Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা নেই পাটুরিয়া ফেরিঘাটে

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা নেই পাটুরিয়া ফেরিঘাটে
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুট প্রস্তুত, ছবি: সংগৃহীত
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

ভোগান্তি আর দুর্ভোগের অপর নাম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুট। যেকোনো উৎসব আর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘন্টার পর ঘন্টা ভোগান্তি পোহাতে হয় এই নৌ-রুটে আগত যাত্রী ও পরিবহন শ্রমকিদের।

রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার কয়েক লাখ মানুষের অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুট। বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি মিলে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার যানবাহন পারাপার হয় এই নৌ-রুট দিয়ে।

তবে ঈদের মধ্যে বাড়তি যানবাহনের চাপ থাকায় যানবাহন পারাপারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় দ্বিগুণ থেকে তিন গুণে। এ জন্য ঈদের তিনদিন আগে ও পরে বন্ধ থাকবে সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার। তবে জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার থাকবে স্বাভাবিক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558657048150.jpg

আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন। পাটুরিয়া- দৌলতদিয়া নৌ-রুটে এখন যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে ছোট বড় মিলে মোট ১৬টি ফেরি। তবে খুব শীঘ্রই ওই বহরে যুক্ত হবে আরও চারটি ফেরি।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণজ্যি বিভাগের সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, ঈদে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ছোট বড় মিলে মোট ২০টি ফেরি চলাচল করবে। কোনো ধরণরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারের ঈদে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কোনো ধরণের ভোগান্তির আশঙ্কা নেই বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে লক্কর-ঝক্কর ও পুরাতন ফেরিগুলোকে প্রয়োজন অনুযায়ী মেরামত করে যানবাহন পারাপারের উপযোগী করা হয়েছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এনামুল হক।

বিআইডব্লিউটিএ আরিচা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) ফরিদুল ইসলাম জানান, ফেরির পাশাপাশি যাত্রী পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌ-রুটে চলাচল করবে ছোট বড় মিলে মোট ৩৪টি লঞ্চ। যাত্রীর চাপ অনুযায়ী উভয় নৌ-রুট এলাকায় লঞ্চগুলো চলাচল করবে বলেও জানান তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558657074426.jpg

শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ জানান, যাত্রাপথে অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় কাজ করবে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম। এ ছাড়া যাত্রী ও পরবিহন চালকদরে সুবিধার্থে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় অস্থায়ীভাবে ২০টি শৈচাগার নির্মাণ করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম জানান, ফেরিঘাট এলাকা দিয়ে যাতায়াত করা লাখো মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ জেলার প্রায় ৩৬ কিলোমিটার অংশে মোতায়েন থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৫ শতাধিক সদস্য।

এ ছাড়া ফেরিঘাট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য মহাসড়ক ও ফেরিঘাট এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। সব মিলিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের কোনো কমতি নেই বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ

কানে ট্যাগ লাগিয়ে বেওয়ারিশ গরু নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ
হলুদ রঙের এ ট্যাগ লাগানো হবে গরুর কানে, ছবি: বার্তা২৪.কম

পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘুরে বেড়ানো গরুর মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গরুর কানে বিশেষ ধরনের ট্যাগ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে গরুর মালিকানা নির্ধারণ করে ঘুড়ে বেড়ানো গরুগুলোর মালিকদের কাছ থেকে প্রথমে আর্থিক জরিমানা আদায় করা হবে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, শহরে কয়েকশ’ গরু দিনে এবং রাতে বেওয়ারিশ ভাবে ঘোরাফেরা করে রাস্তায় মলমূত্র ত্যাগ করে পরিবেশ নষ্ট করছে। এছাড়া এসব গরু বিভিন্ন সড়ক এবং বাসা বাড়ির গাছ পালা খেয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে, বিঘ্ন ঘটাচ্ছে যান চলাচলে। বিভিন্ন সময় গবাদিপশু আটক করলেও মালিকরা তা আর নিতে আসেন না। এজন্য পশুর খাবার এবং পরিচর্যা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

আর সে কারণেই এখন থেকে বেওয়ারিশ গরু আটক করে গরুর কানে নম্বর যুক্ত ট্যাগ লাগানো হবে। একাধিকবার জরিমানার পর মালিকদের বিরুদ্ধে পৌরসভার বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, গত কয়েক বছর ধরে পটুয়াখালী শহরের কিছু মানুষ গবাদিপশু না বেঁধে খোলা ভাবে লালন পালন করছে। এর ফলে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিভিন্ন সভা সেমিনার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

অগ্নিদগ্ধ কলেজছাত্রী ফুলন রানী মারা গেছেন

অগ্নিদগ্ধ কলেজছাত্রী ফুলন রানী মারা গেছেন
কলেজছাত্রী ফুলন রানীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা/ ফাইল ছবি

অবশেষে ১৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর জীবনযুদ্ধে হেরে গেলেন নরসিংদীর অগ্নিদগ্ধ কলেজছাত্রী ফুলন রানী বর্মণ (২২)।

বুধবার (২৬ জুন) সকালে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে তার মৃত্যু হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুল গাফফার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১৩ জুন রাত সাড়ে ৮টায় শহরের বীরপুর মহল্লায় পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে সদাই কিনে বাসায় ফেরার পথে ফুলনের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে তার শরীরের ১২ ভাগ পুড়ে যাওয়া অবস্থায় প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ফুলন শহরের বীরপুর মহল্লার যোগেন্দ্র চন্দ্র বর্মণের মেয়ে। তিনি ২০১৮ সালে শহরের উদয়ন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

এ ঘটনায় পরদিন (১৪ জুন) অগ্নিদগ্ধ ফুলন রানীর বাবা যোগেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে ঘটনার তদন্তে নেমে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ একাধিক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে রহস্য উদঘাটিত হয়।

পরে ২১ জুন (শুক্রবার) নরসিংদীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমীন আক্তার পিংকির আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ফুলনের পরিবারের প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই ফুলনের গায়ে পরিকল্পিতভাবে আগুন দেওয়ার কথা স্বীকার করেন রাজু সুত্রধর নামে এক আসামি।

পরদিন একই ধরনের স্বীকরোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন ফুলনের ফুফাতো ভাই ভবতোষ বর্মণ। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২৫ জুন) জবানবন্দি প্রদান করেন অপর আসামি আনন্দ বর্মণ।

ফুলনের ফুফাতো ভাই ভবতোষ বর্মণের পরিকল্পনায় রাজু সূত্রধর ও আনন্দ বর্মণ নামে দুই সহযোগী আগুন দেওয়ার ঘটনায় অংশ নেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র