Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘এবার ঈদে ছুয়ালাক সেমাই খিলাবা পারিম’

‘এবার ঈদে ছুয়ালাক সেমাই খিলাবা পারিম’
নবীন আলোর আয়োজনে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঠাকুরগাঁও


  • Font increase
  • Font Decrease

‘ঈদের দিন সকালে আমার ছুয়ালাক (ছেলে) সেমাই খাইতে চাইছিল। কিন্তু আমরা তো গরিব। সেমাই কিনে ক্যামনে খাওয়ামু। তাই মন খারাপ ছিল। কিন্তু এখন সেমাই উপহার পাইয়া খুব ভালো লাগছে। এবার ঈদে ছুয়ালাক সেমাই খিলাবা পারিম।’

‘ঈদের আনন্দ বিলিয়ে দেই তাদের মাঝে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (১ জুন) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হলরুমে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সেমাই হাতে পেয়ে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন স্থানীয় আমবিয়া খাতুন। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নবীন আলো এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559386400959.jpg

মনের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস নিয়ে আকলিমা বেগম নামে আরেক নারী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘কখনো ভাবি নাই ঈদে আমাদেরকে এভাবে কেউ কিছু দেবে। সেমাই পেয়ে খুব ভালো লাগছে।’

এর আগে সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে এই ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড.কে.এম কামরুজ্জামান সেলিম।

নীবন আলো সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ সিহাবের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহা. সাদেক কুরাইশী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু, আরএসডিও আনন্দ প্রতিবন্ধী স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ইকলিমা খাতুন মিনা, ডা. শুভেন্দু কুমার দেবনাথ, নীবন আলো সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল আল রিয়াদ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

কক্সবাজারের জনগণের উন্নয়নে ১৫০ মিলিয়ন বিশ্বব্যাংকের

কক্সবাজারের জনগণের উন্নয়নে ১৫০ মিলিয়ন বিশ্বব্যাংকের
কক্সবাজারের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্য সেবার যে অবনতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে দেড়শ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। এ অর্থ দিয়ে শুধু স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের অভিজাত একটি হোটেলে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক বলেন, রোহিঙ্গা আসার পরে উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় জনগণের যে ক্ষতি তা কাটিয়ে উঠছে সরকার। কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও সরকারি ক্লিনিকগুলোতে আরও জনবল বাড়াতে পদক্ষেপ নেয়া হবে। পর্যটন এলাকা হিসেবে পর্যটকদের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নেও কাজ করা হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা আসার পরে এইচআইভি যেভাবে মাথাছাড়া দিয়েছে তা প্রতিরোধে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাদের শরীরে এইচআইভি ধরা পড়েছে তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। এটা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। কারণ রোহিঙ্গারা একটি জায়গায় সীমাবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, শুধু কক্সবাজার নয় সারা দেশের সাড়ে ৪০০ ক্লিনিকের উন্নয়নে কাজ চলছে। শিগগিরই এসব ক্লিনিকের সুবিধা ভোগ করবে জনগণ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি বুশরা আলম, স্বাস্থ্য বিভাগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা: শামীম ওসমানী, ডা: হাসান শাহরিয়ার ও কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা: আব্দুল মতিন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রস্তুত ৮৮ হাজার গবাদি পশু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রস্তুত ৮৮ হাজার গবাদি পশু
ছবি: সংগৃহীত

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গরুর খামারিরা। এ জেলায় প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ৮৮ হাজার গবাদি পশু। সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় কোরবানির পশুর সংকট হবে না।

জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৫ উপজেলায় ছোট বড় ও পরিবারিকভাবে ১২ হাজার ৬২৪টি খামারে ৮৭ হাজার ৯৫৪ টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। যার মধ্যে, ষাঁড় ২১ হাজার ৩৮৭টি, বলদ ১৪ হাজার ৮১৪টি, গাভী ১১ হাজার ২৫১টি, মহিষ ৩ হাজার ৫৮টি, ছাগল ২৭ হাজার ৬৭৫টি, ভেড়া ৯ হাজার ৭৫৮টি এবং অন্যান্য রয়েছে ১১টি।

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছর প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু পালন করেন খামারিরা। ক্ষতিকর স্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট বা ইনজেকশন ব্যবহার করেন না তারা। প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবার দিয়ে থাকেন খামারিরা। এবার গো-খাদ্যের দামও তেমন বাড়েনি।

এ খাতের প্রতি সরকার নজর দিলে ভারত থেকে গরু আনার আর প্রয়োজন পড়বে না বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের মীম বরেন্দ্র এগ্রো প্রাইভেট লি. এর মালিক আলী নূর সেলিম জানান, বছরে একটি গরু পালন করতে খরচ হয় ৮৪ হাজার টাকা। তার খামারে বতর্মানে ৮৬টি গরু রয়েছে। নিয়মিত খাবারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য-সম্মতভাবে গরু পালন করা হয়। কোনো প্রকার ক্ষতিকর জাতীয় ট্যাবলেট বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয় না। ইতোমধ্যে গরুর ব্যাপারীরা খামারে এসে গরু দেখে গেছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ঢাকায় গরুগুলো পাঠানো হবে।

জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, ‘খামারিদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে গবাদি পশু পালনের জন্য। প্রতিনিয়ত খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া জেলায় কোরবানির পশুর সংকট হবে না।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র