Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

সঙ্গীত গুরু খালিদ হোসেনের দাফন সম্পন্ন

সঙ্গীত গুরু খালিদ হোসেনের দাফন সম্পন্ন
সঙ্গীত গুরু খালিদ হোসেনের নামাজে জানাজা, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

একুশে পদকপ্রাপ্ত নজরুল সঙ্গীতের বরেণ্য শিল্পী, গবেষক, স্বরলিপিকার ও সঙ্গীত গুরু খালিদ হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ১০টা কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে তৃতীয় নামাজে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

জানাজা নামাজে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সাংসদ মাহবুব আলম হানিফের প্রতিনিধি আতাউর রহমান আতা, কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহিন সরকারসহ সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেয়।

বুধবার ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) তিনি ইন্তেকাল করেন।

খালিদ হোসেনের বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি হৃদরোগে ভুগছিলেন।

খালিদ হোসেনের জন্ম ১৯৩৫ সালের ৪ ডিসেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরে। দেশ ভাগের পর মা-বাবার সঙ্গে তিনি চলে আসেন কুষ্টিয়ার কোর্টপাড়ায়। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে ঢাকায় ছিলেন।
নজরুলসঙ্গীতের শিক্ষকতার সাথে জড়িত ছিলেন দীর্ঘ দিন। দেশে ও বিদেশে রয়েছে তার অসংখ্য ছাত্রছাত্রী। তিনি একুশে পদক পেয়েছেন ২০০০ সালে।

এ ছাড়া পেয়েছেন নজরুল একাডেমি পদক, শিল্পকলা একাডেমি পদক, কলকাতা থেকে চুরুলিয়া পদকসহ অসংখ্য সম্মাননা। খালিদ হোসেনের গাওয়া নজরুলসঙ্গীতের ছয়টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। আরও আছে একটি আধুনিক গানের অ্যালবাম ও ইসলামি গানের ১২টি অ্যালবাম।

খালিদ হোসেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ টেক্সট বুক বোর্ডে সঙ্গীত নিয়ে প্রশিক্ষক ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন

বিয়ের আসর থেকে বরের পলায়ন
ছবি: সংগৃহীত

রান্না বান্না প্রায় শেষ। বরসহ কয়েকজন বরযাত্রী উপস্থিত হয়েছেন। অতি গোপনে হলেও বিয়ে বাড়ি বলে কথা। তাই লোকজনের আনাগোনা। এর মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু। টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলেন বর।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী খাসমহল গ্রামের। রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ফেলে পালিয়ে যায় বরপক্ষ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুখময় সরকার বলেন, খাসমহল গ্রামের কালু মণ্ডলের মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বিয়ে ঠিক হয় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। রাতে কালু মণ্ডলের বাড়িতে গোপনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে আমরা অভিযানে গেলে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা-মা লিখিত মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা বিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুষ্টিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ আটক ৩

কুষ্টিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ আটক ৩
পিস্তল ও মাদকসহ আটক তিনজন (মাঝে), ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুষ্টিয়ায় অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, গুলি, ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেলে কুষ্টিয়া পূর্ব মিলপাড়ার শেখ আয়নাল আলী হেলাল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, চার রাউন্ড গুলি, ৭৭ বোতল ফেনসিডিল, পাঁচশ’ গ্রাম গাঁজাসহ উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-কুষ্টিয়া পূর্বপাড়ার শেখ আয়নাল আলী হেলাল (৫৬), কুমারখালী উপজেলার চড়াইকোল গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪৩) ও কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ মণ্ডলপাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪৪)।

কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র