Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

৪২ লাখ টাকার ইয়াবা ফেলে ভারতে চম্পট চোরাকারবারি

৪২ লাখ টাকার ইয়াবা ফেলে ভারতে চম্পট চোরাকারবারি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে উদ্ধার করা ৪২ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৪২ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ফেলে ভারতে পালিয়েছে চোরাকারবারি। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুর দেড়টার দিকে ১২ নং পাকা ইউনিয়নের কালুপুর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

৫৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওয়াহেদপুর বিওপির একটি টহলদল হাবিলদার মো. আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে সীমান্ত পিলার ১৩/১ এস হতে আনুমানিক ২০ গজ বাংলাদেশের অভ্যান্তরে শিবগঞ্জ উপজেলার ১২ নং পাকা ইউনিয়নের কালুপুর মাঠ নামক এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের অংশ হিসেবে টহলদল কর্তৃক ফাঁদ পেতে থাকলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার হাতে থাকা একটি ব্যাগ বহন করে কালুপুর মাঠের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসতে থাকে।

এ সময় ওই ব্যক্তি বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তার হাতে থাকা ব্যাগটি ফেলে ভারতের দিকে পালিয়ে যায়। ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে ৪২ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন :

১০ বছর পর সড়ক সংস্কারে স্বস্তিতে এলাকাবাসী

১০ বছর পর সড়ক সংস্কারে স্বস্তিতে এলাকাবাসী
হাজীগঞ্জ উপজেলা লাওকোরা মুক্তিযোদ্ধা সড়ক সংস্কার করা হয়, ছবি: বার্তা২৪

প্রায় ১০ বছর পর চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা লাওকোরা মুক্তিযোদ্ধা সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। গত বুধবার (২৬ জুন) ওই সড়কের উয়ারুক স্টেশন থেকে টঙ্গীরপাড় পর্যন্ত পিচ ঢালাই করা হয়। এতে উপজেলার ৮নং হাটিলা ইউনিয়নের প্রায় আটটি গ্রামের অর্ধ লাখ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এলজিডির মেরামত কর্মসূচির আওতায় ৯৪ লাখ টাকা ব্যায়ে প্রায় তিন কিলো মিটার সড়কের সংস্কার করা হলো। বিশেষ করে টঙ্গীরপাড় প্রধানীয়া বাড়ির সামনে ৩০০ মিটার সড়ক সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

দীর্ঘদিন সড়কটি মেরামত না হওয়ায় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। সড়কটি সংস্কার হওয়ায় এখন দুর্ভোগ কমবে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘মামলা জটিলতায় ইউনিয়নের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হয়নি। স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কাজটি শেষ হয়েছে। আমরা সংসদ সদস্যের কাছে কৃতজ্ঞ।’

সড়ক সংস্কার কাজের ঠিকাদার আকবর মৃধা জানান, কাজটি শেষ হওয়ায় জনগণের দুর্ভোগ কমবে।

উপজেলা প্রকৌশলী রাহাত আমিন পাটওয়ারী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সড়কটির কিছু অংশ সংস্কারে আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় ২০১০-২০১৫ সাল পর্যন্ত কাজ করা যায়নি। আর ২০১৬ সালের পর স্থগিতাদেশ নবায়ন করেননি অভিযোগকারী জহির উদ্দিন বাবর চৌধুরী। ফলে ২০১৯ সালে নতুন বরাদ্দ এনে কাজটি শেষ করা হয়েছে।’

রেললাইনের নাট কাপড়ে বাঁধা, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন

রেললাইনের নাট কাপড়ে বাঁধা, ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন
রেললাইনের নাট কাপড়ে বাঁধা, ছবি: বার্তা২৪.কম

কোথাও রেললাইন পাথর শূন্য। কোথাও রেললাইনের ফিশপ্লেটে নেই নাট-বল্ট। কোথাও আবার রেললাইনের ফিশপ্লেটের নড়বড়ে নাট-বল্ট পুরনো কাপড় দিয়ে বাঁধা। ট্রেন চলাচলের সময় রেললাইন নড়েচড়ে ওঠে। শব্দ হয় বিকট। যাত্রীরাও থাকেন আতঙ্কের মধ্যে।

এ চিত্র ময়মনসিংহের গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফরমের তিনটি রেললাইনের। প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্লাটফরম ও এর বাইরেও রেললাইনের অনেক স্থানে পর্যাপ্ত পাথর নেই, নেই ফিশপ্লেটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নাট-বল্ট। ফলে ঝুঁকি নিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। এতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যে কোনো সময়।

i
চারটির মধ্যে তিনটি নাট-বল্ট আছে, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

এ বিষয়ে গৌরীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদ সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম মিন্টু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রেললাইনের ফিশপ্লেটের নাট-বল্ট, হুক, ক্লিপ পুরনো হয়ে যাওয়ায় ট্রেন চলাচলের সময় খুলে পড়ে যায়। অনেক সময় আবার চুরিও হয়। দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন। নয়তো কুলাউড়ার মতো এখানেও ট্রেন দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।’

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিনটি রেলপথে প্রতিদিন আন্তঃনগর, লোকাল, কমিউটার ও মেইল ট্রেনসহ ৩২টি ট্রেন আসা যাওয়া করে। স্টেশনের প্লাটফরমে ট্রেন চলাচলের জন্য পাঁচটি পৃথক লাইন রয়েছে। কিন্তু দু’টি রেললাইন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় তিনটি দিয়ে ট্রেন চলাচল করে।

বুধবার বিকেলে গৌরীপুর স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, স্টেশন এলাকার চকপাড়া রেলগেট থেকে পশ্চিম ভালুকা পর্যন্ত এলাকায় তিনটি রেললাইনের অধিকাংশ জায়গা পাথর শূন্য। তিন রেললাইনের অর্ধ শতাধিক ফিশপ্লেটে পর্যাপ্ত নাট-বল্ট নেই। প্রতিটি ফিশপ্লেটে চারটি করে নাট-বল্ট থাকার কথা। কিন্তু এসব ফিশপ্লেটে তিনটি কিংবা দু’টি করে নাট-বল্ট রয়েছে। রেলওয়ের উপসহকারী কার্যালয়ের সামনে এক ও দুই নম্বর লাইনের কয়েকটি স্থানে ফিশপ্লেটে চারটি নাট-বল্ট মধ্যে কোথাও তিনটি, দু’টি দেখা গেছে। আউটার সিগন্যাল এলাকায় রেললাইনের সংযোগস্থলের হুক বের হয়ে গেছে।

স্টেশনের প্লাটফরম এলাকা সংলগ্ন দুই নম্বর রেললাইনের বিভিন্ন জায়গায় ফিশপ্লেটে পর্যাপ্ত নাট-বল্ট নেই। এখানকার এক জায়গায় ফিশপ্লেটের নড়বড়ে নাট-বল্ট বেঁধে রাখা হয়েছে পুরনো কাপড় দিয়ে।

n
রেললাইনের কিছু স্থানে হুক নেই, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

অপরদিকে স্টেশনের প্লাটফরম সংলগ্ন তিন নম্বর রেললাইনের অবস্থা অন্য দুই রেললাইনের চেয়ে তুলনামূলক ভালো। তবে ওই লাইনেও টিসিএম টেলিকম অফিসের সামনে ও রেলওয়ে কোয়ার্টার এলাকায় বেশ কয়েকটি জায়গায় রেললাইনের ফিশপ্লেটে চারটির বদলে তিনটি করে নাট-বল্ট দেখা গেছে।

গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আব্দুর রশিদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রেললাইনের ফিশপ্লেটে চারটি করে নাট-বল্ট থাকে। তিনটি থাকলে ট্রেন চলাচল করতে বড় ঝুঁকি থাকে না। কিন্তু দু’টি থাকলে ঝুঁকি থেকে যায়। কিন্তু এই সেক্টরটা আমার আওতাধীন নয়, এটা রেলওয়ের যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগ দেখভাল করে।’

গৌরীপুর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, রেলওয়ের এসব ত্রুটি মেরামত করার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র