Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গোপালগঞ্জে মিষ্টির মধ্যে তেলাপোকা, মালিককে জরিমানা

গোপালগঞ্জে মিষ্টির মধ্যে তেলাপোকা, মালিককে জরিমানা
গোপালগঞ্জে মিষ্টির মধ্যে তেলাপোকা
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
গোপালগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গান্ধিয়াশুর বাজারে মেসার্স সিধু মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এ অভিযান চালিয়ে মিষ্টির পাত্রের মধ্যে মরা তেলাপোকা পায় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর।

এছাড়া ওই দোকানে মিষ্টি তৈরিতে হাইড্রোজ, সোডাও ব্যবহার করারও প্রমাণ পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বাজার অভিযান পরিচালনাকালে এমন অবস্থা দেখা যায়। ওই মিষ্টির দোকানকে এ কারণে গোপালগঞ্জ ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক শামীম হাসান ৪ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এছাড়া এদিন মেসার্স সোনিয়া স্টোর-এ মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, নোংরা অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন ধূলা বালি ও পরিবেশে খোলা অবস্থায় পণ্য বিক্রি ও মূল্য তালিকা না রাখার জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মেসার্স সন্তোষ স্টোরকে মূল্য তালিকা না রাখার জন্য ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় ক্যাব, গোপালগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাহারুল হক বাবলু উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় বন্যায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

গাইবান্ধায় বন্যায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা জেলার চলমান বন্যায় ৭ উপজেলার ৫১ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিবন্দি রয়েছে ফলে ওইসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে।  

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, সাদুল্লাপুর, পলাশবাড়ী, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সমূহে ২৬৪ মাদরাসা, ১৭৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪২ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও অন্যান্য ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠায় আপতত পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563715100769.jpg
 এখনো বিদ্যালয়ের কক্ষে পানি জমে আছে

 

স্থানীয়রা জানান, গাইবান্ধা জেলায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো বিদ্যালয়ের কক্ষে পানি জমে আছে। এ পরিস্থিতিতে বন্ধ করা বিদ্যালয়গুলোর প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। 

শিক্ষার্থী সবুজ মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় লেখাপড়া করার মানসিকতা কমে যাচ্ছে। তবুও চেষ্টা করছি বাড়িতে বসে পড়তে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563715137318.jpg
পানি নেমে গেলে আবারও পাঠদান শুরু করা হবে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসার 

 

আজগর আলী নামের এক অভিভাবক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যায় স্কুল কলেজে পানি উঠায় প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে সন্তানরা পড়তে বসা থেকে বিরত রয়েছে। তাই সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।' 

গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বিদ্যালয়গুলোতে বন্যার পানি জমে থাকায় বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পানি নেমে গেলে আবারও পাঠদান শুরু করা হবে।'

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ
ছবি: প্রতীকী

প্রিয়া সাহা ওরফে প্রিয়া বালা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ মামলাটি খারিজের আদেশ দেন। এর আগে দুপুরে মো. আসাদ উল্লাহ নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সারোয়ার-ই-আলম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, দুপুরে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বিকেলে আদেশের জন্য রাখেন। পরে বিকেলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র হওয়ার পরেও ধর্মীয় শান্তি ও সম্প্রীতির রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। অন্যান্য রাষ্ট্রে মুসলমানরা যে সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশি সুযোগ সুবিধা বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ধর্মের লোকজন ভোগ করছে।

তবে গত ১৬ জুলাই হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা অভি‌যোগ ক‌রে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।’

ওই সময় তিনি আরও বলেন, ‘এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র