Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পাবনায় দুই মাদক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

পাবনায় দুই মাদক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
পাবনা


  • Font increase
  • Font Decrease

পাবনার ঈশ্বরদীর নির্মাণাধীন একটি ভবন ও পুকুরের পাড় থেকে পৃথক দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ মে) সকালে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও আরেকজন মাদকসেবী।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, সকালে ঈশ্বরদী পৌর সদরের চারা বটতলা গোকুলনগর মহল্লায় জনৈক লাভলুর নির্মাণাধীন ভবনের ভেতর থেকে আলতাফ মণ্ডল (৫৫) নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আলতাফ পৌর সদরের স্কুলপাড়া মহল্লার মৃত আবেদ আলী মণ্ডলের ছেলে।

পুলিশের দাবি, নিহত আলতাফ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের একজন। তার বিরুদ্ধে থানায় ১২টি মাদক মামলা রয়েছে। মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

অপরদিকে উপজেলার চকনারিচা বাগবাড়িয়া গ্রামে শাকিব হোসেন (২০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত শাকিব ওই গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে।

ওসি বাহাউদ্দিনের দাবি, বাবার সঙ্গে মায়ের ডিভোর্সের পর শাকিব তার নানা বাড়িতে থাকে। শুক্রবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি তিনি। শনিবার (২৫ মে) সকালে বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়া হয়। পরে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, নিহত শাকিব মাদকসেবী ছিল। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।

লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।

আপনার মতামত লিখুন :

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় হাজারো যানবাহন

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় হাজারো যানবাহন
নদী পারের অপেক্ষায় ট্রাক চালকরা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

রাজধানী ঢাকায় যাতায়াতের জন্য দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের অন্যতম প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই ঘাট দিয়ে নদী পারের জন্য হাজারো যানবাহনের চালকদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও শ্রমিকরা। বিশেষ করে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে নারী ও শিশুরা। ঘাট এলাকায় টয়লেট এবং পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা না থাকায় বেশি বিপাকে পড়েছে তারা।

জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে এই ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

সরেজমিনে সকাল ৯টায় দেখা যায়, দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে হাজারের উপরে যানবাহন। যাত্রীবাহী বাসগুলোকে প্রায় ৭-৮ ঘণ্টা করে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আর পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে মহাসড়কে দুইদিন এবং টার্মিনালে এক রাত অপেক্ষা করতে হচ্ছে নদী পারের জন্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563420267976.jpg

সোহাগ পরিবহনের যাত্রী প্রান্ত বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যায় এখানে এসেছি। কেবলমাত্র ঘাটের কাছে আসলাম। কখন ফেরিতে উঠবো তা বলতে পারছি না।’

সাতক্ষীরা থেকে আসা ট্রাক চালক কুদ্দুস মিয়া জানান, ‘দুইদিন ধরে রাস্তায়ই পড়ে আছি। আরও কয়দিন থাকতে হয় সেটিই এখন ভাবছি।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এই নৌরুটে চলাচলরত ফেরিগুলোর ইঞ্জিন অনেক দুর্বল হয়ে গেছে। ফেরিগুলোর বয়স অনেক। তাই নদীতে স্রোত বাড়লে ফেরিগুলো স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না। বর্তমানে ১২টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করছি।’

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
ফাইল ছবি

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন ও জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী।

ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জেরে গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।

এর আগে গত মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সমাধানের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় নেতারা। এ সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে ১৮ জুলাই থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেন তারা।

বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করছে সিরাজগঞ্জ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।

সিরাজগঞ্জ জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল ইসলাম লিটন জানান, ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী জানান, ঢাকার মহাখালী ও গাবতলীর বাস মালিক সমিতির নেতারা সিরাজগঞ্জে বাস কাউন্টার দাবি করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, আলোচনায় সমাধান না হওয়ায় সিরাজগঞ্জের বাসগুলো ঢাকায় প্রবেশে বাধা দেন ঢাকার মালিক সমিতির নেতারা। এ ঘটনায় গত ছয় দিন ধরে ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর প্রতিবাদে আজ থেকে সিরাজগঞ্জে বাস, ট্রাক, মিনিবাস কোচ, কাভার্ডভ্যানসহ রিকশা-ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র