Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

নাটোরে ডিম ভাঙার ঘটনায় ওসি ক্লোজড

নাটোরে ডিম ভাঙার ঘটনায় ওসি ক্লোজড
ক্লোজড হওয়া এম আলীম সিকদার, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নাটোর


  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ডিম ভাঙার ঘটনায় এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তের প্রেক্ষিতে- বিকেলে ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আলীম সিকদারকে বগুড়া হাইওয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ক্লোজড (সংযুক্ত) করা হয়েছে।

একই সঙ্গে দেলোয়ার হোসেন নামে নতুন ওসি যোগদান করেছেন। বগুড়া হাইওয়ে রেঞ্জের পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে এই ঘটনায় একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক, একজন সহকারী ট্রাফিক উপ-পরিদর্শক, পুলিশ পিকআপের চালক ও তিনজন কনস্টবলসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ মে) তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম তদন্ত শেষ করে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে এ প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ঘুষ না দেওয়ায় তিন লাখ টাকার ডিম রাস্তায় ফেলে দিল পুলিশ!

তিনি সাংবাদিকদের জানান, তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার পর হেড কোয়ার্টারের মিডিয়া সেল প্রেস ব্রিফিং করে এই বিষয়ে সাংবাদিকদের আপডেট তথ্য প্রদান করবে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে পিকআপ ভর্তি মুরগীর ডিম ভাঙার পর তদন্ত কমিটির প্রধান শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সাথে কথা বলেন।

গত সোমবার ডিম বহনকারী পিকআপ থানায় টেনে নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত রেকারের চালক পারভেজ হোসেন, হেলপার মোখলেস আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে ৩৫ হাজার ১০০ ডিম নিয়ে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থেকে বনপাড়া হয়ে যশোরে যাচ্ছিল একটি পিকআপ। পথে বড়াইগ্রামের আগ্রান সূতিরপাড় এলাকায় পিকআপটির চাকা পাঞ্চার হয়ে গেলে সেটি পাশের ফিডার রোডে নেমে যায়। খবর পেয়ে বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে আসে।

এ সময় পুলিশ সদস্যরা পিকআপ উদ্ধারের জন্য রেকার ভাড়াসহ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। চালক এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ সদস্যরা পিকআপে ডিমের খাঁচি বাধার রশি চাকু দিয়ে কেটে দেয়। তাতে প্রায় তিন লাখ টাকার ডিম নষ্ট হয় বলে অভিযোগ করেন ডিম ব্যবসায়ী।

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল
কক্সবাজারে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর করা নির্যাতনের সরেজমিনে সাক্ষ্য নিতে কক্সবাজারে পৌঁছেছে মিয়ানমারের তদন্ত দল।

সোমবার ( ১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে দলটি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে। সেখান থেকে রয়েল টিউলিপ হোটেলে বিশ্রাম নেন। তারপর দুপুর ১টার দিকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। এরপর তারা ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল

জানা গেছে, এটি একটি অগ্রগামী দল এবং এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত কেনজো ওশিমা। অন্য সদস্যরা হচ্ছেন প্রফেসর অং টুন থেট, প্রফেসর ইউশিহিরো নাকানিশি, লিনা ঘোষ এবং খিন মিউ মিয়াট সো।

তারা মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি তদন্তের জন্য ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমিশন অফ ইনকোয়ারি’ গঠন করেছে মিয়ানমার। ওই কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল চার দিনের সফরে গত (শনিবার) বাংলাদেশে আসে।

৮৫০ টাকার জন্য খুন হন শারমিন

৮৫০ টাকার জন্য খুন হন শারমিন
গ্রেফতার রিকশাচালক রাজু। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

দিনাজপুরের হাকিমপুরে পোশাক শ্রমিক শারমিন আক্তার (২২) খুনের ঘটনায় রিকশাচালক রাজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৯ আগস্ট) ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রাজু হাকিমপুর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের বাবু উড়াউয়ের ছেলে।

জানা গেছে, পোশাক শ্রমিক শারমিন ঢাকার গাবতলীতে বসবাস করতেন। গত জুলাই মাসে শারমিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসক শারমিনকে এক মাস বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেন। পরে বাবার অনুরোধে শারমিন গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে এসআই পরিবহনে গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের হাকিমপুরের (হিলি স্থলবন্দর) উদ্দেশে রওনা দেন। শুক্রবার ভোররাত ৩টা ৪৪ মিনিটে হিলিতে পৌঁছান তিনি। পরে রাজুর রিকশায় করে বাড়ি ফেরার পথে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। ওই দিনই তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার বৈগ্রাম সড়কের ব্রিজের নিচে কাদার মধ্যে পুঁতে রাখা অবস্থায় শারমিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের মাধ্যমে জানা যায় তাকে শ্বাসরোধে খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় শারমিনের বাবা শাফি আকন্দ বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হাকিমপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী অফিসার (ওসি, তদন্ত) রেজাউল করিম রেজা জানান, সিসি টিভির ফুটেজের ক্লু ধরে হত্যাকারীকে শনাক্ত করেন এবং সোমবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে তার বাড়ির শোবার ঘরের খাটের নিজ থেকে নিহত শারমিনের কাপড়ের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার রাজু জানান গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৩০ হাজার টাকা লোন নেন তিনি। সেই লোনের কিস্তির ৮৫০ টাকা পরিশোধ করার জন্য শারমিনকে খুন করা হয়। মূলত তিনি ভেবেছিলেন শারমিনকে খুন করে সহজে টাকা পাওয়া যাবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র