Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মধু মাসের লিচু হাতের নাগালে

মধু মাসের লিচু হাতের নাগালে
গাছে গাছে লাল টুকটুকে লিচু। ছবি: বার্তা২৪.কম
মাজেদুল হক মানিক
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

সবুজ পাতার সঙ্গে লাল টুকটুকে লিচু। সারি সারি গাছে রঙিন লিচু দৃষ্টি আটকে দেয়। এ যেন লাল সবুজের সমারোহ। বাগানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দৃষ্টি এড়াতে পারেন এমন সাধ্য কার আছে? এই হচ্ছে মেহেরপুর জেলার লিচু বাগানের চিত্র।

এদিকে মধু মাসের অন্যতম ফল লিচু এবার সবার হাতের নাগালে। দাম সাধ্যের মধ্যে থাকায় সব শ্রেণির মানুষ লিচুর স্বাদ নিতে পারছে। এ বছর ফলন বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রচুর পরিমাণে লিচু মিলছে বাজারে। তবে লোকসানের আশঙ্কায় এখনো অনেকেই বাগান থেকে লিচু সংগ্রহ করেননি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559222222261.jpg

জানা গেছে, মেহেরপুর জেলায় প্রতি বছরই বাড়ছে লিচু বাগান। ধান, পাটে লোকসান হওয়ায় অনেকে এখন বাগান করার দিকে নজর দিয়েছেন। এতে কৃষকদের লাভের পাশাপাশি ক্রেতা-ভোক্তারাও পাচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত লিচুর স্বাদ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুম পর্যন্ত ফল দেওয়া লিচু বাগানের পরিমাণ ৫৯৭ হেক্টর। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় মেহেরপুরের লিচুর কদর রয়েছে। এ কারণে লিচু বাগানকে ঘিরে পাইকারি ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও অনেক খুচরা ব্যবসায়ীর কর্মসংস্থান হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559222251737.jpg

এ বছর জেলার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে বোম্বাই, মোজাফফর ও চায়না থ্রি জাতের লিচু। প্রতি পণের (৮০টি) দাম ১২০-১৬০ টাকা পর্যন্ত। গেল বছর স্থানীয় বাজারে প্রতি পোন লিচু বিক্রি হয়েছিল ২০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত। এতে অনেকেই বঞ্চিত হয়েছিলেন লিচুর স্বাদ থেকে।

লিচু ব্যবসায়ী মেহেরপুর শহরের আনরুল ইসলাম জানান, মাস খানেক আগে থেকেই বাজারে লিচু (বীজ থেকে ‍তৈরি গাছ) বিক্রি শুরু হয়। যার দর ছিল সকলের হাতের নাগালে। আর কলম গাছের লিচু বিশেষ করে বোম্বাই, মোজাফফর ও চায়না থ্রি বাজারে এসেছে দুই সপ্তাহ আগে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559222277040.jpg

লিচু ক্রেতা রাইপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, কলম গাছের লিচুর দাম প্রতি বছর একটু বেশি থাকলেও এবার সাধ্যের মধ্যে। ফলে সব শ্রেণি পেশার মানুষ এবার লিচু কিনতে পারছে।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় বন্যায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

গাইবান্ধায় বন্যায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা জেলার চলমান বন্যায় ৭ উপজেলার ৫১ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিবন্দি রয়েছে ফলে ওইসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে।  

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, সাদুল্লাপুর, পলাশবাড়ী, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সমূহে ২৬৪ মাদরাসা, ১৭৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪২ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও অন্যান্য ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠায় আপতত পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563715100769.jpg
 এখনো বিদ্যালয়ের কক্ষে পানি জমে আছে

 

স্থানীয়রা জানান, গাইবান্ধা জেলায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো বিদ্যালয়ের কক্ষে পানি জমে আছে। এ পরিস্থিতিতে বন্ধ করা বিদ্যালয়গুলোর প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। 

শিক্ষার্থী সবুজ মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় লেখাপড়া করার মানসিকতা কমে যাচ্ছে। তবুও চেষ্টা করছি বাড়িতে বসে পড়তে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563715137318.jpg
পানি নেমে গেলে আবারও পাঠদান শুরু করা হবে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসার 

 

আজগর আলী নামের এক অভিভাবক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যায় স্কুল কলেজে পানি উঠায় প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে সন্তানরা পড়তে বসা থেকে বিরত রয়েছে। তাই সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।' 

গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বিদ্যালয়গুলোতে বন্যার পানি জমে থাকায় বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পানি নেমে গেলে আবারও পাঠদান শুরু করা হবে।'

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ
ছবি: প্রতীকী

প্রিয়া সাহা ওরফে প্রিয়া বালা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ মামলাটি খারিজের আদেশ দেন। এর আগে দুপুরে মো. আসাদ উল্লাহ নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সারোয়ার-ই-আলম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, দুপুরে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বিকেলে আদেশের জন্য রাখেন। পরে বিকেলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র হওয়ার পরেও ধর্মীয় শান্তি ও সম্প্রীতির রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। অন্যান্য রাষ্ট্রে মুসলমানরা যে সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশি সুযোগ সুবিধা বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ধর্মের লোকজন ভোগ করছে।

তবে গত ১৬ জুলাই হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা অভি‌যোগ ক‌রে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।’

ওই সময় তিনি আরও বলেন, ‘এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র