Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

পাহাড়ে আ'লীগের দুই নেতাকর্মীকে হত্যা: বিরাজ করছে আতঙ্ক

পাহাড়ে আ'লীগের দুই নেতাকর্মীকে হত্যা: বিরাজ করছে আতঙ্ক
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রাঙামাটি


  • Font increase
  • Font Decrease

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার ভাইকে গুলি করে হত্যার পর ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই রাঙামাটিতে যুবলীগ নেতাকে ঘরে ঢুকে গুলিতে হত্যা করেছে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সন্ত্রাসীরা।

রোববার (১৯ মে) দিবাগত রাতে রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলাধীন বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে আঞ্চলিক দলীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ক্রে হলা চিং মারমাকে গুলি করে হত্যা করেছে।

পার্শ্ববর্তী দুটি জেলায় ক্ষমতাসীন দলের দুই নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগের উপজাতীয় নেতাকর্মীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ঞোমং মারমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ধারণা করা হচ্ছে জেএসএস এর সদস্যরাই তাকে হত্যা করেছে।

আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

তিনি জানান, নিহত যুবলীগ নেতা নিজ ঘরেই অবস্থান করছিলো। সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র অবস্থায় এসে গুলি করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টিম গেছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়রা সূত্রে জানা গেছে, নিহত যুবলীগ নেতাকে বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় থেকেই মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল আঞ্চলিক সংগঠন জেএসএস নামধারী একদল সন্ত্রাসী। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় তাকে একবার একবার অপহরণ করে নিয়ে গেছিলো বলেও জানিয়েছে স্থানীয় একটি সূত্র।

চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফ জানিয়েছেন, আমরা ঘটনাটি শুনেই ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিমকে পাঠিয়েছি। তারা ফিরে আসলে ঘটনার বিস্তারিত জানানো যাবে।

এর আগে মাত্র ২৩ ঘণ্টা আগে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে একজনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। শনিবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ৮নং রাবার বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ক্য চিং থোয়াই (২৬)। সে রাজবিলা ইউনিয়নের আ'লীগের সহ-সভাপতি চাই পা অং এর ভাই।

প্রসঙ্গত, গত ৯ মে ওই এলাকায় সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সমর্থক জয় মনি তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে। এর আগে গত ৭ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির কর্মী বিনয় তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়া অপহরণ করা হয় পুরাধন তঞ্চঙ্গ্যা নামের অপর এক কর্মীকে, এখনও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এদিকে সম্প্রতি ঐ এলাকায় একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
মানিকগঞ্জ, ছবি: সংগৃহীত

 

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বান্দুটিয়া এবং ঘুনটিপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫ মাদকসেবীকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আটকের পর তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বিল্লাল হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই কারাদণ্ড প্রদাণ করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সোহরাব হোসেন (৪৫), রিপন মিয়া (৩৪), জাকির হোসেন (৩১), মো. আরিফ (২৮)  এবং মো. লোটাস (২৮)। দণ্ডপ্রাপ্তরা মানিকগঞ্জ সদর এবং শিবালয় উপজেলার বাসিন্দা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া ও তার সহকর্মীরা এই অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট বিল্লাল হোসেন।

উপকারে আসছে না ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ড

উপকারে আসছে না ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ড
পাবনার চাটমোহরের নতুন বাসস্ট্যান্ডটি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

গত আট বছরেও চালু করা সম্ভব হয়নি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাবনার চাটমোহরের নতুন বাসস্ট্যান্ডটি। বর্তমানে এলাকাটি মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এছাড়া যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী রাখায় জায়গাটি দখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাসস্ট্যান্ডটিতে টিকিট কাউন্টার, দোকানঘর ও শৌচাগার থাকলেও নেই শুধু যানবাহন ও কোলাহল। ধুলার আস্তরণে ঢেকে গেছে সব। আর সন্ধ্যার পর সেখানে ভুতুরে পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বসে মাদকসেবীদের আড্ডা।

এদিকে এতো টাকা ব্যয় করে বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ হওয়ার পরে তা ব্যবহার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা জানান, শহরে যানবাহনের চাপ কমাতে ২০১১ সালে চাটমোহর-জোনাইল সড়কের পাশে গাইনগড় এলাকায় দুই বিঘা জমির উপর বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ করে চাটমোহর পৌরসভা। এ জন্য উপজেলা পরিষদ নগর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৬০ লাখ টাকা ঋণ নেয় এবং পরে তহবিল থেকে ব্যয় করা হয় ৮ লাখ টাকা। মোট ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ডটি ঘটা করে উদ্বোধনও করা হয়। কিন্তু পরে আর চালু হয়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566215779930.jpg

জানা গেছে, সম্প্রতি বর্তমান মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল সাপ্তাহিক হাট বসিয়ে বাসস্ট্যান্ডটি চালুর উদ্যোগ নেন। এজন্য তিনি বাসস্ট্যান্ড জুড়ে ২৮টি সোলার প্যানেল বসান, সুপেয় পানির পাম্প বসান এবং বাইরে আরও একটি শৌচাগার নির্মাণ করেন। তবে তার কোনো উদ্যোগ সফল হয়নি।

অভিযোগ আছে, সরকারি অর্থ ব্যয় করে নির্মাণ করা বাসস্ট্যান্ডটি সাধারণ মানুষের কোনো উপকারে আসছে না। অথচ সব ধরনের যানবাহন প্রতিদিন চাটমোহর-পাবনা সড়কের ওপর দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করানো হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাক থেকে মালামাল লোড-আনলোড করানো হয়। এতে পৌর সদরের মধ্যে প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকে। কাগজে কলমে সচল থাকলেও দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে আছে পৌর বাসস্ট্যান্ডটি। এতে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে চাটমোহর পৌরসভার মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও বাসস্ট্যান্ডটি চালু করতে পারছি না। সংযোগ সড়ক না করে অপরিকল্পিতভাবে বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ করায় কেউ এটি ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছে না। ফলে আগের মেয়রের ভুলের খেসারত আমাকে দিতে হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566215803680.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণের জন্য নেয়া ঋণের টাকা এখনো পৌর তহবিল থেকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। তবে বাসস্ট্যান্ডটি চালুর চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

কয়েকজন বাস চালক জানান, বাসস্ট্যান্ডটি পৌর সদরের সড়ক থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এবং সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তাই সেখানে কেউ যেতে চায় না।

তবে সাধারণ যাত্রীদের দাবি, বাসস্ট্যান্ড থেকে নিরাপদে যাতায়াত করা সম্ভব। ফলে তাদের আশা, দ্রুত বাসস্ট্যান্ডটি চালুর উদ্যোগ নেবেন সংশ্লিষ্টরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র