Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধূর্ত অঞ্জনা, ভাতের হাঁড়ির নিচে ফেনসিডিল

ধূর্ত অঞ্জনা, ভাতের হাঁড়ির নিচে ফেনসিডিল
গ্রেফতারকৃত অঞ্জনা। ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফেনসিডিল ব্যবসা করে আসছিল তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী অঞ্জনা বেগম। তবে অঞ্জনা এতটাই ধূর্ত যে পুলিশ তাকে হাতেনাতে ফেনসিডিলসহ ধরতে পারছিল না। বাড়ি-ঘর তল্লাশি করেও পাওয়া যায়নি ফেনসিডিল।

তবে পুলিশ কিন্তু হাল ছাড়েনি। এক পর্যায়ে পুলিশ সন্ধান পায় ভাত-তরকারি রাখার মিটসেফ এবং টেলিভিশন রাখার টেবিলে বিশেষ কায়দায় বক্স বানিয়ে তাতে রাখা হয়েছে ফেনসিডিলের বোতল। আর সেখান থেকেই খুচরা ক্রেতাদের কাছে ফেনসিডিল বিক্রি করে আসছিল অঞ্জনা।

বগুড়া শহরের আটাপাড়া এলাকায় একটি বিল্ডিংয়ের ৩য় তলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে অঞ্জনা ও তার স্বামী রবিউল ইসলাম। রোববার (১৯ মে) রাত ১২টার পর ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। ওই সময় পুরো বাড়ি তছনছ করে ফেনসিডিলের সন্ধান পাচ্ছিল না পুলিশ।

ফিরে আসার আগ মুহূর্তে ভাত-তরকারি রাখার মিটসেফ খুলে দেখতে পায় নিচের দিকে একটি বক্স। ভাতের হাঁড়ি সরাতেই তার নিচে বক্স থেকে বেরিয়ে আসে একের পর এক ফেনসিডিলের বোতল। এরপর টেবিল থেকে টেলিভিশন সরিয়ে সেখানেও সন্ধান পাওয়া যায় বিশেষ বক্সের। সেই বক্স থেকেও পাওয়া যায় ফেনসিডিল। পরে পুলিশ অঞ্জনাকে গ্রেফতার করে এবং তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে ৪৫ বোতল ফেনসিডিল।

পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, অঞ্জনা ও তার স্বামী দু’জনেই মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও তারা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। রোববার রাতে অভিযানের সময় অঞ্জনার স্বামী রবিউল বাসায় ছিল না।

তিনি আরও জানান, একজন ফেনসিডিলসেবীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে অঞ্জনার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় মো. ইয়াকুব মন্ডল নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় ঘোষণা করেন। মো. ইয়াকুব মন্ডল ভেড়ামারা উপজেলার বারোমাইল এলাকার মো. জিয়ারুল ইসলামের ছেলে।

এছাড়া একই মামলায় আরও দু’জনের দেড় বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। তারা হলেন- ভেড়ামারা উপজেলার ফারাকপুর (হঠাৎপাড়া) এলাকার মো. মজিবর শেখের ছেলে মো. বাবুল শেখ ও একই উপজেলার বারোমাইল এলাকার মৃত আকবর হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর তারিখে কুষ্টিয়া র‌্যাব ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল ভেড়ামারা উপজেলার বারোমাইল এলাকা থেকে মো. জিয়ারুল ইসলামের দেহ তল্লাশি করে ৬০০ গ্রাম হেরোইন, ৩ কেজি ১৫০ গ্রাম গাঁজা ও মো. বাবলু শেখের দেহ তল্লাশি করে ১ কেজি ৩৪০ গ্রাম কেজি গাঁজা এবং জাহিদুল ইসলামের দেহ তল্লাশি করে ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু বক্কর শেখ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে ভেড়ামারা থানায় সোপর্দ করেন।

তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে মো. ইয়াকুব মন্ডলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আর দুই আসামিকে দেড় বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল
কক্সবাজারে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর করা নির্যাতনের সরেজমিনে সাক্ষ্য নিতে কক্সবাজারে পৌঁছেছে মিয়ানমারের তদন্ত দল।

সোমবার ( ১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে দলটি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে। সেখান থেকে রয়েল টিউলিপ হোটেলে বিশ্রাম নেন। তারপর দুপুর ১টার দিকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। এরপর তারা ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে কক্সবাজারে মিয়ানমারের তদন্ত দল

জানা গেছে, কমিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফিলিপাইনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোজারিও মানালো। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন মিয়ানমারের সাংবিধানিক ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান মিয়া থেইন, জাতিসংঘে জাপানের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি কেনজো ওশিমা এবং ইউনিসেফের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ড. অন তুন থেট।

তারা মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি তদন্তের জন্য ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমিশন অফ ইনকোয়ারি’ গঠন করেছে মিয়ানমার। ওই কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল চার দিনের সফরে গত (শনিবার) বাংলাদেশে আসে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র