Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

পটুয়াখালীতে ঈদ উপলক্ষে ৫দিন খেয়া পারাপার ফ্রি

পটুয়াখালীতে ঈদ উপলক্ষে ৫দিন খেয়া পারাপার ফ্রি
পটুয়াখালীতে খেয়া পারাপার, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদের আগের দুই দিন এবং ঈদের পরের দুই দিনসহ মোট ৫দিন পটুয়াখালী পৌরসভার নিয়ন্ত্রিত পাঁচটি খেয়াঘাটে সাধারণ মানুষের পারাপার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছেন পৌর মেয়র মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ। এর ফলে খেয়াঘাট গুলোতে দুর্ভোগ কমবে বলে মনে করছেন জেলাবাসী।

পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে এটি একটি ঈদ উপহার। ঈদের সময়ে খেয়াঘাট গুলোতে নানা অনিয়ম এবং ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়। এ কারণে ঈদের আগে এবং পরে মোট ৫দিন পৌরসভা যাত্রীদের কাছ থেকে কোনও টোল আদায় করা হবে না।

বর্তমানে পটুয়াখালী পৌরসভার নিয়ন্ত্রিত খেয়াঘাট গুলো হচ্ছে লোহালিয়া খেয়াঘাট, পুরান বাজার মসজিদ ঘাট খেয়াঘাট, পুরান বাজার বনিকপট্টি খেয়াঘাট, মুরাদিয়া খেয়াঘাট, লাউকাঠী খেয়াঘাট, নিউমার্কেট খেয়াঘাট এবং ফটিকের খেয়াঘাট।

এদিকে পটুয়াখালী পৌরসভার নিয়ন্ত্রিত খেয়াঘাট গুলোতে যে কোনও ভোগান্তি লাগব করতে এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং এর জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মিয়ানমারের উপর আস্থা রাখা বোকামি, সমাবেশে রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারের উপর আস্থা রাখা বোকামি, সমাবেশে রোহিঙ্গারা
উখিয়ার ক্যাম্প এক্স:-৪ এ দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুতুপালং ক্যাম্প থেকে: নিজেদের নাগরিক অধিকার ও হারানো ভিটে-মাটি ফিরে পাওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ থেকে আলোচনা করা হবে। ৫ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাও মিয়ানমার ফিরবে না। কারণ, মিয়ানমার সরকারের উপর আস্থা রাখা বোকামি।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে উখিয়ার ক্যাম্প এক্স:-৪ এ দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত মহাসমাবেশে এসব কথা বলেন রোহিঙ্গা নেতারা। এ সময় উপস্থিত লাখো রোহিঙ্গা তাদের অধিকার ফিরে পেলে মিয়ানমার ফিরবেন বলে মত দেন।

সমাবেশে ঘোষণাকৃত দাবি হলো, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক হিসেবে মেনে নিতে হবে। নিরাপত্তা ও অবাধে চলাচলের স্বাধীনতা। নিজেদের হারানো ভিটে-মাটি ফেরত দিতে হবে। ২৫ আগস্টের নির্যাতনের বিচার করতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566715967383.jpg

আরকান রোহিঙ্গা সোসাইটির নেতা মাস্টার মুহিব উল্লাহ বলেন, মিয়ানমার সেনা ও মগদের নির্যাতনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাসমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গারা এখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে শুধু অধিকার ফিরে পেতে। আমরা নিজেদের দেশে ফিরতে চাই। কিন্তু অধিকার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ছাড়া কখনো ফিরবো না। মিয়ানমার সরকারের উপর আস্থা রাখা বোকামি।

আরেক রোহিঙ্গা নেতা আব্দুর রহিম বলেন, বাংলাদেশে থাকার ইচ্ছে আমাদের নেই। তবে বিপদে পড়ে আমরা শরণার্থী। আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের সরকার, নাগরিকের প্রতিকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তবে দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা ফিরে গেলে আবারও নির্যাতন হতে পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566716210526.jpg

মিয়ানমার সরকার আলোচনার কথা বলে আমাদের সাথে চলনা করছে উল্লেখ্য করে রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, যেখানে গত বৈঠকে আরো আলোচনার সিদ্ধান্ত হয় সেখানে হঠাৎ প্রত্যাবাসনের ঘোষণা দেয় মিয়ানমির সরকার। কিন্তু বৈঠকে দাবি মানার বিষয়ে আরও আলোচনার কথা বলাহয়েছিল, সেখানে প্রত্যাবাসনের ঘোষণা অবান্তর ও হাস্যকর।

সমাবেশে আসা রোহিঙ্গা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যে দাবিগুলো দেয়া হয়েছে তা আমাদের অধিকার। মিয়ানমার সরকার আমাদের অধিকার দিতে রাজি নয়। তাই এত চলনা করছে। দাবি না মানা পর্যন্ত মিয়ানমারে ফিরে যাবো না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566716121494.jpg

এদিকে, সমাবেশে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা নুরুল ইসলাম। মোনাজাতে নিজেদের নাগরিক অধিকার ও আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের জন্য দোয়া কামনা করা হয়।

এছাড়া মধুছড়া ক্যাম্প ও ২৪ নং ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ক্যাম্পে সমাবেশ করছে রোহিঙ্গারা।

উল্লেখ্য, রোববার (২৫ আগস্ট) রোহিঙ্গা সংকটের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০১৭ সালের এ দিনে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। এরপর থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গারা। বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ।

ঝিনাইদহে পাটের দরপতনে লোকসানে চাষি

ঝিনাইদহে পাটের দরপতনে লোকসানে চাষি
পাট শুকাতে দিচ্ছেন এক গৃহিণী

চলতি মৌসুমে এবার ঝিনাইদহের ৬ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। ফলন ভালো হলেও পাটের দরপতনে লোকসানে চাষিরা। জেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি হচ্ছে।২ সপ্তাহের ব্যবধানে এমন দরপতন বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেওয়া তথ্য মতে, এ বছর জেলার ৬ উপজেলায় ২০ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ২ হাজার হেক্টর বেশি। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৪ হাজার ৯০০, কালীগঞ্জে ১ হাজার ৩৪০, কোটচাঁদপুরে ৬৫০, মহেশপুরে ৩ হাজার ১৫০, শৈলকুপায় ৭ হাজার ১৩৫ ও হরিণাকুন্ডুতে ৩ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়েছে।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের কৃষক রুহুল আমিন বলেন, নতুন পাট উঠার পর প্রতি মণ এক হাজার ৮০০ টাকা থেকে সাড়ে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। এখন দাম প্রতি মণে প্রায় ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০  টাকা কমে গেছে। বর্তমানে পাট মণ প্রতি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪০০ টাকা থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা দরে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566713731620.jpg

সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কৃষক মফিদুল ইসলাম বলেন, গত ২ সপ্তাহের ব্যবধানে পাটের দাম কমে গেছে। শুরুতে পাটের দাম ভালো ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

একই উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের কৃষক লিল্টন বলেন, এ বছর তিনি ৪ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছিলেন। বৃষ্টিপাত কম হওয়া আর নদী বা জলাশয়ে পানি না থাকার কারণে জমি থেকে দূরবর্তী স্থানে গিয়ে পাট জাগ দিতে হয়েছে। এতে খরচ বেড়ে গেছে। কিন্তু এখন পাটের যা দাম তাতে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জি এম আব্দুর রউফ বলেন, যাদের পাট আগে উঠেছিল তারা দাম ভালো হয়েছে। পাটের আমদানি বাড়ার পর দাম কমে গেছে। কৃষি বিভাগ শুধু উৎপাদন নিয়ে কাজ করে। বাজারতাজ করণের তাদের কিছু করণীয় নেই। এ ব্যাপারে কৃষকদের কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন খরচ কম করানোর পরামর্শ দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র