Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

লক্ষ্মীপুর বিআরটিএকে দালালমুক্ত করার অঙ্গীকার

লক্ষ্মীপুর বিআরটিএকে দালালমুক্ত করার অঙ্গীকার
লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা, ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) লক্ষ্মীপুর সার্কেল কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে দুদকের নোয়াখালী আঞ্চলিক সমন্বিত কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এ অভিযান চালান। এসময় তারা গ্রাহক হয়রানিসহ বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পান।

অভিযানের সময় বিআরটিএ লক্ষ্মীপুর সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন তার কার্যালয় দালাল ও হয়রানিমুক্ত করার লিখিত অঙ্গীকার করেন। এছাড়া ওই কার্যালয়ের সহকারী মাহবুবকে সর্তক করে দেওয়া হয়।

দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম ও উপ-সহকারী পরিচালক আরিফ আহম্মেদ।

Dudok
লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছেন  দুদক কর্মকর্তারা, ছবি: বার্তা২৪.কম

 

দুদক সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুর জেলা কালেক্টরেট ভবন সংলগ্ন বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের কর্মকর্তারা অভিযানে গিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় গ্রাহকরা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অসহযোগিতা, মোটরযান এনডোর্সমেন্ট, মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফেকেট, স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের শ্রেণি পরিবর্তন, তথ্য সংশোধন, ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট ও রুট পারমিটের জন্য ঘুষ বাণিজ্য ও দালালদের হয়রানির কথা তুলে ধরেন। পরে কর্মকর্তারা জেলা স্টেডিয়াম এলাকায় বিআরটিএ’র লাইসেন্স আবেদনকারীদের ব্যবহারিক পরীক্ষাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ ব্যাপারে দুদকের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে লক্ষ্মীপুরে এ অভিযান চালানো হয়। এসময় গ্রাহক হয়রানিসহ বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। আমাদের কাছে বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক কার্যালয়টি দালালমুক্ত করার লিখিত অঙ্গীকার করেছেন। অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও সর্তক করে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় মো. ইয়াকুব মন্ডল নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় ঘোষণা করেন। মো. ইয়াকুব মন্ডল ভেড়ামারা উপজেলার বারোমাইল এলাকার মো. জিয়ারুল ইসলামের ছেলে।

এছাড়া একই মামলায় আরও দু’জনের দেড় বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। তারা হলেন- ভেড়ামারা উপজেলার ফারাকপুর (হঠাৎপাড়া) এলাকার মো. মজিবর শেখের ছেলে মো. বাবুল শেখ ও একই উপজেলার বারোমাইল এলাকার মৃত আকবর হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর তারিখে কুষ্টিয়া র‌্যাব ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল ভেড়ামারা উপজেলার বারোমাইল এলাকা থেকে মো. জিয়ারুল ইসলামের দেহ তল্লাশি করে ৬০০ গ্রাম হেরোইন, ৩ কেজি ১৫০ গ্রাম গাঁজা ও মো. বাবলু শেখের দেহ তল্লাশি করে ১ কেজি ৩৪০ গ্রাম কেজি গাঁজা এবং জাহিদুল ইসলামের দেহ তল্লাশি করে ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু বক্কর শেখ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে ভেড়ামারা থানায় সোপর্দ করেন।

তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে মো. ইয়াকুব মন্ডলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আর দুই আসামিকে দেড় বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল
কক্সবাজারে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর করা নির্যাতনের সরেজমিনে সাক্ষ্য নিতে কক্সবাজারে পৌঁছেছে মিয়ানমারের তদন্ত দল।

সোমবার ( ১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে দলটি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে। সেখান থেকে রয়েল টিউলিপ হোটেলে বিশ্রাম নেন। তারপর দুপুর ১টার দিকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। এরপর তারা ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল

জানা গেছে, কমিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফিলিপাইনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোজারিও মানালো। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন মিয়ানমারের সাংবিধানিক ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান মিয়া থেইন, জাতিসংঘে জাপানের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি কেনজো ওশিমা এবং ইউনিসেফের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ড. অন তুন থেট।

তারা মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি তদন্তের জন্য ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমিশন অফ ইনকোয়ারি’ গঠন করেছে মিয়ানমার। ওই কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল চার দিনের সফরে গত (শনিবার) বাংলাদেশে আসে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র