Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

পলাশবাড়ীতে লোডশেডিং থেকে মুক্তি চান উপজেলাবাসী

পলাশবাড়ীতে লোডশেডিং থেকে মুক্তি চান উপজেলাবাসী
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
গাইবান্ধা


  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঘনঘন লোডশেডিং থেকে পরিত্রাণ চান উপজেলাবাসী। মাত্রাধিক লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সোমবার (২০ মে) মানববন্ধন করেছেন তারা।

বিকালে (২০ মে) পলাশবাড়ীর চৌমাথা মোড়ে ‘পরিবর্তন চাই’ শীর্ষক ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মামুনার রশিদ সুমন, ‘পরিবর্তন চাই’ গাইবান্ধা জেলা শাখার সমন্বয়ক রাশেদুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবক সাকিবাল হাসান, শাকিল তালুকদার, রাজু মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দেশে বর্তমানে ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, যা ২০০৯ সালের চেয়ে চার গুণ বেশি। অথচ পলাশবাড়ী উপজেলার মানুষ সীমাহীন লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগে পড়েছেন। দিনে ৫-৬ বার চলে এ লোডশেডিং। আমারা অনাকাঙ্ক্ষিত এই লোডশেডিংয়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এই ভোগান্তি থেকে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

বিষ দিয়ে ফিশারি পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ

বিষ দিয়ে ফিশারি পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ
ছবি: বার্তা২৪

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ফিশারি পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত ফিশারি মালিক আনিছুর রহমানের।

খবর পেয়ে বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে নেত্রকোনার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাতের যেকোনো সময় উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের ওই পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করে দুর্বৃত্তরা।

পুকুরের মালিক আনিছুর রহমান বলেন, ৪০ শতক পুকুরে কৈ মাছের চাষ করেছিলাম। অল্প দিনের মধ্যেই মাছগুলো বিক্রি করার উপযোগী হতো। কিন্তু বুধবার (২৬ জুন) ভোরে পুকুরপাড়ে গিয়ে দেখি মাছগুলো মরে ভেসে উঠছে। রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা বিষ জাতীয় কিছু দিয়ে মাছগুলো মেরে ফেলেছে। এতে আমার ৭/৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করব।

নেত্রকোনার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘুরে আসুন সাগরের তলদেশ থেকে!

ঘুরে আসুন সাগরের তলদেশ থেকে!
পটকা জাতীয় সামুদ্রিক মাছ, ছবি: বার্তা২৪

চলার পথে চারপাশে ঘুরছে নানা প্রজাতির মাছ। যার মধ্যে হাঙর ও পিরানহাও আছে। এর মধ্য দিয়েই হেঁটে চলেছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ বিনোদন দিতে সাগরের তলদেশের আদলে দেশে প্রথমবারের মতো গড়ে উঠেছে রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড, যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সংযোজন করেছে নতুন মাত্রা। ফলে ছুটিতে যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন এই কৃত্রিম সাগর তলদেশ থেকে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ার প্রকৌশলীদের সহায়তায় কক্সবাজারে নির্মাণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের এই অ্যাকুরিয়াম। নির্মাণে সময় লেগেছে দুই বছর। ২০১৭ সালে এই অ্যাকুরিয়াম উদ্বোধন করা হয়। এটি শুধু কক্সবাজারের জন্য নয়, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বড় ভূমিকা রাখছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555737557.JPG

অ্যাকুরিয়ামে বঙ্গোপসাগর থেকে নানান প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে। যাদের মধ্যে অচেনা ও বিলুপ্তপ্রায় অনেক মাছও রয়েছে। সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। এটা শুধু বিনোদনের জন্য নয়, সাগরের জীববৈচিত্র ও প্রাণী সম্পর্কে জানার শিক্ষাকেন্দ্র বলেও মনে করেন পর্যটকরা।

সিলেট থেকে আসা আরিফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আগে অনেকের মুখে এ অ্যাকুরিয়ামের কথা শুনেছি। কিন্তু আজ বাস্তবে দেখলাম। এখান থেকে জীববৈচিত্র ও নানান প্রজাতীর প্রাণি সম্পর্কে অনেক কিছু শেখার আছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555757095.JPG

নড়াইল থেকে আসা মুরাদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘অ্যাকুরিয়ামে প্রবেশের সময়ই মনে হয়েছে গুহায় প্রবেশ করছি। কিন্তু ভেতরে আসার পর সেটা অনেকটা সাগরের তলদেশের মতো। উপরে নিচে পানি আর পানি। আর সেই পানিতে খেলা করছে নানান প্রজাতির মাছ।’

ঢাকা থেকে আসা আরিফা ইসলাম রাখি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এক সঙ্গে এতো প্রজাতীর মাছ আমরা আগে কখনো দেখিনি। অ্যাকুরিয়ামটা আসলে খুবই সুন্দর। সাগরের তলদেশের আদলে তৈরি করায় সেখানে পাহাড় ও উঁচু-নিচু পথ আছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555773332.JPG

অ্যাকুরিয়ামে রাখা হয়েছে সামুদ্রিক শৈল মাছ, হাঙর, পিতম্বরী, আউস, শাপলা, পাতা, সাগর কুচিয়া, বোল, পানপাতা, পাংগাস, চেওয়া, কাছিম, কাঁকড়া, জেলি ফিসসহ অর্ধশতাধিক প্রজাতির মাছ। কিছু বিরল প্রজাতির মাছও এখানে রয়েছে।

কক্সবাজার রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করছে রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড। মাছও যে একটা বিনোদন উপাদন হতে পারে সেটা আমাদের দেশের মানুষের আগে জানা ছিল না। আশা করছি, সামনে দেশের পর্যটন শিল্পে এটা বড় অবদান রাখতে পারবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555797532.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক আসেন। তবে যারা রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ডের কথা জানেন তারা এখানে আসেন। এখানে নিরাপত্তাসহ গাড়ি পার্কিংয়ের সু-ব্যবস্থা আছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র