি এবং স্যানিটেশন নিয়ে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, প্রতিদিনই ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৫ হাজার পানিবন্দী পরিবারকে শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে।

বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যা কবলিত সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় ৩১ হাজার ৫৮৫ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিন উপজেলায় দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৩৩৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আরও ৫০০ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র