Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কুষ্টিয়ায় সেমাই তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা

কুষ্টিয়ায় সেমাই তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা
কুষ্টিয়ার বিখ্যাত সাদা সেমাই, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের মত মহোৎসবে সেমাইয়ের যেন বিকল্প নেই। দেশের বিভিন্ন স্থানে সেমাই তৈরি হলেও কুষ্টিয়া এর জন্য সুখ্যাত। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে তাই মহাব্যস্ত স্থানীয় সেমাই কারখানাগুলোর শ্রমিকরা।

কুষ্টিয়ার বিভিন্ন সেমাই কারখানা ঘুরে দেখা গেছে, ময়দা মাখানো, মেশিনের মাধ্যমে মিশ্রণ তৈরি করা, অতঃপর সেমাই তৈরি করে রোদে শুকানোর কাজে ব্যস্ত শ্রমিকরা। ঈদ যতই কাছে আসছে, তাদের ব্যস্ততা যেন ততই বাড়ছে। সময়মত সেমাই সরবরাহ করতে হবে তাদের।

কুষ্টিয়ার সাদা সেমাইয়ের ব্যাপক চাহিদা থাকায় বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয়। রমজান মাস যত শেষ হয়ে যাচ্ছে ততই এই সেমাই বিক্রির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। সেমাই বেচাকেনা নিয়ে পাইকারি ব্যবসায়ীরাও আড়তে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

কুষ্টিয়ার সেমাই

কুষ্টিয়ার বিখ্যাত সাদা সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিপুল পরিমাণে উৎপাদিত হচ্ছে। দম ফেলানোর যেন ফুরসত নেই শ্রমিকদের। উন্নতমানের সেমাই তৈরির চ্যালেঞ্জ রয়েছে তাদের। তবে মাঝে মাঝে বৃষ্টিপাতের কারণে সেমাই তৈরি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তবে, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে সেমাই তৈরির অভিযোগ আছে অনেক কারখানার বিরুদ্ধে। এমনকি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন না থাকারও অভিযোগ পাওয়া গেছে অনেকগুলো কারখানার বিরুদ্ধে।

জেলাটিতে ১৭টি সেমাই কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার না করেই স্বাস্থ্যসম্মতভাবে সেমাই তৈরি করা হচ্ছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

কুষ্টিয়ার সেমাই

তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শহরের অলিগলিতে অস্থায়ী কারখানায় দিনরাত চলছে সেমাই তৈরির কাজ। বেশি মুনাফার আশায় নোংরা ও অপরিষ্কার কারখানায় কারিগররাও অপরিচ্ছন্নভাবে কাজ করছেন। তাছাড়া খোলা স্থানে শুকানো হচ্ছে সেমাই। যেখানে কাক বা অন্য পাখির অবাধ বিচরণ রয়েছে।

কুষ্টিয়া খাদ্য শিল্প মালিক সমিতির সাধারণ বিল্লাল হোসেন বলেন, জেলার চাহিদা মিটিয়ে এখানকার সেমাই আশপাশের জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হয়ে থাকে। প্রতিদিন দুই থেকে তিনশ’ মণ সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। এখন আবহাওয়া ভালো থাকলেও মাঝে মাঝে বৃষ্টির কারণে উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে।

তিনি জানান, ১০ কেজি সেমাই একেকটি বস্তায় ভরা হয়। প্রতি বস্তার পাইকারি দাম ৩৩০ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন :

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলী হায়দার (৫০) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ এনে নিহতের স্বজনেরা বেসরকারি মাতৃছায়া হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

সোমবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা।

নিহত হায়দার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Lakshmipur-Clash

নিহতের স্বজনেরা জানান, উপজেলার মরকম আলী সর্দার বাড়ির সামনের দোকানে চা পান করছিলেন আলী হায়দার। এসময় হঠাৎ মাটিতে লুটে পড়েন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন রোগীকে দেখে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে চিকিৎসা দেয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চাঁদপুরের মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে রেফার করা হয়। সেখানে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা মরদেহ নিয়ে রায়পুরের মাতৃছায়া হাসপাতালে দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এসময় নিহতের ছেলে সোহেল মাহমুদের হাত গ্লাসে কাটা পড়ে রক্তক্ষরণ হয় । পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতের এক স্বজন মো. হারুন বলেন, স্ট্রোকের রোগীকে ডায়রিয়ার চিকিৎসা দেওয়ায় আলী হায়দার মারা গেছে।

Lakshmipur-Clash

এ ব্যাপারে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তুহিন চৌধুরী বলেন, ডায়রিয়ার রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়। রাতে হঠাৎ অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ১০-১৫ জন লোক এসে হাসপাতাল ভাঙচুর করে। এতে হাসপাতালে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা মামলা করবে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোতা মিয়া জানান, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু
বন্যার পানি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে তামিম (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) বিকালে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের খলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিশু তামিম খলা গ্রামে সাইকুল মিয়ার ছেলে। এ উপজেলায় এর আগেও বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

নিহত শিশুর পারিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সোমবার বিকালের দিকে ঘর সংলগ্ন জমে থাকা বন্যার পানিতে পরিবারের সদস্যের অজান্তে পড়ে যায় তামিম। পরে পরিবারের লোকজন পানি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নিয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল করিমের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র