Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভোলার নৌযানগুলোতে নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া

ভোলার নৌযানগুলোতে নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া
ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌ ঘাট। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ভোলা


  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই চলছে এ অবস্থা। এ রুটে চলাচলকারী লঞ্চ ও সি-ট্রাকগুলো ঈদকে সামনে রেখে যাত্রীদের জিম্মি করে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দুই থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া নিচ্ছে।

বিষয়টি বিআইডব্লিউটিএ আর স্থানীয় প্রশাসনের জানা থাকলেও যাত্রীদের কাছ থেকে অভিযোগ না পাওয়ার অজুহাতে চুপ রয়েছে তারা।

দক্ষিণাঞ্চল থেকে ভোলা হয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুরসহ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র রুট ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুট। প্রতিদিন এ রুট দিয়ে ফেরি, লঞ্চ এবং সি-ট্রাকের মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করছে। কিন্তু এ রুটে যাত্রীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করছে নৌযান কর্তৃপক্ষ।

যাত্রীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এ রুটে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য হচ্ছে। শুরুতে এ রুটে সি-ট্রাক ও লঞ্চের ভাড়া ছিল ৮০ টাকা। পরবর্তীতে ১শ এবং ১২০ টাকা ও সর্বশেষ ১৫০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। অথচ বিআইডব্লিউটিএর নিয়মানুযায়ী প্রতি কিলোমিটার ১ টাকা ৭০ পয়সা হারে ইলিশা থেকে মজুচৌধুরীর হাটের ২৬ কিলোমিটার দূরত্বের ভাড়া হওয়ার কথা ছিল ৪৫ টাকা। কিন্তু কোনো প্রকার কারণ ছাড়াই কয়েক গুণ বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559208156675.jpg

চট্টগ্রাম থেকে লঞ্চে আসা যাত্রী নয়ন বলেন, ‘মজুচৌধুরীর হাট থেকে ইলিশা এসেছি। আমার কাছ থেকে ১৬০ টাকা ভাড়া নিয়েছে। অথচ এখান থেকে ঢাকার ভাড়াও ১৬০ টাকা।’

লঞ্চের আরেক যাত্রী বিল্লাল জানান, ইলিশা থেকে মজুচৌধুরীর হাট ২৬ মাইল। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া হয় ৪৫ টাকা। অথচ নেয় দেড়শ-দুইশ টাকা।

বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক মো. নাসিম আহমেদ জানান, সরকারি হিসাব মতে এ রুটে ভাড়া ৪৫ টাকার বেশি হওয়ার কথা না। তারপরও স্থানীয় প্রশাসন ভাড়া ১২০ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু লঞ্চ ও সি-ট্রাকের মালিকরা তাও মানছে না।

তবে তিনি জানিয়েছেন, যাত্রীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যে কয়েকটি নৌযানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও কেউ অতিরিক্ত ভাড়া নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে ভেদুরিয়া-লাহারহাট ফেরিসহ অন্যান্য নৌযানগুলোতেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ভোলা থেকে দেশের অন্য কোনো জেলায় যেতে হলে নৌপথ ছাড়া বিকল্প ব্যবস্থা নেই। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই চলাচল করতে হয় যাত্রীদের।

আপনার মতামত লিখুন :

জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে ৪ জনের মৃত্যু

জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে ৪ জনের মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পৃথক ঘটনায় বন্যার পানিতে ডুবে তিন শিশুসহ এক বৃদ্ধ মারা গেছেন।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে সূর্যনগর পূর্বপাড়া গ্রামের শাহীন মিয়ার মেয়ে সুজুনী (১১), একই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের মেয়ে সাথী (৮) ও মাসুদ মিয়ার মেয়ে মৌসুমী (৮) বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে ভেলায় করে খেলতে যায়। ভেলায় খেলার সময় হঠাৎ সেটি উল্টে গেলে পানিতে ডুবে সুজুনী ও সাথী মারা যায়। এ সময় পানিতে ডুবে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয় মৌসুমী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

অপরদিকে মেরুরচর ইউনিয়নের রবিয়ারচর গ্রামের আবদুল শেখ (৭০) নামে এক বৃদ্ধ পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

জানা গেছে, বিকেল ৩টার দিকে আবদুল শেখ তার ঘরের পেছনে বন্যার পানিতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে পড়ে যান। কিছুক্ষণ পর তার লাশ পানিতে ভেসে উঠে।

এছাড়া সাধুরপাড়া ইউনিয়নে কুতুবেরচর গ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে ইয়াছিন মিয়ার ছেলে স্বাধীন মিয়া (৪) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়।

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন
দণ্ডপ্রাপ্ত মাদক ব্যবসায়ী, ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার মিরপুর থানায় দায়েরকৃত মাদক মামলায় মাইক্রোবাস চালকসহ দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুর ২টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী জনাকীর্ণ আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার মিরপুর উপজেলার বালিদাপাড়া গ্রামের হাজি আব্দুল মালেক মন্ডলের ছেলে তাহাজ্জত হোসেন ওরফে সোহেল (৪০) এবং একই এলাকার আনারুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মাইক্রোবাস চালক আমিরুল ইসলাম (২৮)।

এছাড়া এই মামলায় চার আসামির মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার আব্দুস সামাদের ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক এবং আজহার মোল্লার ছেলে আতিয়ার রহমানকে বেকসুর খালাস দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১০ আগস্ট বিকেল পৌনে ৪টায় উপজেলার ধলসা গ্রামে মিরপুর থানা পুলিশের এক মাদক বিরোধী অভিযানকালে একটি মাইক্রোবাস তল্লাশি করে চালকের সিটের নিচ থেকে ২০২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় আসামিদের আটক করে মিরপুর থানা পুলিশ। পরে জব্দকৃত ফেনসিডিলসহ আটককৃতদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে মিরপুর থানা পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র